সব উপজেলায় মহিলা কলেজের কথা ভাবছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সব উপজেলায় মহিলা কলেজের কথা ভাবছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে দেশের সব উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে পর্বে এ কথা জানান তিনি।
ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এক লিখিত প্রশ্নে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অব্যাহত চাহিদা অনুযায়ী পর্যটন সেক্টরে উল্লেখযোগ্যে কী কী অগ্রগতি করার পরিকল্পনা আপনার আছে, আগামীতে পর্যটনের আওতায় নতুন কোনো জেলাকে সরকারিভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন কী?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এ খাতের অগ্রগতির লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সেগুলো হলো পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পর্যটন-বান্ধব নীতি প্রণয়ন; ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন; রন্ধনশৈলী পর্যটনের প্রসার ঘটানো; কমিউনিটি ট্যুরিজম, এথনিক ও ওয়াটার ট্যুরিজমের বিকাশ ও ইকো-ট্যুরিজমের বিকাশ এবং গ্রাম পর্যটন উন্নয়ন।
তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে 'জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা' এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার তৈরি, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উপকূলীয় এলাকাভিত্তিক পর্যটনের বিকাশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার রূপরেখা রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশে বর্তমানে ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। সব অঞ্চলে পর্যটনের সুবিধা সম্প্রসারণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রত্যেকটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আরেক সংসদ সদস্য এ. এম. মাহবুব উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনার নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের পাইলট কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। আমার নির্বাচনী এলাকাকে কবে নাগাদ এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক-এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি কর্পোরেশনে ৩৭,৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামীতে দেশের প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে দেশের সব উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে পর্বে এ কথা জানান তিনি।
ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এক লিখিত প্রশ্নে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অব্যাহত চাহিদা অনুযায়ী পর্যটন সেক্টরে উল্লেখযোগ্যে কী কী অগ্রগতি করার পরিকল্পনা আপনার আছে, আগামীতে পর্যটনের আওতায় নতুন কোনো জেলাকে সরকারিভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন কী?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এ খাতের অগ্রগতির লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সেগুলো হলো পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পর্যটন-বান্ধব নীতি প্রণয়ন; ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন; রন্ধনশৈলী পর্যটনের প্রসার ঘটানো; কমিউনিটি ট্যুরিজম, এথনিক ও ওয়াটার ট্যুরিজমের বিকাশ ও ইকো-ট্যুরিজমের বিকাশ এবং গ্রাম পর্যটন উন্নয়ন।
তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে 'জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা' এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার তৈরি, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উপকূলীয় এলাকাভিত্তিক পর্যটনের বিকাশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার রূপরেখা রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশে বর্তমানে ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। সব অঞ্চলে পর্যটনের সুবিধা সম্প্রসারণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রত্যেকটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আরেক সংসদ সদস্য এ. এম. মাহবুব উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনার নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের পাইলট কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। আমার নির্বাচনী এলাকাকে কবে নাগাদ এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক-এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি কর্পোরেশনে ৩৭,৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামীতে দেশের প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

সব উপজেলায় মহিলা কলেজের কথা ভাবছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে দেশের সব উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে পর্বে এ কথা জানান তিনি।
ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এক লিখিত প্রশ্নে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অব্যাহত চাহিদা অনুযায়ী পর্যটন সেক্টরে উল্লেখযোগ্যে কী কী অগ্রগতি করার পরিকল্পনা আপনার আছে, আগামীতে পর্যটনের আওতায় নতুন কোনো জেলাকে সরকারিভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন কী?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এ খাতের অগ্রগতির লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সেগুলো হলো পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পর্যটন-বান্ধব নীতি প্রণয়ন; ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন; রন্ধনশৈলী পর্যটনের প্রসার ঘটানো; কমিউনিটি ট্যুরিজম, এথনিক ও ওয়াটার ট্যুরিজমের বিকাশ ও ইকো-ট্যুরিজমের বিকাশ এবং গ্রাম পর্যটন উন্নয়ন।
তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে 'জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা' এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার তৈরি, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উপকূলীয় এলাকাভিত্তিক পর্যটনের বিকাশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার রূপরেখা রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশে বর্তমানে ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। সব অঞ্চলে পর্যটনের সুবিধা সম্প্রসারণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রত্যেকটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আরেক সংসদ সদস্য এ. এম. মাহবুব উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনার নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের পাইলট কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। আমার নির্বাচনী এলাকাকে কবে নাগাদ এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক-এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি কর্পোরেশনে ৩৭,৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামীতে দেশের প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।




