ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারীর দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারীর দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন।
গত ১৯ আগস্ট আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা ওয়াসাতে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। সেসময় ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। পরে আব্দুস সালাম ব্যাপারীকে এমডি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে থাকা অ্যাপার্টমেন্টগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে এনফোর্সমেন্ট দল। এতে বারিধারা ডিওএইচএসে দুটি অ্যাপার্টমেন্ট থাকার সত্যতা পান দুদক কর্মকর্তারা। এসব ফ্ল্যাটের মূল্য আনুমানিক ২-৩ কোটি টাকা।
একজন সরকারি কর্মকর্তার এতো উচ্চমূল্যের ফ্ল্যাট কেনার অর্থের উৎস কী তা যাচাই করার সুপারিশ করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট। বারিধারা ডিওএইচএসের ৫ ও ১০ নম্বর সড়কে আরও দুটি ফ্ল্যাট সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধানের সুপারিশও করা হয়।
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের সুপারিশ
কানাডাতে আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে বিলাসবহুল দুটি বাড়ি এবং অর্থ পাচার; বিভিন্ন ব্যাংকে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের এফডিআর, প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের সঞ্চয়পত্র, প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি; বসুন্ধরায় আব্দুস সালাম ব্যাপারী ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৫ কাঠা করে মোট ১৫ কাঠার তিনটি প্লটসহ অত্যাধুনিক ৬ তলা বাড়ি এবং অন্যান্য সম্পদের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া ঢাকার বারিধারা ডিওএইচএসে (রোড নম্বর-১৩, হাউজ নম্বর-৫৪৬/১) আব্দুস সালাম ব্যাপারীর প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। একই এলাকায় আরেকটি সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের আরেকটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এছাড়া কানাডার টরন্টোতে আনুমানিক ২৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি বাড়ি আছে। প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের আরেকটি বাড়িও আছে অভিযোগ।
মেসার্স হুমায়রা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী ও ঠিকাদার আবু সুফিয়ান ঢাকা ওয়াসাতে অভিযোগ করেন, তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিপুল টাকা ঘুষ হিসেবে নেন আব্দুস সালাম ব্যাপারী। যার পরিমাণ ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
আব্দুস সালাম ব্যাপারী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান কানাডার নাগরিক। পরিবারের খরচের জন্য বিভিন্ন সময় হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল টাকা বাংলাদেশ থেকে কানাডায় পাচার করেন তিনি। আওয়ামী লীগ পরিবারের একজন সদস্য ও আওয়ামী প্রকৌশলী পরিষদের সদস্যও আব্দুস সালাম ব্যাপারী।
মেসার্স হুমায়রা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবু সুফিয়ানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে বিভাগীয় মামলা (নম্বর-৫/২০২১) করে ওয়াসা প্রশাসন। যার কারণে প্রায় চার বছর বরখাস্ত ছিলেন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা ওয়াসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত এমডি ফজলুর রহমান খান এবং সচিব মো. মশিউরকে ৫ কোটি টাকা ঘুষ দেন আব্দুস সালাম ব্যাপারী। গত ৭ জানুয়ারি তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) আহ্বায়কও আব্দুস সালাম ব্যাপারী। ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মীয় স্বজনসহ পছন্দের ঠিকাদারকে অবৈধভাবে অনেক কাজ পাইয়ে দেন।
ওয়াসা বেশ কয়েকবার নানা অভিযোগের তদন্ত করলেও সেই প্রতিবেদন বলা হয় আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন।
গত ১৯ আগস্ট আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা ওয়াসাতে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। সেসময় ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। পরে আব্দুস সালাম ব্যাপারীকে এমডি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে থাকা অ্যাপার্টমেন্টগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে এনফোর্সমেন্ট দল। এতে বারিধারা ডিওএইচএসে দুটি অ্যাপার্টমেন্ট থাকার সত্যতা পান দুদক কর্মকর্তারা। এসব ফ্ল্যাটের মূল্য আনুমানিক ২-৩ কোটি টাকা।
একজন সরকারি কর্মকর্তার এতো উচ্চমূল্যের ফ্ল্যাট কেনার অর্থের উৎস কী তা যাচাই করার সুপারিশ করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট। বারিধারা ডিওএইচএসের ৫ ও ১০ নম্বর সড়কে আরও দুটি ফ্ল্যাট সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধানের সুপারিশও করা হয়।
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের সুপারিশ
কানাডাতে আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে বিলাসবহুল দুটি বাড়ি এবং অর্থ পাচার; বিভিন্ন ব্যাংকে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের এফডিআর, প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের সঞ্চয়পত্র, প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি; বসুন্ধরায় আব্দুস সালাম ব্যাপারী ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৫ কাঠা করে মোট ১৫ কাঠার তিনটি প্লটসহ অত্যাধুনিক ৬ তলা বাড়ি এবং অন্যান্য সম্পদের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া ঢাকার বারিধারা ডিওএইচএসে (রোড নম্বর-১৩, হাউজ নম্বর-৫৪৬/১) আব্দুস সালাম ব্যাপারীর প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। একই এলাকায় আরেকটি সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের আরেকটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এছাড়া কানাডার টরন্টোতে আনুমানিক ২৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি বাড়ি আছে। প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের আরেকটি বাড়িও আছে অভিযোগ।
