পূর্তের থোকের টাকা যাচ্ছে সংসদ ভবন মেরামতে

পূর্তের থোকের টাকা যাচ্ছে সংসদ ভবন মেরামতে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীসহ সারা দেশে সরকারি স্থাপনা মেরামতের কাজের একটি বড় অংশ করে গণপূর্ত অধিদপ্তর। চলতি অর্থবছরেও স্থাপনা মেরামত বা বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) খাতে মোট কমবেশি ৯০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন সংস্কারের জন্য এ বরাদ্দের কিছু অর্থ ইতিমধ্যে ছাড় করা হয়েছে।
রক্ষণাবেক্ষণের এ তহবিলের মধ্যে সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলীর একক এখতিয়ারে ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকার মতো থাকে। ইতোমধ্যে এ খাত থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে সাড়ে ৫ কোটি টাকার মতো অর্থ মন্ত্রণালয় ছাড়ও করেছে বলে জানা যায়।
জানা যায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের থোক বরাদ্দ থেকে ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের মেরামতে ৫ কোটি ৫৭ লাখ ১৭ হাজার ২৮ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে । এর মধ্যে সংসদ ভবনের ছাদে ওয়াটারপ্রুফিং ও সান রুফ গ্লাস মেরামতে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা, গেট ও ক্লাব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক সংস্কারে ৬৯ লাখ ১০ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা, সংসদ ব্লকের দেয়ালের দুর্বল মার্বেল অপসারণ ও সংস্কারে ৮১ লাখ ৪৮ হাজার ৯২২ টাকা এবং বর্হিভাগের দেয়ালে শৈবাল ও ছত্রাক প্রতিরোধে ৮৭ লাখ ৫৭ হাজার ৯৫৩ টাকা, এমপি হোস্টেল এলাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তা, প্রেসিডেন্ট স্কয়ার এবং দক্ষিণ প্লাজা ও স্পিকারের ড্রাইভওয়ে সিলকোট নবায়ন ও মেরামতে ৬১ লাখ ৭১ হাজার ৫২৭ টাকা এবং সংসদ ব্লকের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর অংশের দেয়ালের দুর্বল মার্বেল অপসারণ ও সংস্কারের জন্য ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৭৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশন সিষ্টেমের যন্ত্রপাতি পরিবর্তনের জন্য ৯৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা, একই স্থাপনায় একটি ওয়াটার কুলড চিলার পরিবর্তনের জন্য ৩ কোটি ৪৯ লাখ ২২ হাজার ৬১৪ টাকা, ধানমন্ডিতে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তদন্ত সংস্থার অফিস মেরামতের জন্য ৭৭ লাখ ৪ হাজার ৩৭৭ টাকা, রমনা পার্কে এলইডি সাইনবোর্ড বসানোর জন্য ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯৬ টাকা, সচিবালয়ে ২০ তলা ভবনের ডিসপ্লে বসানোর জন্য ৪৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫৫ টাকা, সংসদের চেয়ার ও গ্যালারি মেরামতের ৯৩ লাখ ৬৫ হাজার ২৬২ টাকা, দুদকের ডে-কেয়ার সেন্টার নির্মাণ ও নানা রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ৭৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯৭ টাকা এবং দুদক ভবনের সিভিল ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৯৩১ টাকা খরচের প্রস্তাব রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আগামী জুনের মধ্যে থোক বরাদ্দের অর্থ দিয়ে যে কাজ করার কথা তা শেষ করতে হবে, অন্যথায় অব্যবহৃত অর্থ সরকারের কোষাগারে ফেরত যাবে। এ কারণে অনেক নির্বাহী প্রকৌশলীই গোঁজামিল দিয়ে কাজ শেষ করতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে।
মাঠপর্যায়ের কিছু প্রকৌশলীর অভিযোগ, যাদের শীর্ষ পর্যায়ে ভালো যোগাযোগ রয়েছে, তাদের এলাকায় কাজের সুযোগ কম থাকলেও এপিপির অর্থ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর প্রভাবশালী প্রকৌশলীদের নিয়ে কর্তৃপক্ষেরও খুব একটা ‘মাথাব্যথা’ নেই।
দেশজুড়ে সরকারি স্থাপনা মেরামতে যুক্ত আছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের কমবেশি ১০৩ জন নির্বাহী প্রকৌশলী। এদের মধ্যে ৬৪ জেলায় ৬৪ জন, চট্টগ্রামে মহানগরে ৮ জন, রাজশাহী ও খুলনায় ৩ জন করে এবং রাজধানীতে ২৫ জন। এদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কাজ না করেই বিল তৈরি, একই কাজের জন্য একাধিক বিল করার মতো অভিযোগও দীর্ঘদিনের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, থোক বরাদ্দ হলো সরকারের বার্ষিক বাজেট বা উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) জরুরি, অপ্রত্যাশিত বা বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প উল্লেখ না করে রাখা অর্থ। এই অর্থ প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ব্যয় করেন।

