চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রথমে ঢাকা থেকে অভিযান শুরু হবে, পরে তা সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে। ইতিমধ্যে চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী ও দাগি আসামিদের একটি ‘নির্মোহ তালিকা’ প্রস্তুতের কাজ চলছে। তালিকা চূড়ান্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা পেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত উন্নত করা সম্ভব হবে। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে।
ডিএমপি সদর দপ্তর পরিদর্শনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, ডিসি, এডিসি এবং ৫০ থানার ওসিদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। তাদের সমস্যা শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি।
বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিগত সরকারের সময় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, একটি ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার কারণে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে বাহিনীকে জনগণের আস্থার জায়গায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
মন্ত্রী দাবি করেন, পুলিশের ঐতিহাসিক ভূমিকা পুনরুদ্ধারে বাহিনীর সদস্যরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, পুলিশ যেন সত্যিকার অর্থে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করে, আমরা সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছি।

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রথমে ঢাকা থেকে অভিযান শুরু হবে, পরে তা সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে। ইতিমধ্যে চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী ও দাগি আসামিদের একটি ‘নির্মোহ তালিকা’ প্রস্তুতের কাজ চলছে। তালিকা চূড়ান্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা পেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত উন্নত করা সম্ভব হবে। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে।
ডিএমপি সদর দপ্তর পরিদর্শনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, ডিসি, এডিসি এবং ৫০ থানার ওসিদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। তাদের সমস্যা শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি।
বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিগত সরকারের সময় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, একটি ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার কারণে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে বাহিনীকে জনগণের আস্থার জায়গায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
মন্ত্রী দাবি করেন, পুলিশের ঐতিহাসিক ভূমিকা পুনরুদ্ধারে বাহিনীর সদস্যরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, পুলিশ যেন সত্যিকার অর্থে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করে, আমরা সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছি।

চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রথমে ঢাকা থেকে অভিযান শুরু হবে, পরে তা সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে। ইতিমধ্যে চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী ও দাগি আসামিদের একটি ‘নির্মোহ তালিকা’ প্রস্তুতের কাজ চলছে। তালিকা চূড়ান্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জনগণের সহযোগিতা পেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত উন্নত করা সম্ভব হবে। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে।
ডিএমপি সদর দপ্তর পরিদর্শনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, ডিসি, এডিসি এবং ৫০ থানার ওসিদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। তাদের সমস্যা শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি।
বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিগত সরকারের সময় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, একটি ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার কারণে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে বাহিনীকে জনগণের আস্থার জায়গায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
মন্ত্রী দাবি করেন, পুলিশের ঐতিহাসিক ভূমিকা পুনরুদ্ধারে বাহিনীর সদস্যরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, পুলিশ যেন সত্যিকার অর্থে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করে, আমরা সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছি।