মেসার্স হুমায়রা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী ও ঠিকাদার আবু সুফিয়ান ঢাকা ওয়াসাতে অভিযোগ করেন, তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিপুল টাকা ঘুষ হিসেবে নেন আব্দুস সালাম ব্যাপারী। যার পরিমাণ ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
আব্দুস সালাম ব্যাপারী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান কানাডার নাগরিক। পরিবারের খরচের জন্য বিভিন্ন সময় হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল টাকা বাংলাদেশ থেকে কানাডায় পাচার করেন তিনি। আওয়ামী লীগ পরিবারের একজন সদস্য ও আওয়ামী প্রকৌশলী পরিষদের সদস্যও আব্দুস সালাম ব্যাপারী।
মেসার্স হুমায়রা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবু সুফিয়ানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে বিভাগীয় মামলা (নম্বর-৫/২০২১) করে ওয়াসা প্রশাসন। যার কারণে প্রায় চার বছর বরখাস্ত ছিলেন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা ওয়াসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত এমডি ফজলুর রহমান খান এবং সচিব মো. মশিউরকে ৫ কোটি টাকা ঘুষ দেন আব্দুস সালাম ব্যাপারী। গত ৭ জানুয়ারি তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) আহ্বায়কও আব্দুস সালাম ব্যাপারী। ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মীয় স্বজনসহ পছন্দের ঠিকাদারকে অবৈধভাবে অনেক কাজ পাইয়ে দেন।
ওয়াসা বেশ কয়েকবার নানা অভিযোগের তদন্ত করলেও সেই প্রতিবেদন বলা হয় আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারীর দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন।
গত ১৯ আগস্ট আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা ওয়াসাতে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। সেসময় ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। পরে আব্দুস সালাম ব্যাপারীকে এমডি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে থাকা অ্যাপার্টমেন্টগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে এনফোর্সমেন্ট দল। এতে বারিধারা ডিওএইচএসে দুটি অ্যাপার্টমেন্ট থাকার সত্যতা পান দুদক কর্মকর্তারা। এসব ফ্ল্যাটের মূল্য আনুমানিক ২-৩ কোটি টাকা।
একজন সরকারি কর্মকর্তার এতো উচ্চমূল্যের ফ্ল্যাট কেনার অর্থের উৎস কী তা যাচাই করার সুপারিশ করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট। বারিধারা ডিওএইচএসের ৫ ও ১০ নম্বর সড়কে আরও দুটি ফ্ল্যাট সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধানের সুপারিশও করা হয়।
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের সুপারিশ
কানাডাতে আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে বিলাসবহুল দুটি বাড়ি এবং অর্থ পাচার; বিভিন্ন ব্যাংকে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের এফডিআর, প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের সঞ্চয়পত্র, প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি; বসুন্ধরায় আব্দুস সালাম ব্যাপারী ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৫ কাঠা করে মোট ১৫ কাঠার তিনটি প্লটসহ অত্যাধুনিক ৬ তলা বাড়ি এবং অন্যান্য সম্পদের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া ঢাকার বারিধারা ডিওএইচএসে (রোড নম্বর-১৩, হাউজ নম্বর-৫৪৬/১) আব্দুস সালাম ব্যাপারীর প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। একই এলাকায় আরেকটি সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের আরেকটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এছাড়া কানাডার টরন্টোতে আনুমানিক ২৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি বাড়ি আছে। প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের আরেকটি বাড়িও আছে অভিযোগ।
মেসার্স হুমায়রা এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী ও ঠিকাদার আবু সুফিয়ান ঢাকা ওয়াসাতে অভিযোগ করেন, তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিপুল টাকা ঘুষ হিসেবে নেন আব্দুস সালাম ব্যাপারী। যার পরিমাণ ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
আব্দুস সালাম ব্যাপারী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান কানাডার নাগরিক। পরিবারের খরচের জন্য বিভিন্ন সময় হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল টাকা বাংলাদেশ থেকে কানাডায় পাচার করেন তিনি। আওয়ামী লীগ পরিবারের একজন সদস্য ও আওয়ামী প্রকৌশলী পরিষদের সদস্যও আব্দুস সালাম ব্যাপারী।
মেসার্স হুমায়রা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবু সুফিয়ানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আব্দুস সালাম ব্যাপারীর নামে বিভাগীয় মামলা (নম্বর-৫/২০২১) করে ওয়াসা প্রশাসন। যার কারণে প্রায় চার বছর বরখাস্ত ছিলেন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা ওয়াসার সাবেক ভারপ্রাপ্ত এমডি ফজলুর রহমান খান এবং সচিব মো. মশিউরকে ৫ কোটি টাকা ঘুষ দেন আব্দুস সালাম ব্যাপারী। গত ৭ জানুয়ারি তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) আহ্বায়কও আব্দুস সালাম ব্যাপারী। ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মীয় স্বজনসহ পছন্দের ঠিকাদারকে অবৈধভাবে অনেক কাজ পাইয়ে দেন।
ওয়াসা বেশ কয়েকবার নানা অভিযোগের তদন্ত করলেও সেই প্রতিবেদন বলা হয় আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।




