একুশের চেতনায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

একুশের চেতনায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একুশের চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দেশের সকল স্তরে মাতৃভাষা বাংলা সঠিকভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ব্যক্তিগত ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা। তিনি বিশেষ করে শহীদ আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বারসহ সকল শহীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনা মজবুত করেছে। একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার প্রতি বাঙালির ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা বিশ্বজুড়ে সব ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাকেই একুশের মূল চেতনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এই অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তারেক রহমান বলেন, আমরা ভাষা শহীদ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।
তিনি বিশ্বজুড়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ভাষা শহীদদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দিনটিতে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একুশের চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দেশের সকল স্তরে মাতৃভাষা বাংলা সঠিকভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ব্যক্তিগত ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা। তিনি বিশেষ করে শহীদ আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বারসহ সকল শহীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনা মজবুত করেছে। একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার প্রতি বাঙালির ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা বিশ্বজুড়ে সব ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাকেই একুশের মূল চেতনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এই অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তারেক রহমান বলেন, আমরা ভাষা শহীদ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।
তিনি বিশ্বজুড়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ভাষা শহীদদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দিনটিতে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

একুশের চেতনায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একুশের চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দেশের সকল স্তরে মাতৃভাষা বাংলা সঠিকভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ব্যক্তিগত ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা। তিনি বিশেষ করে শহীদ আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বারসহ সকল শহীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনা মজবুত করেছে। একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার প্রতি বাঙালির ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা বিশ্বজুড়ে সব ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাকেই একুশের মূল চেতনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এই অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তারেক রহমান বলেন, আমরা ভাষা শহীদ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।
তিনি বিশ্বজুড়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ভাষা শহীদদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দিনটিতে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।




