দেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে: সিইসি

দেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে: সিইসি
বিশেষ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ‘গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দিয়ে সিইসি নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আজকে গণতান্ত্রায়নের ট্রেনে উঠে গেছি ইনশাল্লাহ। আমি ওয়াদা করেছিলাম, উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা একটা নির্বাচন জাতিকে উপহার দেবো।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন এই কয়দিনে ঈদের মতো মানুষ ট্রেনে বাসে, লঞ্চে, গ্রামে-গঞ্জে চলে গেছে। আমি আমার নিজের গ্রামে এবং বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি, গ্রামেগঞ্জে মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করে গেছি। আমরা কারও পক্ষে নই, কারও বিপক্ষে নই। আমরা একটি সুন্দর নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি। এই দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। পাতানো নির্বাচনের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে। কেন্দ্র দখল, ভোটের বাক্স দখলের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের একটি কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে সিইসি বলেন, সেখানে জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা চাই বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন অবশ্যই গন্তব্যে পৌঁছাবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০২৬ সালের সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় একটি নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন বিশ্বের আর কোথাও হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এ প্রস্তুতি দেখে অত্যন্ত আনন্দিত। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ কাজ করছে।
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের ভোট মিলিয়ে ২ কোটি ৫৪ মিলিয়ন ব্যালট পেপার এই নির্বাচনে ছাপাতে হয়েছে। সেই সঙ্গে এসব ব্যালট পেপার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সফলতার সঙ্গে শেষ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গুজবের বিষয়ে সিইসি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এআইয়ের তৈরি কনটেন্ট আমাদের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসব আপাতত মোকাবিলায় আমরা অনেক প্রস্তুতি নিয়েছি। তারপরও এসব গুজব মোকাবিলা করে শেষ করা যাচ্ছে না। এসব গুজবের বড় উৎস দেশের সীমানার বাইরে, যেখানে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়েছি। গণমাধ্যমই সেই সত্য তথ্য প্রকাশ করবে বলে আশা করি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ‘গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দিয়ে সিইসি নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আজকে গণতান্ত্রায়নের ট্রেনে উঠে গেছি ইনশাল্লাহ। আমি ওয়াদা করেছিলাম, উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা একটা নির্বাচন জাতিকে উপহার দেবো।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন এই কয়দিনে ঈদের মতো মানুষ ট্রেনে বাসে, লঞ্চে, গ্রামে-গঞ্জে চলে গেছে। আমি আমার নিজের গ্রামে এবং বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি, গ্রামেগঞ্জে মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করে গেছি। আমরা কারও পক্ষে নই, কারও বিপক্ষে নই। আমরা একটি সুন্দর নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি। এই দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। পাতানো নির্বাচনের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে। কেন্দ্র দখল, ভোটের বাক্স দখলের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের একটি কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে সিইসি বলেন, সেখানে জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা চাই বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন অবশ্যই গন্তব্যে পৌঁছাবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০২৬ সালের সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় একটি নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন বিশ্বের আর কোথাও হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এ প্রস্তুতি দেখে অত্যন্ত আনন্দিত। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ কাজ করছে।
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের ভোট মিলিয়ে ২ কোটি ৫৪ মিলিয়ন ব্যালট পেপার এই নির্বাচনে ছাপাতে হয়েছে। সেই সঙ্গে এসব ব্যালট পেপার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সফলতার সঙ্গে শেষ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গুজবের বিষয়ে সিইসি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এআইয়ের তৈরি কনটেন্ট আমাদের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসব আপাতত মোকাবিলায় আমরা অনেক প্রস্তুতি নিয়েছি। তারপরও এসব গুজব মোকাবিলা করে শেষ করা যাচ্ছে না। এসব গুজবের বড় উৎস দেশের সীমানার বাইরে, যেখানে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়েছি। গণমাধ্যমই সেই সত্য তথ্য প্রকাশ করবে বলে আশা করি।

দেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে: সিইসি
বিশেষ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ‘গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দিয়ে সিইসি নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আজকে গণতান্ত্রায়নের ট্রেনে উঠে গেছি ইনশাল্লাহ। আমি ওয়াদা করেছিলাম, উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা একটা নির্বাচন জাতিকে উপহার দেবো।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন এই কয়দিনে ঈদের মতো মানুষ ট্রেনে বাসে, লঞ্চে, গ্রামে-গঞ্জে চলে গেছে। আমি আমার নিজের গ্রামে এবং বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি, গ্রামেগঞ্জে মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করে গেছি। আমরা কারও পক্ষে নই, কারও বিপক্ষে নই। আমরা একটি সুন্দর নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি। এই দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। পাতানো নির্বাচনের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে। কেন্দ্র দখল, ভোটের বাক্স দখলের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের একটি কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে সিইসি বলেন, সেখানে জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা চাই বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন অবশ্যই গন্তব্যে পৌঁছাবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০২৬ সালের সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় একটি নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন বিশ্বের আর কোথাও হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এ প্রস্তুতি দেখে অত্যন্ত আনন্দিত। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ কাজ করছে।
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের ভোট মিলিয়ে ২ কোটি ৫৪ মিলিয়ন ব্যালট পেপার এই নির্বাচনে ছাপাতে হয়েছে। সেই সঙ্গে এসব ব্যালট পেপার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সফলতার সঙ্গে শেষ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গুজবের বিষয়ে সিইসি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এআইয়ের তৈরি কনটেন্ট আমাদের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসব আপাতত মোকাবিলায় আমরা অনেক প্রস্তুতি নিয়েছি। তারপরও এসব গুজব মোকাবিলা করে শেষ করা যাচ্ছে না। এসব গুজবের বড় উৎস দেশের সীমানার বাইরে, যেখানে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়েছি। গণমাধ্যমই সেই সত্য তথ্য প্রকাশ করবে বলে আশা করি।




