সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড গভীর ক্ষত তৈরি করেছে: প্রধানমন্ত্রী

সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড গভীর ক্ষত তৈরি করেছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সেনানিবাসে শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা প্রকাশিত হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পিলখানার হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার অপপ্রয়াস। সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বরণ করা আমাদের দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী এসময় জানান. শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য ও সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি) সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। সব মিলিয়ে তখন পিলখানায় নিহত হন ৭৪ জন। সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরাও চরম নৃশংসতার শিকার হন।
২০০৯ সালের এই মর্মান্তিক দিনটিকে গত বছর থেকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। দিবসটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে।

সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সেনানিবাসে শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা প্রকাশিত হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পিলখানার হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার অপপ্রয়াস। সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বরণ করা আমাদের দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী এসময় জানান. শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য ও সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি) সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। সব মিলিয়ে তখন পিলখানায় নিহত হন ৭৪ জন। সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরাও চরম নৃশংসতার শিকার হন।
২০০৯ সালের এই মর্মান্তিক দিনটিকে গত বছর থেকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। দিবসটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে।

সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড গভীর ক্ষত তৈরি করেছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সেনানিবাসে শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা প্রকাশিত হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পিলখানার হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার অপপ্রয়াস। সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বরণ করা আমাদের দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী এসময় জানান. শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য ও সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি) সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। সব মিলিয়ে তখন পিলখানায় নিহত হন ৭৪ জন। সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরাও চরম নৃশংসতার শিকার হন।
২০০৯ সালের এই মর্মান্তিক দিনটিকে গত বছর থেকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। দিবসটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে।




