শিরোনাম

নতুন মন্ত্রিসভায় ৬২ শতাংশই ব্যবসায়ী

বিশেষ প্রতিনিধি
নতুন মন্ত্রিসভায় ৬২ শতাংশই ব্যবসায়ী
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার প্রায় ৯২ শতাংশ সদস্যই উচ্চশিক্ষিত। এদের মধ্যে তিনজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী। আবার এই মন্ত্রিসভার ৬২ শতাংশ সদস্যই ব্যবসায়ী।

মঙ্গলবার নতুন সরকারের মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ৫০ জন। এর মধ্যে ২৬ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।

নুতন মন্ত্রীদের হলফনামায় দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখো গেছে, মন্ত্রিসভার ৫০ জন সদস্যের মধ্যে ৪৬ জনই উচ্চশিক্ষিত। এর মধ্যে পিএইচডি ডিগ্রিধারী আছেন তিনজন। এসএসসি পাস ২ জন, এইচএসসি পাস একজন এবং স্বশিক্ষিত সদস্য আছেন একজন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইচএসসি পাস বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

নির্বাচনী হলফনামা অনুসারে স্বশিক্ষিত সদস্য হলেন সিলেট–৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

পিএইচডি ডিগ্রিধারী তিন জনের মধ্যে চাঁদপুর–১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষামন্ত্রী, খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী (টেকনোক্রেট) এবং সিরাজগঞ্জ–৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী এম এ মুহিতকে স্বাস্থ্য ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সদস্যদের পেশা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৫০ জনের মধ্যে ৩১ জনেরই প্রধান পেশা ব্যবসা। এই হিসেবে মন্ত্রিসভার ৬২ শতাংশই ব্যবসায়ী। সংখ্যার দিক থেকে ব্যবসায়ীর পরেই রয়েছে আইনজীবী। এবারের মন্ত্রিসভায় আইনজীবী রয়েছেন ৭ জন। এ ছাড়া তারেক রহমানসহ দুজন নিজেদের পেশা রাজনীতি উল্লেখ করেছেন।

মন্ত্রিসভার অন্যান্য পেশাজীবীদরে মধ্যে দুই জন চিকিৎসক, একজন শিক্ষক, একজন বিজ্ঞানী, একজন সাবেক কূটনীতিক, একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, একজন কৃষক, একজন পরামর্শক, একজন প্রকাশক এবং একজন প্রকৌশলী রয়েছেন।

এবারের মন্ত্রিসভায় ২ জনের বয়স ৪০–এর কম। সবচেয়ে কম বয়সী সদস্য নুরুল হক নুরের বয়স ৩১ বছর। আর ৩৮ বছর বয়সী ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি ঢাকা–৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

অধিকাংশের বয়স ৫০-এর বেশি

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪৯ জনের মধ্যে ৩৯ জনের বয়স ৫০ বছরের বেশি। অর্থাৎ মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ৫০ বছরের বেশি। এর মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সী আছেন ১৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে আছেন ১৪ জন এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সী আছেন ৯ জন সদস্য। এ ছাড়া ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ২ জন এবং ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী সদস্য রয়েছেন ৮ জন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বয়স ৫৭ বছর। সবচেয়ে বেশি বয়সী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তাঁর বয়স ৮১ বছর।

নারী প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের বয়স ৪১ বছর। তিনি নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

/বিবি/