‘গণভোট ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে সরকারের নৈতিক বৈধতা থাকবে না’

‘গণভোট ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে সরকারের নৈতিক বৈধতা থাকবে না’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘জুলাই বিপ্লবের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকার ও সংসদ প্রতিষ্ঠিত। তাই গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদের অঙ্গীকার তথা রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার উপেক্ষা করার কোনো নৈতিক বা আইনি বৈধতা এই সরকারের নেই।’
সোমবার (৯ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসির (সিপিএএ) উদ্যোগে ‘নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ: গণভোটের অঙ্গীকার, জুলাই সনদ এবং সংস্কার প্রস্তাবসমূহের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সচিব ও সিপিএএ-এর প্রেসিডেন্ট ড. মো: শরিফুল আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম।
মূল প্রবন্ধে ড. ওয়ারেসুল করিম বলেন, ‘২৪-এর আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা এই নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।’ তিনি তারেক রহমানকে তারুণ্যের আইডল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘জুলাই উনাকে সম্মান দিয়েছে, উনিও জুলাইকে সম্মান জানাবেন– এটাই প্রত্যাশা। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে গিয়ে একটি সুন্দর দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আর শিশুদের রাজপথে নামতে না হয়।’
সিপিএএর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব জনাব আবদুল কাইউম সতর্ক করে বলেন, ‘সংস্কার শেষ না করে নির্বাচনের ফল শুভ হয় না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে আবারও অভ্যুত্থান হতে পারে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নই এখন একমাত্র পথ।’
বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। গণভোটের আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করা নৈতিকভাবে সমীচীন হবে না। এমনকি সরকারি দলের সদস্যদেরও সংস্কার পরিষদের শপথের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির এবং সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের ব্যর্থ চেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। তারা বলেন, ‘অতীতের সেই ভুল জাতিকে রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছিল। বর্তমান সরকারকে সেই পথ পরিহার করে ‘ইনসাফ’ কায়েম করতে হবে।’
মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুর রব বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের রাস্তা চিরতরে বন্ধ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ না হলে আবারও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। বালুর ট্রাকের সেই দুঃশাসন, আধিপত্যবাদী শক্তিকে ভুলে যাওয়া যাবে না।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসেন বলেন, ‘বাঙালি স্বাধীনতা হরণ করে বাঁচতে চায় না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে শহীদদের রক্তের কোনো মূল্য থাকবে না।’
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মারদিয়া মমতাজ বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে যারা আসেন, তারা নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন না। জবাবদিহিতার অভাবে সংসদ সদস্যরা ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠেন।’
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, জনগণের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে অবদমিত করতে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা হবে আত্মঘাতী। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে বাদ দিয়ে বর্তমান সংসদের কোনো স্থায়িত্ব থাকতে পারে না।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. শাফিউল ইসলাম এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান প্রমুখ।

