জামায়াতসহ ৩০টি দল নারী প্রার্থী দেয়নি: টিআইবি

জামায়াতসহ ৩০টি দল নারী প্রার্থী দেয়নি: টিআইবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই সনদে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করলেও ৩০ টি দল অঙ্গীকার অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি আয়োজিত ‘প্রাক নির্বাচন এবং গণভোট পরিস্থিতি: টিআইবির পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মত দল কোন নারী প্রার্থী দেয়নি, এটা ন্যক্কারজনক। আসন্ন নির্বাচনে অন্য বড় দল নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেও ৫ শতাংশ হয়নি, এটাও দুঃখজনক।
টিআইবির সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়, জুলাই সনদে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের অঙ্গীকারের পরও বাস্তবে দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে নারীদের উপেক্ষা করা হয়েছে- মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক ০৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৩০টি রাজনৈতিক দলে কোনো নারী প্রার্থী নেই। বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে ২ দশমিক ৮ শতাংশ নারী, জাতীয় পার্টি ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং এনসিপির মনোনয়নে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ নারী রয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এই হার ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা ‘যোগ্য নারী প্রার্থী এগিয়ে আসে না’ যুক্তির সার্বত্তাহীনতার পরিচায়ক; দলের মধ্যেও যোগ্য নারী প্রার্থীকে যোগ্যতা সত্ত্বেও জোটগত স্বার্থসহ ক্ষমতার রাজনীতির কারণে বঞ্চিত করার অভিযোগ আছে।
এছাড়া তুলনামূলকভাবে ছোট দলগুলোর কোনো কোনো ক্ষেত্রে নারী মনোনয়নের হার বেশি। নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন জুলাই সনদে অঙ্গীকারের ব্যত্যয় বলেও মন্তব্য করেছে টিআইবি।

জুলাই সনদে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করলেও ৩০ টি দল অঙ্গীকার অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি আয়োজিত ‘প্রাক নির্বাচন এবং গণভোট পরিস্থিতি: টিআইবির পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মত দল কোন নারী প্রার্থী দেয়নি, এটা ন্যক্কারজনক। আসন্ন নির্বাচনে অন্য বড় দল নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেও ৫ শতাংশ হয়নি, এটাও দুঃখজনক।
টিআইবির সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়, জুলাই সনদে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের অঙ্গীকারের পরও বাস্তবে দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে নারীদের উপেক্ষা করা হয়েছে- মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক ০৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৩০টি রাজনৈতিক দলে কোনো নারী প্রার্থী নেই। বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে ২ দশমিক ৮ শতাংশ নারী, জাতীয় পার্টি ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং এনসিপির মনোনয়নে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ নারী রয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এই হার ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা ‘যোগ্য নারী প্রার্থী এগিয়ে আসে না’ যুক্তির সার্বত্তাহীনতার পরিচায়ক; দলের মধ্যেও যোগ্য নারী প্রার্থীকে যোগ্যতা সত্ত্বেও জোটগত স্বার্থসহ ক্ষমতার রাজনীতির কারণে বঞ্চিত করার অভিযোগ আছে।
এছাড়া তুলনামূলকভাবে ছোট দলগুলোর কোনো কোনো ক্ষেত্রে নারী মনোনয়নের হার বেশি। নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন জুলাই সনদে অঙ্গীকারের ব্যত্যয় বলেও মন্তব্য করেছে টিআইবি।

জামায়াতসহ ৩০টি দল নারী প্রার্থী দেয়নি: টিআইবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই সনদে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করলেও ৩০ টি দল অঙ্গীকার অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি আয়োজিত ‘প্রাক নির্বাচন এবং গণভোট পরিস্থিতি: টিআইবির পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মত দল কোন নারী প্রার্থী দেয়নি, এটা ন্যক্কারজনক। আসন্ন নির্বাচনে অন্য বড় দল নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেও ৫ শতাংশ হয়নি, এটাও দুঃখজনক।
টিআইবির সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়, জুলাই সনদে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের অঙ্গীকারের পরও বাস্তবে দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে নারীদের উপেক্ষা করা হয়েছে- মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক ০৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৩০টি রাজনৈতিক দলে কোনো নারী প্রার্থী নেই। বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে ২ দশমিক ৮ শতাংশ নারী, জাতীয় পার্টি ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং এনসিপির মনোনয়নে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ নারী রয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এই হার ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা ‘যোগ্য নারী প্রার্থী এগিয়ে আসে না’ যুক্তির সার্বত্তাহীনতার পরিচায়ক; দলের মধ্যেও যোগ্য নারী প্রার্থীকে যোগ্যতা সত্ত্বেও জোটগত স্বার্থসহ ক্ষমতার রাজনীতির কারণে বঞ্চিত করার অভিযোগ আছে।
এছাড়া তুলনামূলকভাবে ছোট দলগুলোর কোনো কোনো ক্ষেত্রে নারী মনোনয়নের হার বেশি। নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন জুলাই সনদে অঙ্গীকারের ব্যত্যয় বলেও মন্তব্য করেছে টিআইবি।