রাজধানীসহ সারা দেশে সরকারি স্থাপনা মেরামতের কাজের একটি বড় অংশ করে গণপূর্ত অধিদপ্তর। চলতি অর্থবছরেও স্থাপনা মেরামত বা বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) খাতে মোট কমবেশি ৯০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন সংস্কারের জন্য এ বরাদ্দের কিছু অর্থ ইতিমধ্যে ছাড় করা হয়েছে।
রক্ষণাবেক্ষণের এ তহবিলের মধ্যে সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলীর একক এখতিয়ারে ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকার মতো থাকে। ইতোমধ্যে এ খাত থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে সাড়ে ৫ কোটি টাকার মতো অর্থ মন্ত্রণালয় ছাড়ও করেছে বলে জানা যায়।
জানা যায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের থোক বরাদ্দ থেকে ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের মেরামতে ৫ কোটি ৫৭ লাখ ১৭ হাজার ২৮ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে । এর মধ্যে সংসদ ভবনের ছাদে ওয়াটারপ্রুফিং ও সান রুফ গ্লাস মেরামতে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা, গেট ও ক্লাব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক সংস্কারে ৬৯ লাখ ১০ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা, সংসদ ব্লকের দেয়ালের দুর্বল মার্বেল অপসারণ ও সংস্কারে ৮১ লাখ ৪৮ হাজার ৯২২ টাকা এবং বর্হিভাগের দেয়ালে শৈবাল ও ছত্রাক প্রতিরোধে ৮৭ লাখ ৫৭ হাজার ৯৫৩ টাকা, এমপি হোস্টেল এলাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তা, প্রেসিডেন্ট স্কয়ার এবং দক্ষিণ প্লাজা ও স্পিকারের ড্রাইভওয়ে সিলকোট নবায়ন ও মেরামতে ৬১ লাখ ৭১ হাজার ৫২৭ টাকা এবং সংসদ ব্লকের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর অংশের দেয়ালের দুর্বল মার্বেল অপসারণ ও সংস্কারের জন্য ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৭৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশন সিষ্টেমের যন্ত্রপাতি পরিবর্তনের জন্য ৯৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা, একই স্থাপনায় একটি ওয়াটার কুলড চিলার পরিবর্তনের জন্য ৩ কোটি ৪৯ লাখ ২২ হাজার ৬১৪ টাকা, ধানমন্ডিতে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তদন্ত সংস্থার অফিস মেরামতের জন্য ৭৭ লাখ ৪ হাজার ৩৭৭ টাকা, রমনা পার্কে এলইডি সাইনবোর্ড বসানোর জন্য ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯৬ টাকা, সচিবালয়ে ২০ তলা ভবনের ডিসপ্লে বসানোর জন্য ৪৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫৫ টাকা, সংসদের চেয়ার ও গ্যালারি মেরামতের ৯৩ লাখ ৬৫ হাজার ২৬২ টাকা, দুদকের ডে-কেয়ার সেন্টার নির্মাণ ও নানা রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ৭৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯৭ টাকা এবং দুদক ভবনের সিভিল ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৯৩১ টাকা খরচের প্রস্তাব রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আগামী জুনের মধ্যে থোক বরাদ্দের অর্থ দিয়ে যে কাজ করার কথা তা শেষ করতে হবে, অন্যথায় অব্যবহৃত অর্থ সরকারের কোষাগারে ফেরত যাবে। এ কারণে অনেক নির্বাহী প্রকৌশলীই গোঁজামিল দিয়ে কাজ শেষ করতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে।
মাঠপর্যায়ের কিছু প্রকৌশলীর অভিযোগ, যাদের শীর্ষ পর্যায়ে ভালো যোগাযোগ রয়েছে, তাদের এলাকায় কাজের সুযোগ কম থাকলেও এপিপির অর্থ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর প্রভাবশালী প্রকৌশলীদের নিয়ে কর্তৃপক্ষেরও খুব একটা ‘মাথাব্যথা’ নেই।
দেশজুড়ে সরকারি স্থাপনা মেরামতে যুক্ত আছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের কমবেশি ১০৩ জন নির্বাহী প্রকৌশলী। এদের মধ্যে ৬৪ জেলায় ৬৪ জন, চট্টগ্রামে মহানগরে ৮ জন, রাজশাহী ও খুলনায় ৩ জন করে এবং রাজধানীতে ২৫ জন। এদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কাজ না করেই বিল তৈরি, একই কাজের জন্য একাধিক বিল করার মতো অভিযোগও দীর্ঘদিনের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, থোক বরাদ্দ হলো সরকারের বার্ষিক বাজেট বা উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) জরুরি, অপ্রত্যাশিত বা বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প উল্লেখ না করে রাখা অর্থ। এই অর্থ প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ব্যয় করেন।

