হরমুজ দিয়ে বাংলাদেশের এলএনজিবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত

হরমুজ দিয়ে বাংলাদেশের এলএনজিবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না। একই সঙ্গে মক্কা প্যাক্টের সদস্য দেশগুলোর জাহাজও হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার ক্ষেত্রে এলএনজি বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজ কোনো সমস্যার মুখোমুখি হবে না। মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাহাজও এই নৌপথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে।
তিনি বলেন, মক্কা প্যাক্টকে নিজেদের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না ইরান। বরং আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলে ইরান এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ইরান কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি বা ক্যাম্পে হামলা করেছে, কোনো ইসলামী রাষ্ট্রে হামলা করেনি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব থাকায় সম্ভাব্য নৌ-নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে কাতারএনার্জি বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ বা চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা সেপ্টেম্বরের পরও বাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে এলএনজি বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আমদানি করা এলএনজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের দীর্ঘস্থায়ী নৌ-নিরাপত্তা সংকট তৈরি হলে তা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশেও সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না। একই সঙ্গে মক্কা প্যাক্টের সদস্য দেশগুলোর জাহাজও হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার ক্ষেত্রে এলএনজি বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজ কোনো সমস্যার মুখোমুখি হবে না। মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাহাজও এই নৌপথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে।
তিনি বলেন, মক্কা প্যাক্টকে নিজেদের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না ইরান। বরং আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলে ইরান এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ইরান কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি বা ক্যাম্পে হামলা করেছে, কোনো ইসলামী রাষ্ট্রে হামলা করেনি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব থাকায় সম্ভাব্য নৌ-নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে কাতারএনার্জি বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ বা চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা সেপ্টেম্বরের পরও বাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে এলএনজি বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আমদানি করা এলএনজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের দীর্ঘস্থায়ী নৌ-নিরাপত্তা সংকট তৈরি হলে তা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশেও সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।

হরমুজ দিয়ে বাংলাদেশের এলএনজিবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা নেই: ইরানি রাষ্ট্রদূত
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা হবে না। একই সঙ্গে মক্কা প্যাক্টের সদস্য দেশগুলোর জাহাজও হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার ক্ষেত্রে এলএনজি বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজ কোনো সমস্যার মুখোমুখি হবে না। মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাহাজও এই নৌপথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে।
তিনি বলেন, মক্কা প্যাক্টকে নিজেদের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না ইরান। বরং আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলে ইরান এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ইরান কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি বা ক্যাম্পে হামলা করেছে, কোনো ইসলামী রাষ্ট্রে হামলা করেনি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব থাকায় সম্ভাব্য নৌ-নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে কাতারএনার্জি বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ বা চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা সেপ্টেম্বরের পরও বাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে এলএনজি বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজের হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আমদানি করা এলএনজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের দীর্ঘস্থায়ী নৌ-নিরাপত্তা সংকট তৈরি হলে তা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশেও সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক হওয়া উচিত জনগণকেন্দ্রিক: স্পিকার






