‘সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচন না দেয়, তাই আপস করে জুলাই সনদে সই করেছি’

‘সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচন না দেয়, তাই আপস করে জুলাই সনদে সই করেছি’
সিটিজেন ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের গণতন্ত্রকে ত্বরান্বিত করার তাগিদেই মূলত তারা অনেক নীতিগত বিষয়ে আপস করতে বাধ্য হয়েছেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন এ তিনটি শব্দ ব্যাপকভাবে আলোচিত হলেও নির্বাচনের বিষয়টি বরাবরই সংস্কার পরবর্তী একটি অনিশ্চিত সময়ের ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। বিদেশ থেকে আসা বুদ্ধিজীবীদের প্রস্তাবিত নানা অলৌকিক সংস্কার নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতেই শেষ পর্যন্ত এ সনদ প্রণীত হয়। তিনি জানান, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে বিএনপি ও আরও কিছু দল সুনির্দিষ্ট ভিন্নমত পোষণ করলেও বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে তারা নোট অব ডিসেন্ট বা দ্বিমতসহই ওই সনদে সই করেছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কার কোনো আকস্মিক বিষয় নয়। এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। জুলাই সনদে পঞ্চদশ সংশোধনীর বিতর্কিত তফসিলগুলো বাতিলের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও তারা সই করেছেন কেবল নির্বাচনের পথ পরিষ্কার রাখার তাগিদে। এমনকি রাষ্ট্রপতির বিতর্কিত আদেশের মুখেও বিএনপি ও সমমনা দলগুলো জুলাই সনদের প্রতি অবিচল থেকেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্কারের বাহানায় যাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থমকে না যায়, সে কারণেই তারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের গণতন্ত্রকে ত্বরান্বিত করার তাগিদেই মূলত তারা অনেক নীতিগত বিষয়ে আপস করতে বাধ্য হয়েছেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন এ তিনটি শব্দ ব্যাপকভাবে আলোচিত হলেও নির্বাচনের বিষয়টি বরাবরই সংস্কার পরবর্তী একটি অনিশ্চিত সময়ের ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। বিদেশ থেকে আসা বুদ্ধিজীবীদের প্রস্তাবিত নানা অলৌকিক সংস্কার নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতেই শেষ পর্যন্ত এ সনদ প্রণীত হয়। তিনি জানান, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে বিএনপি ও আরও কিছু দল সুনির্দিষ্ট ভিন্নমত পোষণ করলেও বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে তারা নোট অব ডিসেন্ট বা দ্বিমতসহই ওই সনদে সই করেছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কার কোনো আকস্মিক বিষয় নয়। এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। জুলাই সনদে পঞ্চদশ সংশোধনীর বিতর্কিত তফসিলগুলো বাতিলের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও তারা সই করেছেন কেবল নির্বাচনের পথ পরিষ্কার রাখার তাগিদে। এমনকি রাষ্ট্রপতির বিতর্কিত আদেশের মুখেও বিএনপি ও সমমনা দলগুলো জুলাই সনদের প্রতি অবিচল থেকেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্কারের বাহানায় যাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থমকে না যায়, সে কারণেই তারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

‘সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচন না দেয়, তাই আপস করে জুলাই সনদে সই করেছি’
সিটিজেন ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের গণতন্ত্রকে ত্বরান্বিত করার তাগিদেই মূলত তারা অনেক নীতিগত বিষয়ে আপস করতে বাধ্য হয়েছেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন এ তিনটি শব্দ ব্যাপকভাবে আলোচিত হলেও নির্বাচনের বিষয়টি বরাবরই সংস্কার পরবর্তী একটি অনিশ্চিত সময়ের ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। বিদেশ থেকে আসা বুদ্ধিজীবীদের প্রস্তাবিত নানা অলৌকিক সংস্কার নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতেই শেষ পর্যন্ত এ সনদ প্রণীত হয়। তিনি জানান, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে বিএনপি ও আরও কিছু দল সুনির্দিষ্ট ভিন্নমত পোষণ করলেও বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে তারা নোট অব ডিসেন্ট বা দ্বিমতসহই ওই সনদে সই করেছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কার কোনো আকস্মিক বিষয় নয়। এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। জুলাই সনদে পঞ্চদশ সংশোধনীর বিতর্কিত তফসিলগুলো বাতিলের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও তারা সই করেছেন কেবল নির্বাচনের পথ পরিষ্কার রাখার তাগিদে। এমনকি রাষ্ট্রপতির বিতর্কিত আদেশের মুখেও বিএনপি ও সমমনা দলগুলো জুলাই সনদের প্রতি অবিচল থেকেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্কারের বাহানায় যাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থমকে না যায়, সে কারণেই তারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

জুলাই সনদকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলায় সংসদে হইচই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


