শিরোনাম

ইসলামী ব্যাংকের পরিস্থিতি ব্যাংকিং খাতকে অস্থিতিশীল করতে পারে: সাইফুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী ব্যাংকের পরিস্থিতি ব্যাংকিং খাতকে অস্থিতিশীল করতে পারে: সাইফুল হক
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে চলমান পরিস্থিতি দেশের সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি দ্রুত এ সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার (১ জুন) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংহতি মিলনায়তনে ঢাকা-১২ নির্বাচনী এলাকার সংগঠকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাইফুল হক ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের ওপর পুলিশের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, গ্রাহকদের অসন্তোষ ও উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা না করলে তা দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সভায় তিনি সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিরও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমতির দিকে থাকলেও দেশে ধারাবাহিকভাবে তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে, যা নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে। জ্বালানি খাতে দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও সিস্টেমগত দুর্বলতার দায় সাধারণ ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কথিত ‘পুশইন’ কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, এ ধরনের তৎপরতা সীমান্তে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। তিনি বিষয়টি সমাধানে দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি হামে আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষায় ‘স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানান। তার মতে, পরিস্থিতির আরও অবনতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সংকট আরও গভীর হতে পারে।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং কেন্দ্রীয় নেতা বাবর চৌধুরী।

/এমআর/