সুশাসনের লক্ষ্যে এবার সিভিল সার্ভিস আইনের উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সুশাসনের লক্ষ্যে এবার সিভিল সার্ভিস আইনের উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৪: ০৩

সরকারি চাকরি আইন কার্যকর থাকলেও নতুন করে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস’ নামে আরেকটি আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই আইন শুধু বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য হবে, নাকি সব সরকারি কর্মচারীকে এর আওতায় আনা হবে– সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নতুন আইনের খসড়া তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির এক সদস্য জানান, সরকারি চাকরিসংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে নতুন আইনের খসড়া তৈরির কাজ হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার চাইলে শুধু বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা আইন করতে পারে। আবার সব সরকারি কর্মচারীকেও এই আইনের আওতায় আনা সম্ভব। তবে সব সরকারি কর্মচারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিদ্যমান সরকারি চাকরি আইনে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটির আরেক সদস্যের ধারণা, নতুন আইনটি মূলত বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির আলোচনায় বিষয়টি নির্ধারিত হবে।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরি আইন থাকার পরও নতুন আইন করলে দুই আইনের মধ্যে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে কি না, সেটিও বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি নতুন আইন হলে সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করতে হবে কি না বা ওই আইনের ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।
বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে। মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সংস্কার আনা হবে এবং সংবিধানের আলোকে একটি উপযুক্ত সিভিল সার্ভিস আইন প্রণয়ন করা হবে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান (সিএসপি) কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা সিভিল সার্ভিস আইন ছিল। সেই আইনের মাধ্যমে নিয়োগ, পদোন্নতি, চাকরির শর্ত ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালিত হতো।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বর্তমানে আলাদা বিধিবিধান রয়েছে। সরকার চাইলে এসব একত্র করে নতুন আইন করতে পারে। তবে সেই আইনে সব সরকারি কর্মচারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিদ্যমান সরকারি চাকরি আইন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই এ ধরনের আইন রয়েছে। সরকার চাইলে শুধু ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য বা সব বেসামরিক কর্মকর্তার জন্য এই আইন করতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইনে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, অনেক দেশেই এ ধরনের আইন রয়েছে। সরকার চাইলে শুধু ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য এই আইন করতে পারে অথবা বেসামরিক সব কর্মকর্তাকে এর আওতায় আনতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইনে সংযোজন-বিয়োজনের প্রয়োজন হতে পারে।
সিভিল সার্ভিস আইনের জন্য ১৬ সদস্যের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন– জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-২ শাখা; নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ অনুবিভাগ; সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ; প্রশাসন অনুবিভাগ; সংস্কার ও গবেষণা অনুবিভাগ এবং আইন অনুবিভাগের যুগ্ম সচিবরা। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের একজন করে যুগ্ম সচিব; বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি এবং জাতীয় উন্নয়ন ও প্রশাসন একাডেমির এমডিএসদের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। এর বাইরে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং বিয়াম ফাউন্ডেশনের পরিচালককে কমিটির সদস্য করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৫ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এ কমিটির সদস্যসচিব।
কমিটিকে সরকারি চাকরিসংক্রান্ত সব আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে সংবিধানের আলোকে সিভিল সার্ভিসের জন্য পৃথকভাবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস আইনের খসড়া প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে। এই কমিটিকে এ-সংক্রান্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

সরকারি চাকরি আইন কার্যকর থাকলেও নতুন করে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস’ নামে আরেকটি আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই আইন শুধু বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য হবে, নাকি সব সরকারি কর্মচারীকে এর আওতায় আনা হবে– সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নতুন আইনের খসড়া তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির এক সদস্য জানান, সরকারি চাকরিসংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে নতুন আইনের খসড়া তৈরির কাজ হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার চাইলে শুধু বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা আইন করতে পারে। আবার সব সরকারি কর্মচারীকেও এই আইনের আওতায় আনা সম্ভব। তবে সব সরকারি কর্মচারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিদ্যমান সরকারি চাকরি আইনে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটির আরেক সদস্যের ধারণা, নতুন আইনটি মূলত বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির আলোচনায় বিষয়টি নির্ধারিত হবে।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরি আইন থাকার পরও নতুন আইন করলে দুই আইনের মধ্যে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে কি না, সেটিও বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি নতুন আইন হলে সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করতে হবে কি না বা ওই আইনের ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।
বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে। মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সংস্কার আনা হবে এবং সংবিধানের আলোকে একটি উপযুক্ত সিভিল সার্ভিস আইন প্রণয়ন করা হবে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান (সিএসপি) কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা সিভিল সার্ভিস আইন ছিল। সেই আইনের মাধ্যমে নিয়োগ, পদোন্নতি, চাকরির শর্ত ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালিত হতো।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বর্তমানে আলাদা বিধিবিধান রয়েছে। সরকার চাইলে এসব একত্র করে নতুন আইন করতে পারে। তবে সেই আইনে সব সরকারি কর্মচারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিদ্যমান সরকারি চাকরি আইন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই এ ধরনের আইন রয়েছে। সরকার চাইলে শুধু ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য বা সব বেসামরিক কর্মকর্তার জন্য এই আইন করতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইনে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, অনেক দেশেই এ ধরনের আইন রয়েছে। সরকার চাইলে শুধু ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য এই আইন করতে পারে অথবা বেসামরিক সব কর্মকর্তাকে এর আওতায় আনতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইনে সংযোজন-বিয়োজনের প্রয়োজন হতে পারে।
সিভিল সার্ভিস আইনের জন্য ১৬ সদস্যের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন– জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-২ শাখা; নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ অনুবিভাগ; সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ; প্রশাসন অনুবিভাগ; সংস্কার ও গবেষণা অনুবিভাগ এবং আইন অনুবিভাগের যুগ্ম সচিবরা। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের একজন করে যুগ্ম সচিব; বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি এবং জাতীয় উন্নয়ন ও প্রশাসন একাডেমির এমডিএসদের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। এর বাইরে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং বিয়াম ফাউন্ডেশনের পরিচালককে কমিটির সদস্য করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৫ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এ কমিটির সদস্যসচিব।
কমিটিকে সরকারি চাকরিসংক্রান্ত সব আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে সংবিধানের আলোকে সিভিল সার্ভিসের জন্য পৃথকভাবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস আইনের খসড়া প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে। এই কমিটিকে এ-সংক্রান্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