‘জুলাই বিপ্লবের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকার ও সংসদ প্রতিষ্ঠিত। তাই গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদের অঙ্গীকার তথা রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার উপেক্ষা করার কোনো নৈতিক বা আইনি বৈধতা এই সরকারের নেই।’
সোমবার (৯ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসির (সিপিএএ) উদ্যোগে ‘নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ: গণভোটের অঙ্গীকার, জুলাই সনদ এবং সংস্কার প্রস্তাবসমূহের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সচিব ও সিপিএএ-এর প্রেসিডেন্ট ড. মো: শরিফুল আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম।
মূল প্রবন্ধে ড. ওয়ারেসুল করিম বলেন, ‘২৪-এর আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা এই নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।’ তিনি তারেক রহমানকে তারুণ্যের আইডল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘জুলাই উনাকে সম্মান দিয়েছে, উনিও জুলাইকে সম্মান জানাবেন– এটাই প্রত্যাশা। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে গিয়ে একটি সুন্দর দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আর শিশুদের রাজপথে নামতে না হয়।’
সিপিএএর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব জনাব আবদুল কাইউম সতর্ক করে বলেন, ‘সংস্কার শেষ না করে নির্বাচনের ফল শুভ হয় না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে আবারও অভ্যুত্থান হতে পারে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নই এখন একমাত্র পথ।’
বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। গণভোটের আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করা নৈতিকভাবে সমীচীন হবে না। এমনকি সরকারি দলের সদস্যদেরও সংস্কার পরিষদের শপথের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির এবং সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের ব্যর্থ চেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। তারা বলেন, ‘অতীতের সেই ভুল জাতিকে রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছিল। বর্তমান সরকারকে সেই পথ পরিহার করে ‘ইনসাফ’ কায়েম করতে হবে।’
মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুর রব বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের রাস্তা চিরতরে বন্ধ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ না হলে আবারও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। বালুর ট্রাকের সেই দুঃশাসন, আধিপত্যবাদী শক্তিকে ভুলে যাওয়া যাবে না।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসেন বলেন, ‘বাঙালি স্বাধীনতা হরণ করে বাঁচতে চায় না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে শহীদদের রক্তের কোনো মূল্য থাকবে না।’
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মারদিয়া মমতাজ বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে যারা আসেন, তারা নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন না। জবাবদিহিতার অভাবে সংসদ সদস্যরা ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠেন।’
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, জনগণের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে অবদমিত করতে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা হবে আত্মঘাতী। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে বাদ দিয়ে বর্তমান সংসদের কোনো স্থায়িত্ব থাকতে পারে না।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. শাফিউল ইসলাম এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান প্রমুখ।

‘গণভোট ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে সরকারের নৈতিক বৈধতা থাকবে না’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘জুলাই বিপ্লবের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকার ও সংসদ প্রতিষ্ঠিত। তাই গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদের অঙ্গীকার তথা রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার উপেক্ষা করার কোনো নৈতিক বা আইনি বৈধতা এই সরকারের নেই।’
সোমবার (৯ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসির (সিপিএএ) উদ্যোগে ‘নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ: গণভোটের অঙ্গীকার, জুলাই সনদ এবং সংস্কার প্রস্তাবসমূহের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সচিব ও সিপিএএ-এর প্রেসিডেন্ট ড. মো: শরিফুল আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম।
মূল প্রবন্ধে ড. ওয়ারেসুল করিম বলেন, ‘২৪-এর আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা এই নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।’ তিনি তারেক রহমানকে তারুণ্যের আইডল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘জুলাই উনাকে সম্মান দিয়েছে, উনিও জুলাইকে সম্মান জানাবেন– এটাই প্রত্যাশা। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে গিয়ে একটি সুন্দর দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আর শিশুদের রাজপথে নামতে না হয়।’
সিপিএএর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব জনাব আবদুল কাইউম সতর্ক করে বলেন, ‘সংস্কার শেষ না করে নির্বাচনের ফল শুভ হয় না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে আবারও অভ্যুত্থান হতে পারে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নই এখন একমাত্র পথ।’
বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। গণভোটের আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করা নৈতিকভাবে সমীচীন হবে না। এমনকি সরকারি দলের সদস্যদেরও সংস্কার পরিষদের শপথের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির এবং সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের ব্যর্থ চেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। তারা বলেন, ‘অতীতের সেই ভুল জাতিকে রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছিল। বর্তমান সরকারকে সেই পথ পরিহার করে ‘ইনসাফ’ কায়েম করতে হবে।’
মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুর রব বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের রাস্তা চিরতরে বন্ধ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ না হলে আবারও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। বালুর ট্রাকের সেই দুঃশাসন, আধিপত্যবাদী শক্তিকে ভুলে যাওয়া যাবে না।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসেন বলেন, ‘বাঙালি স্বাধীনতা হরণ করে বাঁচতে চায় না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে শহীদদের রক্তের কোনো মূল্য থাকবে না।’
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মারদিয়া মমতাজ বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে যারা আসেন, তারা নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন না। জবাবদিহিতার অভাবে সংসদ সদস্যরা ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠেন।’
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, জনগণের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে অবদমিত করতে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা হবে আত্মঘাতী। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে বাদ দিয়ে বর্তমান সংসদের কোনো স্থায়িত্ব থাকতে পারে না।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. শাফিউল ইসলাম এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান প্রমুখ।




