শিরোনাম

ছুটির দিনে জমে উঠেছে বইমেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ছুটির দিনে জমে উঠেছে বইমেলা
ছুটির দিনে জমে উঠেছে অমর একুশে বইমেলা। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

ছুটির দিনে প্রাণের স্পন্দনে মুখর হয়ে উঠেছে অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণ। বইপ্রেমী, পাঠক ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় সরগরম পুরো এলাকা। কেউ প্রিয় লেখকের নতুন বই কিনছেন, কেউবা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে দেখছেন মেলার নানা আয়োজন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে বইমেলায় গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ পাঠক, বইপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। শিশুদেরও ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। পাঠকদেরকে বিভিন্ন বইয়ের স্টলে পছন্দের বই কিনতে দেখা গেছে। এক স্টলে বই পছন্দ না হলে আরেক স্টলে যাচ্ছেন কেউ কেউ। মেলায় প্রায় প্রত্যেকটি স্টলের সামনে পাঠকদের উপস্থিতি দেখা গেছে।

পছন্দের বই কিনছেন দুই শিশু। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
পছন্দের বই কিনছেন দুই শিশু। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

বই স্টল প্রতিনিধিরা বলছেন, বইমেলা শুরু হওয়ার পর থেকে আজকেই প্রথম এত দর্শনার্থী, বইপ্রেমী এবং পাঠক এসেছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকে বেচা-বিক্রি একটু বেড়েছে বলেও জানান তারা।

জানা গেছে, এবারের বইমেলায় বাচ্চাদের বই বেশি বিক্রি হচ্ছে। তরুণরা ইতিহাস, জিও পলিটিক্স, চিরায়ত উপন্যাস, অনুবাদ, অর্থনীতি, হরর এবং থ্রিলার বই বেশি কিনছেন। কাপলরা রোমান্টিক টাইপের উপন্যাসগুলো বেশি কিনছে বলে জানান তারা।

বইমেলা ঘুরে দেখছেন অনেকেই। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
বইমেলা ঘুরে দেখছেন অনেকেই। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

ধর্মীয় বই, বিশেষ করে ইসলাম বিষয়ক বই এখনো প্রত্যাশিত হারে বিক্রি হচ্ছে না বলে জানা গেছে। তবে সামনে বই বিক্রি বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রকাশক ও বিক্রয় প্রতিনিধিরা।

আরাফাত রহমান নামের একজন পাঠক বলেন, আজ ছুটির দিন থাকায় মেলায় এসেছি। তবে, গত শুক্রবারেও এসেছি। কিন্তু, আজকের মতো এতো মানুষ দেখিনি। এতো দর্শনার্থী দেখে খুব ভালো লাগছে। তার মতে, রমজানের আগে বইমেলা শুরু হলে সবচেয়ে ভালো হতো।

মেলা শুরু থেকে আজ শুক্রবার সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
মেলা শুরু থেকে আজ শুক্রবার সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

মুনতাসীর নামের আরেকজন পাঠক বলেন, আমি ২ টা বই কিনেছি। আমি গত সোমবারেও এসেছি। কিন্তু, আজকের মতো এতো মানুষ দেখিনি।

উল্লেখ্য, এবারের মেলায় অংশ নিয়েছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে রয়েছে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে রয়েছে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান। মোট ইউনিট সংখ্যা ১ হাজার ১৮টি।

/এমএইচএম/জেএইচ/