পদোন্নতি পেলেন রাজউকের সেই নূর-ই-খোদা

পদোন্নতি পেলেন রাজউকের সেই নূর-ই-খোদা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নকশা অনুমোদনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠা সেই মোহাম্মদ নূর-ই-খোদা এবার পদোন্নতি পেয়েছেন। রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ থেকে তাকে পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) শীলাব্রত কর্মকার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে হয়রানি এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল নূর-ই-খোদার বিরুদ্ধে।
চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল সিজেডএন টোয়েন্টিফোরে নকশা অনুমোদনে রাজউকে ‘কমিটি ফাঁদ’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী ও একাধিক আবাসন ব্যবসায়ীর অভিযোগের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘প্ল্যানিং পারমিট’ নামে একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হয়রানি ও আর্থিক সুবিধা নেওয়া হচ্ছে। ওই কমিটি গঠনের পেছনে নূর-ই-খোদার ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।
অভিযোগকারীদের দাবি ছিল, নকশা অনুমোদনের জন্য তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হতো।
সে সময় অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ নূর-ই-খোদার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে তখন রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ নবায়ন খীসা তা অস্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিধিমালা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন হলে যেকোনো কমিটি গঠন করতে পারে। সংশ্লিষ্ট কমিটি ট্রাফিক ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট, প্ল্যানিংসহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করে সুপারিশ দেওয়ার কাজ করে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নকশা অনুমোদনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠা সেই মোহাম্মদ নূর-ই-খোদা এবার পদোন্নতি পেয়েছেন। রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ থেকে তাকে পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) শীলাব্রত কর্মকার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে হয়রানি এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল নূর-ই-খোদার বিরুদ্ধে।
চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল সিজেডএন টোয়েন্টিফোরে নকশা অনুমোদনে রাজউকে ‘কমিটি ফাঁদ’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী ও একাধিক আবাসন ব্যবসায়ীর অভিযোগের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘প্ল্যানিং পারমিট’ নামে একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হয়রানি ও আর্থিক সুবিধা নেওয়া হচ্ছে। ওই কমিটি গঠনের পেছনে নূর-ই-খোদার ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।
অভিযোগকারীদের দাবি ছিল, নকশা অনুমোদনের জন্য তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হতো।
সে সময় অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ নূর-ই-খোদার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে তখন রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ নবায়ন খীসা তা অস্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিধিমালা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন হলে যেকোনো কমিটি গঠন করতে পারে। সংশ্লিষ্ট কমিটি ট্রাফিক ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট, প্ল্যানিংসহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করে সুপারিশ দেওয়ার কাজ করে।

পদোন্নতি পেলেন রাজউকের সেই নূর-ই-খোদা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নকশা অনুমোদনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠা সেই মোহাম্মদ নূর-ই-খোদা এবার পদোন্নতি পেয়েছেন। রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ থেকে তাকে পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) শীলাব্রত কর্মকার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে হয়রানি এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল নূর-ই-খোদার বিরুদ্ধে।
চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল সিজেডএন টোয়েন্টিফোরে নকশা অনুমোদনে রাজউকে ‘কমিটি ফাঁদ’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী ও একাধিক আবাসন ব্যবসায়ীর অভিযোগের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘প্ল্যানিং পারমিট’ নামে একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হয়রানি ও আর্থিক সুবিধা নেওয়া হচ্ছে। ওই কমিটি গঠনের পেছনে নূর-ই-খোদার ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।
অভিযোগকারীদের দাবি ছিল, নকশা অনুমোদনের জন্য তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হতো।
সে সময় অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ নূর-ই-খোদার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে তখন রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ নবায়ন খীসা তা অস্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিধিমালা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন হলে যেকোনো কমিটি গঠন করতে পারে। সংশ্লিষ্ট কমিটি ট্রাফিক ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট, প্ল্যানিংসহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করে সুপারিশ দেওয়ার কাজ করে।

নকশা অনুমোদনে রাজউকে ‘কমিটি ফাঁদ’







