ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুন খালেদ ৫ দিনের রিমান্ডে

ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুন খালেদ ৫ দিনের রিমান্ডে
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদের আদালত এই আদেশ দেন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কফিল উদ্দিন মামুন খালেদের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
মামুন খালেদকে গত বুধবার গভীর রাতে রাজধানীর একটি বাসা থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। জানা গেছে, মামুন খালেদ ২০০৭-২০০৮ সালের সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের শেষ দিকে ডিজিএফআইয়ের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর পরিচালক ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরও তিনি একই পদে ছিলেন। এরপর ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক পদে পদোন্নতি পান। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক ছিলেন।
ডিবির রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বেলা ৩টা ২০ মিনিটে দেলোয়ার হোসেন (৪০) জুলাই ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে ছিলেন। এ সময় মামুন খালেদসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০–৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা তাঁর (মামুন খালেদ) নির্দেশে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে সেখানে লুটিয়ে পড়েন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ডিবির রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, দেলোয়ার হোসেন ২১ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই ঘটনায় দেলোয়ার হোসেনের পরিবার মামলা করে। এ ঘটনার সঙ্গে মামুন খালেদের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামুন খালেদকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড দরকার।
জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের মে মাসে মামুন খালেদ ও তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন আদালত। দুদক তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছিল।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদের আদালত এই আদেশ দেন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কফিল উদ্দিন মামুন খালেদের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
মামুন খালেদকে গত বুধবার গভীর রাতে রাজধানীর একটি বাসা থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। জানা গেছে, মামুন খালেদ ২০০৭-২০০৮ সালের সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের শেষ দিকে ডিজিএফআইয়ের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর পরিচালক ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরও তিনি একই পদে ছিলেন। এরপর ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক পদে পদোন্নতি পান। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক ছিলেন।
ডিবির রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বেলা ৩টা ২০ মিনিটে দেলোয়ার হোসেন (৪০) জুলাই ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে ছিলেন। এ সময় মামুন খালেদসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০–৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা তাঁর (মামুন খালেদ) নির্দেশে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে সেখানে লুটিয়ে পড়েন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ডিবির রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, দেলোয়ার হোসেন ২১ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই ঘটনায় দেলোয়ার হোসেনের পরিবার মামলা করে। এ ঘটনার সঙ্গে মামুন খালেদের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামুন খালেদকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড দরকার।
জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের মে মাসে মামুন খালেদ ও তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন আদালত। দুদক তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছিল।

ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুন খালেদ ৫ দিনের রিমান্ডে
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদের আদালত এই আদেশ দেন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কফিল উদ্দিন মামুন খালেদের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
মামুন খালেদকে গত বুধবার গভীর রাতে রাজধানীর একটি বাসা থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ। জানা গেছে, মামুন খালেদ ২০০৭-২০০৮ সালের সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের শেষ দিকে ডিজিএফআইয়ের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর পরিচালক ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরও তিনি একই পদে ছিলেন। এরপর ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক পদে পদোন্নতি পান। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক ছিলেন।
ডিবির রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বেলা ৩টা ২০ মিনিটে দেলোয়ার হোসেন (৪০) জুলাই ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে ছিলেন। এ সময় মামুন খালেদসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০–৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা তাঁর (মামুন খালেদ) নির্দেশে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে সেখানে লুটিয়ে পড়েন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ডিবির রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, দেলোয়ার হোসেন ২১ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই ঘটনায় দেলোয়ার হোসেনের পরিবার মামলা করে। এ ঘটনার সঙ্গে মামুন খালেদের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামুন খালেদকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড দরকার।
জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের মে মাসে মামুন খালেদ ও তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন আদালত। দুদক তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছিল।




