নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি আজ

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আজ রবিবার (৫ মার্চ) থেকে কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক ফেসবুক পোস্টে এই কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দেওয়া ওই পোস্টে আবদুল মালেক জানান, দীর্ঘ ১১ বছরের চাওয়া-পাওয়ার প্র্রতিফলন না ঘটলে বা আসন্ন বাজেটে পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দ রাখা না হলে ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবার ক্ষোভে ফেটে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবার-পরিজন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং প্রতি মাসেই ঋণের চাপ বাড়ছে। অনেক পরিবারের মধ্যে জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণাও তৈরি হয়েছে।
আবদুল মালেক বলেন, জীবন যখন অনিশ্চয়তায় ভোগে এবং পেটে খাবার থাকে না, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি কর্মচারী ক্ষুধার্ত বাঘের মতো আচরণ করতে পারে, যা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সার্বিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সরকার চাইলে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন শুরু করতে পারে এবং তাতেও সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মতি রয়েছে। প্রয়োজনে ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারী আয়কর দিতে প্রস্তুত, যাতে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়।
সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এরইমধ্যে আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতা ও সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছি। পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি এবং এটি সম্পূর্ণ সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আজ রবিবার (৫ মার্চ) থেকে কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক ফেসবুক পোস্টে এই কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দেওয়া ওই পোস্টে আবদুল মালেক জানান, দীর্ঘ ১১ বছরের চাওয়া-পাওয়ার প্র্রতিফলন না ঘটলে বা আসন্ন বাজেটে পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দ রাখা না হলে ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবার ক্ষোভে ফেটে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবার-পরিজন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং প্রতি মাসেই ঋণের চাপ বাড়ছে। অনেক পরিবারের মধ্যে জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণাও তৈরি হয়েছে।
আবদুল মালেক বলেন, জীবন যখন অনিশ্চয়তায় ভোগে এবং পেটে খাবার থাকে না, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি কর্মচারী ক্ষুধার্ত বাঘের মতো আচরণ করতে পারে, যা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সার্বিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সরকার চাইলে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন শুরু করতে পারে এবং তাতেও সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মতি রয়েছে। প্রয়োজনে ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারী আয়কর দিতে প্রস্তুত, যাতে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়।
সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এরইমধ্যে আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতা ও সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছি। পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি এবং এটি সম্পূর্ণ সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আজ রবিবার (৫ মার্চ) থেকে কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এক ফেসবুক পোস্টে এই কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দেওয়া ওই পোস্টে আবদুল মালেক জানান, দীর্ঘ ১১ বছরের চাওয়া-পাওয়ার প্র্রতিফলন না ঘটলে বা আসন্ন বাজেটে পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দ রাখা না হলে ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবার ক্ষোভে ফেটে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবার-পরিজন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং প্রতি মাসেই ঋণের চাপ বাড়ছে। অনেক পরিবারের মধ্যে জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণাও তৈরি হয়েছে।
আবদুল মালেক বলেন, জীবন যখন অনিশ্চয়তায় ভোগে এবং পেটে খাবার থাকে না, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি কর্মচারী ক্ষুধার্ত বাঘের মতো আচরণ করতে পারে, যা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সার্বিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সরকার চাইলে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন শুরু করতে পারে এবং তাতেও সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মতি রয়েছে। প্রয়োজনে ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারী আয়কর দিতে প্রস্তুত, যাতে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়।
সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এরইমধ্যে আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতা ও সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছি। পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি এবং এটি সম্পূর্ণ সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।




