বিদুৎ-গ্যাস সংকটে দায়ী ফ্যাসিবাদী সরকার: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

বিদুৎ-গ্যাস সংকটে দায়ী ফ্যাসিবাদী সরকার: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেছেন, ‘আজকের বিদুৎ, গ্যাস ও অর্থনৈতিক সংকট এগুলো কি আমাদের তৈরি? এগুলো ফ্যাসিবাদী সরকারের তৈরি। আজ বিরোধী দল এই পাঁচ মাসেই বলছেন আমরা ব্যর্থ। কিন্তু ১৮ বছরের জঞ্জাল, ১৮ মাসে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।’
শনিবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
শেখ মুজিবের মতো শেখ হাসিনা নিন্দিত এবং ফ্যাসিবাদী হয়ে বিদায় নিয়েছে মন্তব্য করে আহমেদ আজম খান বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই দেশকে বিনির্মাণে নেতৃত্বে আসা একজন ব্যক্তির প্রতি মানুষের প্রত্যাশা ছিল। তবে তিনিও (শেখ মুজিব) যেমন নিন্দিত হয়ে বিদায় নিয়েছেন, তার কন্যাও (শেখ হাসিনা) তেমন নিন্দিত এবং ফ্যাসিবাদী হয়ে বিদায় নিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘অপরদিকে জিয়াউর রহমান নিজের জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আরাম করে জীবন উপভোগ করেননি, লড়াই করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত বছরে মুক্তিযোদ্ধা, জুলাই যোদ্ধা হিসেবে প্রাপ্য অধিকারী হয়ে যারা বঞ্চিত হয়েছে, তাদের মূল্যায়ন করা হবে। নির্যাতিতদের পরিবারগুলোর জন্য সরকার কিছু করতে চায়। এ সংক্রান্ত নতুন করে একটি অধিদপ্তর করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।’
‘অসমাপ্ত ইতিহাসের নাম বেগম খালেদা জিয়া’
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একটা অসমাপ্ত ইতিহাস। উনার ভিতরে নেতৃত্ব ও মাতৃত্বের এক সমন্বয় ছিল। তারেক রহমান যখন বিদেশে চলে গিয়েছিলেন, তখন তিনি দেখিয়েছেন যে মাতৃত্বের চেয়ে নেতৃত্ব তার কাছে অনেক বড়। নিজের সন্তানদের জীবনকে জিম্মি রেখে এ দেশের মাটিকে ভালোবেসেছেন।’
তিনি বলেন, ‘সাধারণ জীবনযাপন করে অসামান্য অবদান রাখা যায়– এটার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একেবারেই সাধারণ জীবনযাপন করেন তিনি। নিজের বেতনের টাকা, সরকারি গাড়ি এবং সরকারি বাড়ি নেননি। সরকারি প্রটোকল কমিয়ে দিয়েছেন। রাস্তায় ট্রাফিক বন্ধ করে নিজের যানবাহন চলারও ব্যবস্থা করছেন না। এই বিরল গুণের অধিকারী হচ্ছেন তারেক রহমান।’
বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কৃষকদলের সহসভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলন প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেছেন, ‘আজকের বিদুৎ, গ্যাস ও অর্থনৈতিক সংকট এগুলো কি আমাদের তৈরি? এগুলো ফ্যাসিবাদী সরকারের তৈরি। আজ বিরোধী দল এই পাঁচ মাসেই বলছেন আমরা ব্যর্থ। কিন্তু ১৮ বছরের জঞ্জাল, ১৮ মাসে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।’
শনিবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
শেখ মুজিবের মতো শেখ হাসিনা নিন্দিত এবং ফ্যাসিবাদী হয়ে বিদায় নিয়েছে মন্তব্য করে আহমেদ আজম খান বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই দেশকে বিনির্মাণে নেতৃত্বে আসা একজন ব্যক্তির প্রতি মানুষের প্রত্যাশা ছিল। তবে তিনিও (শেখ মুজিব) যেমন নিন্দিত হয়ে বিদায় নিয়েছেন, তার কন্যাও (শেখ হাসিনা) তেমন নিন্দিত এবং ফ্যাসিবাদী হয়ে বিদায় নিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘অপরদিকে জিয়াউর রহমান নিজের জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আরাম করে জীবন উপভোগ করেননি, লড়াই করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত বছরে মুক্তিযোদ্ধা, জুলাই যোদ্ধা হিসেবে প্রাপ্য অধিকারী হয়ে যারা বঞ্চিত হয়েছে, তাদের মূল্যায়ন করা হবে। নির্যাতিতদের পরিবারগুলোর জন্য সরকার কিছু করতে চায়। এ সংক্রান্ত নতুন করে একটি অধিদপ্তর করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।’
‘অসমাপ্ত ইতিহাসের নাম বেগম খালেদা জিয়া’
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একটা অসমাপ্ত ইতিহাস। উনার ভিতরে নেতৃত্ব ও মাতৃত্বের এক সমন্বয় ছিল। তারেক রহমান যখন বিদেশে চলে গিয়েছিলেন, তখন তিনি দেখিয়েছেন যে মাতৃত্বের চেয়ে নেতৃত্ব তার কাছে অনেক বড়। নিজের সন্তানদের জীবনকে জিম্মি রেখে এ দেশের মাটিকে ভালোবেসেছেন।’
তিনি বলেন, ‘সাধারণ জীবনযাপন করে অসামান্য অবদান রাখা যায়– এটার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একেবারেই সাধারণ জীবনযাপন করেন তিনি। নিজের বেতনের টাকা, সরকারি গাড়ি এবং সরকারি বাড়ি নেননি। সরকারি প্রটোকল কমিয়ে দিয়েছেন। রাস্তায় ট্রাফিক বন্ধ করে নিজের যানবাহন চলারও ব্যবস্থা করছেন না। এই বিরল গুণের অধিকারী হচ্ছেন তারেক রহমান।’
বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কৃষকদলের সহসভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলন প্রমুখ।

