তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, দিলেন যে বার্তা

তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, দিলেন যে বার্তা

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচি জাপানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান একটি বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। বাংলাদেশের সাথে জাপানের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে তিনি স্বাগত জানান। দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি তার বার্তায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত এবং একটি সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে একযোগে কাজ করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দেশের ১১তম প্রধামন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, নেপালের প্রধানমন্ত্রীসহ দেশি-বিদেশি হাজারের অধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচি জাপানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান একটি বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। বাংলাদেশের সাথে জাপানের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে তিনি স্বাগত জানান। দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি তার বার্তায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত এবং একটি সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে একযোগে কাজ করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দেশের ১১তম প্রধামন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, নেপালের প্রধানমন্ত্রীসহ দেশি-বিদেশি হাজারের অধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, দিলেন যে বার্তা

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচি জাপানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান একটি বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। বাংলাদেশের সাথে জাপানের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে তিনি স্বাগত জানান। দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি তার বার্তায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত এবং একটি সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে একযোগে কাজ করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দেশের ১১তম প্রধামন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, নেপালের প্রধানমন্ত্রীসহ দেশি-বিদেশি হাজারের অধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন।




