সাইপ্রাস উপকূলে ২৬৭ যাত্রী নিয়ে ফেরিডুবি

সাইপ্রাস উপকূলে ২৬৭ যাত্রী নিয়ে ফেরিডুবি
সিজেডএন ডেস্ক

উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে আড়াই শতাধিক যাত্রী ও ক্রু নিয়ে একটি ফেরিডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে স্বস্তির খবর হলো, এত বড় দুর্ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাইরেনিয়া বন্দর থেকে তুরস্কের মেরসিন প্রদেশের তাসুজু বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই উপকূল থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে জাহাজটি তলিয়ে যেতে শুরু করে।
দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত গতিতে উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়। স্বঘোষিত ‘টার্কিশ রিপাবলিক অফ নর্দার্ন সাইপ্রাস’ (টিআরএনসি)-এর পরিবহনমন্ত্রী এরহান আরিকলি জানান, প্রায় ১০০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ফেরিতে ২৬৭ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৫৯ জন যাত্রী এবং ৮ জন ক্রু সদস্য রয়েছেন।
মূলত ১৯৭৪ সাল থেকেই সাইপ্রাস দ্বীপটি বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। উত্তর সাইপ্রাস এলাকাটি টিআরএনসি প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত হলেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কেবল তুরস্কই তাদের রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আপাতত উদ্ধারকারী দল বাকি আরোহীদের নিরাপদে তুলে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে আড়াই শতাধিক যাত্রী ও ক্রু নিয়ে একটি ফেরিডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে স্বস্তির খবর হলো, এত বড় দুর্ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাইরেনিয়া বন্দর থেকে তুরস্কের মেরসিন প্রদেশের তাসুজু বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই উপকূল থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে জাহাজটি তলিয়ে যেতে শুরু করে।
দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত গতিতে উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়। স্বঘোষিত ‘টার্কিশ রিপাবলিক অফ নর্দার্ন সাইপ্রাস’ (টিআরএনসি)-এর পরিবহনমন্ত্রী এরহান আরিকলি জানান, প্রায় ১০০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ফেরিতে ২৬৭ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৫৯ জন যাত্রী এবং ৮ জন ক্রু সদস্য রয়েছেন।
মূলত ১৯৭৪ সাল থেকেই সাইপ্রাস দ্বীপটি বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। উত্তর সাইপ্রাস এলাকাটি টিআরএনসি প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত হলেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কেবল তুরস্কই তাদের রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আপাতত উদ্ধারকারী দল বাকি আরোহীদের নিরাপদে তুলে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

সাইপ্রাস উপকূলে ২৬৭ যাত্রী নিয়ে ফেরিডুবি
সিজেডএন ডেস্ক

উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে আড়াই শতাধিক যাত্রী ও ক্রু নিয়ে একটি ফেরিডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে স্বস্তির খবর হলো, এত বড় দুর্ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাইরেনিয়া বন্দর থেকে তুরস্কের মেরসিন প্রদেশের তাসুজু বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই উপকূল থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে জাহাজটি তলিয়ে যেতে শুরু করে।
দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত গতিতে উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়। স্বঘোষিত ‘টার্কিশ রিপাবলিক অফ নর্দার্ন সাইপ্রাস’ (টিআরএনসি)-এর পরিবহনমন্ত্রী এরহান আরিকলি জানান, প্রায় ১০০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ফেরিতে ২৬৭ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৫৯ জন যাত্রী এবং ৮ জন ক্রু সদস্য রয়েছেন।
মূলত ১৯৭৪ সাল থেকেই সাইপ্রাস দ্বীপটি বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। উত্তর সাইপ্রাস এলাকাটি টিআরএনসি প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত হলেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কেবল তুরস্কই তাদের রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আপাতত উদ্ধারকারী দল বাকি আরোহীদের নিরাপদে তুলে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালিতে আটকা ৪০০ জাহাজ ও ৬ হাজার নাবিক-ক্রু