বিদুৎ-গ্যাস সংকটে দায়ী ফ্যাসিবাদী সরকার: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেছেন, ‘আজকের বিদুৎ, গ্যাস ও অর্থনৈতিক সংকট এগুলো কি আমাদের তৈরি? এগুলো ফ্যাসিবাদী সরকারের তৈরি। আজ বিরোধী দল এই পাঁচ মাসেই বলছেন আমরা ব্যর্থ। কিন্তু ১৮ বছরের জঞ্জাল, ১৮ মাসে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।’
শনিবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
শেখ মুজিবের মতো শেখ হাসিনা নিন্দিত এবং ফ্যাসিবাদী হয়ে বিদায় নিয়েছে মন্তব্য করে আহমেদ আজম খান বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই দেশকে বিনির্মাণে নেতৃত্বে আসা একজন ব্যক্তির প্রতি মানুষের প্রত্যাশা ছিল। তবে তিনিও (শেখ মুজিব) যেমন নিন্দিত হয়ে বিদায় নিয়েছেন, তার কন্যাও (শেখ হাসিনা) তেমন নিন্দিত এবং ফ্যাসিবাদী হয়ে বিদায় নিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘অপরদিকে জিয়াউর রহমান নিজের জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আরাম করে জীবন উপভোগ করেননি, লড়াই করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত বছরে মুক্তিযোদ্ধা, জুলাই যোদ্ধা হিসেবে প্রাপ্য অধিকারী হয়ে যারা বঞ্চিত হয়েছে, তাদের মূল্যায়ন করা হবে। নির্যাতিতদের পরিবারগুলোর জন্য সরকার কিছু করতে চায়। এ সংক্রান্ত নতুন করে একটি অধিদপ্তর করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।’
‘অসমাপ্ত ইতিহাসের নাম বেগম খালেদা জিয়া’
সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন একটা অসমাপ্ত ইতিহাস। উনার ভিতরে নেতৃত্ব ও মাতৃত্বের এক সমন্বয় ছিল। তারেক রহমান যখন বিদেশে চলে গিয়েছিলেন, তখন তিনি দেখিয়েছেন যে মাতৃত্বের চেয়ে নেতৃত্ব তার কাছে অনেক বড়। নিজের সন্তানদের জীবনকে জিম্মি রেখে এ দেশের মাটিকে ভালোবেসেছেন।’
তিনি বলেন, ‘সাধারণ জীবনযাপন করে অসামান্য অবদান রাখা যায়– এটার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একেবারেই সাধারণ জীবনযাপন করেন তিনি। নিজের বেতনের টাকা, সরকারি গাড়ি এবং সরকারি বাড়ি নেননি। সরকারি প্রটোকল কমিয়ে দিয়েছেন। রাস্তায় ট্রাফিক বন্ধ করে নিজের যানবাহন চলারও ব্যবস্থা করছেন না। এই বিরল গুণের অধিকারী হচ্ছেন তারেক রহমান।’
বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কৃষকদলের সহসভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলন প্রমুখ।

গ্যাস-সংকটে উৎপাদন বন্ধ, দুশ্চিন্তায় শিল্প-মালিকরা







