নির্বাচনে নজরদারিতে থাকবে ৪১৮ ড্রোন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে নজরদারিতে থাকবে ৪১৮ ড্রোন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নজরদারি করতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করবে। এছাড়া নির্বাচনে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন বাহিনী ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এই তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’। এটি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে। অ্যাপটির সঙ্গে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে। এটি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত প্রতিকার বা নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।’
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। এরমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগ-১ হাজার ২৫০), বাংলাদেশ পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ১৩ হাজার ৩৯০ সদস্যসহ সর্বমোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ রাখতে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী মোতায়েন করার বিষয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘ভোট কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনা—সব কিছুর সমন্বয় থাকবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে।’
জাতীয় নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি ও সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। এরমধ্যে পুলিশ সদস্যদের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি ক্যামেরা থাকবে। এছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে। প্রথমবারের মতো নির্বাচনি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ড্রোনের ব্যবহার।
দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘কেন্দ্রে ব্যালটসহ অন্যান্য সামগ্রী এবং নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহারের ব্যবস্থা নেবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ গড়তে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে চারদিন আগে নিবিড় টহল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় টহল কার্যক্রম বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে নিবিড়ভাবে পরিচালনা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও প্রভাবিত করতে পারে এমন যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা ও কার্যক্রম সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।’ সভায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নজরদারি করতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করবে। এছাড়া নির্বাচনে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন বাহিনী ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এই তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’। এটি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে। অ্যাপটির সঙ্গে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে। এটি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত প্রতিকার বা নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।’
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। এরমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগ-১ হাজার ২৫০), বাংলাদেশ পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ১৩ হাজার ৩৯০ সদস্যসহ সর্বমোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ রাখতে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী মোতায়েন করার বিষয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘ভোট কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনা—সব কিছুর সমন্বয় থাকবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে।’
জাতীয় নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি ও সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। এরমধ্যে পুলিশ সদস্যদের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি ক্যামেরা থাকবে। এছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে। প্রথমবারের মতো নির্বাচনি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ড্রোনের ব্যবহার।
দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘কেন্দ্রে ব্যালটসহ অন্যান্য সামগ্রী এবং নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহারের ব্যবস্থা নেবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ গড়তে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে চারদিন আগে নিবিড় টহল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় টহল কার্যক্রম বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে নিবিড়ভাবে পরিচালনা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও প্রভাবিত করতে পারে এমন যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা ও কার্যক্রম সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।’ সভায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।

নির্বাচনে নজরদারিতে থাকবে ৪১৮ ড্রোন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নজরদারি করতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করবে। এছাড়া নির্বাচনে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন বাহিনী ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এই তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’। এটি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে। অ্যাপটির সঙ্গে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে। এটি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত প্রতিকার বা নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।’
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। এরমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগ-১ হাজার ২৫০), বাংলাদেশ পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ১৩ হাজার ৩৯০ সদস্যসহ সর্বমোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ রাখতে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী মোতায়েন করার বিষয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘ভোট কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনা—সব কিছুর সমন্বয় থাকবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে।’
জাতীয় নির্বাচনে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি ও সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। এরমধ্যে পুলিশ সদস্যদের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি ক্যামেরা থাকবে। এছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে। প্রথমবারের মতো নির্বাচনি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ড্রোনের ব্যবহার।
দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘কেন্দ্রে ব্যালটসহ অন্যান্য সামগ্রী এবং নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহারের ব্যবস্থা নেবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ গড়তে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে চারদিন আগে নিবিড় টহল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় টহল কার্যক্রম বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে নিবিড়ভাবে পরিচালনা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও প্রভাবিত করতে পারে এমন যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা ও কার্যক্রম সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।’ সভায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।




