হত্যার হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বড় ছেলে

হত্যার হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বড় ছেলে
সিজেডএন ডেস্ক

প্রাণনাশের হুমকির মুখে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহুকে জরুরি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত- এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা দলসহ তাকে ফ্লোরিডা থেকে ইসরায়েলে নিয়ে আসা হয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ইয়াইর নেতানিয়াহুকে হত্যা করার একটি গুরুতর হুমকি ছিল এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে ও মূল্যায়নের পর, তাকে তার নিরাপত্তা দলসহ জরুরি ভিত্তিতে সরিয়ে নিয়ে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ হুমকির উৎস সম্পর্কে শিন বেত বিস্তারিত কিছু খোলাসা করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্স জানিয়েছে, ফ্লোরিডায় অবস্থানকালে ইয়াইরকে হত্যার একটি ইরানি চক্রান্তের কথা জানতে পেরে মার্কিন প্রশাসনকে দ্রুত অবহিত করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিজেও সম্প্রতি চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ ষড়যন্ত্রের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে।
হুমকির গভীরতা এতটাই তীব্র ছিল যে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র গোছানোরও সুযোগ পাননি ইয়াইর। সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকা বিশেষ নিরাপত্তা দলের নির্দেশে সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ছেড়ে বিমানে চড়ে দেশে ফেরেন তিনি।
ফ্লোরিডায় দীর্ঘদিন ধরে বিলাসবহুল জীবনযাপন করা ইয়াইর নেতানিয়াহুকে ঘিরে জন্ম নেওয়া বিতর্ক নতুন নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় এ ডানপন্থী পডকাস্টার প্রায়ই তার বাবার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সাংবাদিকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে খবরের শিরোনাম হতেন। রাষ্ট্রীয় খরচে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলিদের মধ্যে আগেই ক্ষোভ ছিল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়। দেশের লাখ লাখ সাধারণ নাগরিক রিজার্ভ সেনা হিসেবে রণাঙ্গনে যোগ দিলেও প্রধানমন্ত্রীর ছেলের নিরাপদে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার এই ‘দ্বৈত নীতি’ নিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র অসন্তোষ দেখা যাচ্ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রাণনাশের হুমকির মুখে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহুকে জরুরি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত- এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা দলসহ তাকে ফ্লোরিডা থেকে ইসরায়েলে নিয়ে আসা হয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ইয়াইর নেতানিয়াহুকে হত্যা করার একটি গুরুতর হুমকি ছিল এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে ও মূল্যায়নের পর, তাকে তার নিরাপত্তা দলসহ জরুরি ভিত্তিতে সরিয়ে নিয়ে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ হুমকির উৎস সম্পর্কে শিন বেত বিস্তারিত কিছু খোলাসা করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্স জানিয়েছে, ফ্লোরিডায় অবস্থানকালে ইয়াইরকে হত্যার একটি ইরানি চক্রান্তের কথা জানতে পেরে মার্কিন প্রশাসনকে দ্রুত অবহিত করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিজেও সম্প্রতি চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ ষড়যন্ত্রের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে।
হুমকির গভীরতা এতটাই তীব্র ছিল যে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র গোছানোরও সুযোগ পাননি ইয়াইর। সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকা বিশেষ নিরাপত্তা দলের নির্দেশে সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ছেড়ে বিমানে চড়ে দেশে ফেরেন তিনি।
ফ্লোরিডায় দীর্ঘদিন ধরে বিলাসবহুল জীবনযাপন করা ইয়াইর নেতানিয়াহুকে ঘিরে জন্ম নেওয়া বিতর্ক নতুন নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় এ ডানপন্থী পডকাস্টার প্রায়ই তার বাবার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সাংবাদিকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে খবরের শিরোনাম হতেন। রাষ্ট্রীয় খরচে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলিদের মধ্যে আগেই ক্ষোভ ছিল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়। দেশের লাখ লাখ সাধারণ নাগরিক রিজার্ভ সেনা হিসেবে রণাঙ্গনে যোগ দিলেও প্রধানমন্ত্রীর ছেলের নিরাপদে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার এই ‘দ্বৈত নীতি’ নিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র অসন্তোষ দেখা যাচ্ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

হত্যার হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বড় ছেলে
সিজেডএন ডেস্ক

প্রাণনাশের হুমকির মুখে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহুকে জরুরি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত- এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা দলসহ তাকে ফ্লোরিডা থেকে ইসরায়েলে নিয়ে আসা হয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ইয়াইর নেতানিয়াহুকে হত্যা করার একটি গুরুতর হুমকি ছিল এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে ও মূল্যায়নের পর, তাকে তার নিরাপত্তা দলসহ জরুরি ভিত্তিতে সরিয়ে নিয়ে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ হুমকির উৎস সম্পর্কে শিন বেত বিস্তারিত কিছু খোলাসা করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্স জানিয়েছে, ফ্লোরিডায় অবস্থানকালে ইয়াইরকে হত্যার একটি ইরানি চক্রান্তের কথা জানতে পেরে মার্কিন প্রশাসনকে দ্রুত অবহিত করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিজেও সম্প্রতি চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ ষড়যন্ত্রের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে।
হুমকির গভীরতা এতটাই তীব্র ছিল যে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র গোছানোরও সুযোগ পাননি ইয়াইর। সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকা বিশেষ নিরাপত্তা দলের নির্দেশে সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ছেড়ে বিমানে চড়ে দেশে ফেরেন তিনি।
ফ্লোরিডায় দীর্ঘদিন ধরে বিলাসবহুল জীবনযাপন করা ইয়াইর নেতানিয়াহুকে ঘিরে জন্ম নেওয়া বিতর্ক নতুন নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় এ ডানপন্থী পডকাস্টার প্রায়ই তার বাবার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সাংবাদিকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে খবরের শিরোনাম হতেন। রাষ্ট্রীয় খরচে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলিদের মধ্যে আগেই ক্ষোভ ছিল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়। দেশের লাখ লাখ সাধারণ নাগরিক রিজার্ভ সেনা হিসেবে রণাঙ্গনে যোগ দিলেও প্রধানমন্ত্রীর ছেলের নিরাপদে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার এই ‘দ্বৈত নীতি’ নিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র অসন্তোষ দেখা যাচ্ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞার আহ্বান শতাধিক সাবেক কূটনীতিকের