সুশাসনের লক্ষ্যে এবার সিভিল সার্ভিস আইনের উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৪: ০৩

সরকারি চাকরি আইন কার্যকর থাকলেও নতুন করে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস’ নামে আরেকটি আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই আইন শুধু বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য হবে, নাকি সব সরকারি কর্মচারীকে এর আওতায় আনা হবে– সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নতুন আইনের খসড়া তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির এক সদস্য জানান, সরকারি চাকরিসংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে নতুন আইনের খসড়া তৈরির কাজ হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার চাইলে শুধু বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা আইন করতে পারে। আবার সব সরকারি কর্মচারীকেও এই আইনের আওতায় আনা সম্ভব। তবে সব সরকারি কর্মচারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিদ্যমান সরকারি চাকরি আইনে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটির আরেক সদস্যের ধারণা, নতুন আইনটি মূলত বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির আলোচনায় বিষয়টি নির্ধারিত হবে।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরি আইন থাকার পরও নতুন আইন করলে দুই আইনের মধ্যে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে কি না, সেটিও বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি নতুন আইন হলে সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করতে হবে কি না বা ওই আইনের ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।
বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে। মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সংস্কার আনা হবে এবং সংবিধানের আলোকে একটি উপযুক্ত সিভিল সার্ভিস আইন প্রণয়ন করা হবে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান (সিএসপি) কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা সিভিল সার্ভিস আইন ছিল। সেই আইনের মাধ্যমে নিয়োগ, পদোন্নতি, চাকরির শর্ত ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালিত হতো।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বর্তমানে আলাদা বিধিবিধান রয়েছে। সরকার চাইলে এসব একত্র করে নতুন আইন করতে পারে। তবে সেই আইনে সব সরকারি কর্মচারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বিদ্যমান সরকারি চাকরি আইন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই এ ধরনের আইন রয়েছে। সরকার চাইলে শুধু ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য বা সব বেসামরিক কর্মকর্তার জন্য এই আইন করতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইনে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, অনেক দেশেই এ ধরনের আইন রয়েছে। সরকার চাইলে শুধু ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য এই আইন করতে পারে অথবা বেসামরিক সব কর্মকর্তাকে এর আওতায় আনতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইনে সংযোজন-বিয়োজনের প্রয়োজন হতে পারে।
সিভিল সার্ভিস আইনের জন্য ১৬ সদস্যের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন– জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-২ শাখা; নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ অনুবিভাগ; সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ; প্রশাসন অনুবিভাগ; সংস্কার ও গবেষণা অনুবিভাগ এবং আইন অনুবিভাগের যুগ্ম সচিবরা। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের একজন করে যুগ্ম সচিব; বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি এবং জাতীয় উন্নয়ন ও প্রশাসন একাডেমির এমডিএসদের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। এর বাইরে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং বিয়াম ফাউন্ডেশনের পরিচালককে কমিটির সদস্য করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৫ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এ কমিটির সদস্যসচিব।
কমিটিকে সরকারি চাকরিসংক্রান্ত সব আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে সংবিধানের আলোকে সিভিল সার্ভিসের জন্য পৃথকভাবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস আইনের খসড়া প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে। এই কমিটিকে এ-সংক্রান্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
/এফসি/

ছয় মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২৮৭৯ পদে নিয়োগ: সংসদে প্রতিমন্ত্রী


