দুর্নীতিবাজরা মন্ত্রণালয়ে আশ্রয় পাবে না: গণপূর্তমন্ত্রী

দুর্নীতিবাজরা মন্ত্রণালয়ে আশ্রয় পাবে না: গণপূর্তমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতিবাজদের মন্ত্রণালয়ে আশ্রয় হবে না বলে সতর্ক করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেছেন, জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
রবিবার (১ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর ও সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
গণপূর্তমন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে কোনো রাজনৈতিক চাপ এলে তা আমরা সামাল দেবো। আপনারা দেশের প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। বেআইনি বিষয়ে স্পষ্টভাবে আইন তুলে ধরবেন এবং প্রয়োজনে ‘না’ বলতে শিখবেন। নির্ভয়ে ও সততার সঙ্গে কাজ করবেন।
মধ্যম ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ঢাকায় আবাসনের বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই মিলে দেশের কল্যাণে গঠনমূলক চিন্তা ও কার্যকর উদ্যোগ নিলে তাদের জীবনমান উন্নত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। অতীতের চিন্তা পরিহার করে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কাজ না করে জনগণের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকা লুটপাট করার কোনো সুযোগ নেই। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিষয়ে আমাদের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট– জিরো টলারেন্স।
এ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোছা. ফেরদৌসি বেগম, প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এম. মাহমুদ। তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
মতবিনিময় সভার শুরুতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী ও প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া।

দুর্নীতিবাজদের মন্ত্রণালয়ে আশ্রয় হবে না বলে সতর্ক করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেছেন, জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
রবিবার (১ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর ও সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
গণপূর্তমন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে কোনো রাজনৈতিক চাপ এলে তা আমরা সামাল দেবো। আপনারা দেশের প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। বেআইনি বিষয়ে স্পষ্টভাবে আইন তুলে ধরবেন এবং প্রয়োজনে ‘না’ বলতে শিখবেন। নির্ভয়ে ও সততার সঙ্গে কাজ করবেন।
মধ্যম ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ঢাকায় আবাসনের বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই মিলে দেশের কল্যাণে গঠনমূলক চিন্তা ও কার্যকর উদ্যোগ নিলে তাদের জীবনমান উন্নত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। অতীতের চিন্তা পরিহার করে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কাজ না করে জনগণের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকা লুটপাট করার কোনো সুযোগ নেই। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিষয়ে আমাদের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট– জিরো টলারেন্স।
এ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোছা. ফেরদৌসি বেগম, প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এম. মাহমুদ। তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
মতবিনিময় সভার শুরুতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী ও প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া।

দুর্নীতিবাজরা মন্ত্রণালয়ে আশ্রয় পাবে না: গণপূর্তমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতিবাজদের মন্ত্রণালয়ে আশ্রয় হবে না বলে সতর্ক করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেছেন, জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
রবিবার (১ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর ও সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
গণপূর্তমন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে কোনো রাজনৈতিক চাপ এলে তা আমরা সামাল দেবো। আপনারা দেশের প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। বেআইনি বিষয়ে স্পষ্টভাবে আইন তুলে ধরবেন এবং প্রয়োজনে ‘না’ বলতে শিখবেন। নির্ভয়ে ও সততার সঙ্গে কাজ করবেন।
মধ্যম ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ঢাকায় আবাসনের বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই মিলে দেশের কল্যাণে গঠনমূলক চিন্তা ও কার্যকর উদ্যোগ নিলে তাদের জীবনমান উন্নত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। অতীতের চিন্তা পরিহার করে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কাজ না করে জনগণের কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকা লুটপাট করার কোনো সুযোগ নেই। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিষয়ে আমাদের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট– জিরো টলারেন্স।
এ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোছা. ফেরদৌসি বেগম, প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এম. মাহমুদ। তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
মতবিনিময় সভার শুরুতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী ও প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া।