পূর্তের থোকের টাকা যাচ্ছে সংসদ ভবন মেরামতে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীসহ সারা দেশে সরকারি স্থাপনা মেরামতের কাজের একটি বড় অংশ করে গণপূর্ত অধিদপ্তর। চলতি অর্থবছরেও স্থাপনা মেরামত বা বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) খাতে মোট কমবেশি ৯০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন সংস্কারের জন্য এ বরাদ্দের কিছু অর্থ ইতিমধ্যে ছাড় করা হয়েছে।
রক্ষণাবেক্ষণের এ তহবিলের মধ্যে সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলীর একক এখতিয়ারে ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকার মতো থাকে। ইতোমধ্যে এ খাত থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে সাড়ে ৫ কোটি টাকার মতো অর্থ মন্ত্রণালয় ছাড়ও করেছে বলে জানা যায়।
জানা যায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের থোক বরাদ্দ থেকে ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের মেরামতে ৫ কোটি ৫৭ লাখ ১৭ হাজার ২৮ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে । এর মধ্যে সংসদ ভবনের ছাদে ওয়াটারপ্রুফিং ও সান রুফ গ্লাস মেরামতে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা, গেট ও ক্লাব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক সংস্কারে ৬৯ লাখ ১০ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা, সংসদ ব্লকের দেয়ালের দুর্বল মার্বেল অপসারণ ও সংস্কারে ৮১ লাখ ৪৮ হাজার ৯২২ টাকা এবং বর্হিভাগের দেয়ালে শৈবাল ও ছত্রাক প্রতিরোধে ৮৭ লাখ ৫৭ হাজার ৯৫৩ টাকা, এমপি হোস্টেল এলাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তা, প্রেসিডেন্ট স্কয়ার এবং দক্ষিণ প্লাজা ও স্পিকারের ড্রাইভওয়ে সিলকোট নবায়ন ও মেরামতে ৬১ লাখ ৭১ হাজার ৫২৭ টাকা এবং সংসদ ব্লকের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর অংশের দেয়ালের দুর্বল মার্বেল অপসারণ ও সংস্কারের জন্য ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৭৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশন সিষ্টেমের যন্ত্রপাতি পরিবর্তনের জন্য ৯৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা, একই স্থাপনায় একটি ওয়াটার কুলড চিলার পরিবর্তনের জন্য ৩ কোটি ৪৯ লাখ ২২ হাজার ৬১৪ টাকা, ধানমন্ডিতে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তদন্ত সংস্থার অফিস মেরামতের জন্য ৭৭ লাখ ৪ হাজার ৩৭৭ টাকা, রমনা পার্কে এলইডি সাইনবোর্ড বসানোর জন্য ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯৬ টাকা, সচিবালয়ে ২০ তলা ভবনের ডিসপ্লে বসানোর জন্য ৪৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫৫ টাকা, সংসদের চেয়ার ও গ্যালারি মেরামতের ৯৩ লাখ ৬৫ হাজার ২৬২ টাকা, দুদকের ডে-কেয়ার সেন্টার নির্মাণ ও নানা রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ৭৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯৭ টাকা এবং দুদক ভবনের সিভিল ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৯৩১ টাকা খরচের প্রস্তাব রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আগামী জুনের মধ্যে থোক বরাদ্দের অর্থ দিয়ে যে কাজ করার কথা তা শেষ করতে হবে, অন্যথায় অব্যবহৃত অর্থ সরকারের কোষাগারে ফেরত যাবে। এ কারণে অনেক নির্বাহী প্রকৌশলীই গোঁজামিল দিয়ে কাজ শেষ করতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে।
মাঠপর্যায়ের কিছু প্রকৌশলীর অভিযোগ, যাদের শীর্ষ পর্যায়ে ভালো যোগাযোগ রয়েছে, তাদের এলাকায় কাজের সুযোগ কম থাকলেও এপিপির অর্থ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর প্রভাবশালী প্রকৌশলীদের নিয়ে কর্তৃপক্ষেরও খুব একটা ‘মাথাব্যথা’ নেই।
দেশজুড়ে সরকারি স্থাপনা মেরামতে যুক্ত আছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের কমবেশি ১০৩ জন নির্বাহী প্রকৌশলী। এদের মধ্যে ৬৪ জেলায় ৬৪ জন, চট্টগ্রামে মহানগরে ৮ জন, রাজশাহী ও খুলনায় ৩ জন করে এবং রাজধানীতে ২৫ জন। এদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কাজ না করেই বিল তৈরি, একই কাজের জন্য একাধিক বিল করার মতো অভিযোগও দীর্ঘদিনের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, থোক বরাদ্দ হলো সরকারের বার্ষিক বাজেট বা উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) জরুরি, অপ্রত্যাশিত বা বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প উল্লেখ না করে রাখা অর্থ। এই অর্থ প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ব্যয় করেন।




