সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

হত্যা চেষ্টা মামলায় রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রবিবার বিকালে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শিরীন শারমিনকে রিলিজ (মুক্ত) করা হয়। পরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল লালবাগ ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোহসীন উদ্দিনের আবেদনে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে নেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত। তার আগে, ৬ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে ছাত্র-জনতার একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের (ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রমুখ) পরিকল্পনা ও প্রত্যক্ষ মদদে এই হামলা চালানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পুলিশের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা দেশীয় ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেন। এতে মো. আশরাফুল (ওরফে ফাহিম) নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তার বাম চোখ ভেদ করে গুলি রেটিনার পেছনে চলে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ওই ঘটনায় ২৫ সালের ২৫ মে ভুক্তভোগী আশরাফুল বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ, শিরীন শারমিনসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি সিআর মামলা করেন।

হত্যা চেষ্টা মামলায় রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রবিবার বিকালে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শিরীন শারমিনকে রিলিজ (মুক্ত) করা হয়। পরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল লালবাগ ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোহসীন উদ্দিনের আবেদনে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে নেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত। তার আগে, ৬ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে ছাত্র-জনতার একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের (ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রমুখ) পরিকল্পনা ও প্রত্যক্ষ মদদে এই হামলা চালানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পুলিশের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা দেশীয় ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেন। এতে মো. আশরাফুল (ওরফে ফাহিম) নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তার বাম চোখ ভেদ করে গুলি রেটিনার পেছনে চলে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ওই ঘটনায় ২৫ সালের ২৫ মে ভুক্তভোগী আশরাফুল বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ, শিরীন শারমিনসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি সিআর মামলা করেন।

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

হত্যা চেষ্টা মামলায় রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রবিবার বিকালে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শিরীন শারমিনকে রিলিজ (মুক্ত) করা হয়। পরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল লালবাগ ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোহসীন উদ্দিনের আবেদনে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে নেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত। তার আগে, ৬ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে ছাত্র-জনতার একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের (ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রমুখ) পরিকল্পনা ও প্রত্যক্ষ মদদে এই হামলা চালানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পুলিশের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা দেশীয় ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করেন। এতে মো. আশরাফুল (ওরফে ফাহিম) নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তার বাম চোখ ভেদ করে গুলি রেটিনার পেছনে চলে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ওই ঘটনায় ২৫ সালের ২৫ মে ভুক্তভোগী আশরাফুল বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ, শিরীন শারমিনসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি সিআর মামলা করেন।

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন
হাইতির লাফেরিয়েরে দুর্গে পদদলিত হয়ে অন্তত ৩০ জন নিহত


