ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট বরাদ্দে অনিয়ম
সাবেক ২ দুদক কমিশনার ও জাগৃকের চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সাবেক ২ দুদক কমিশনার ও জাগৃকের চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধানমন্ডিতে সরকারি জমিতে ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সাবেক দুইজন দুদক কমিশনার, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) চেয়ারম্যান এবং সাবেক এক রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হচ্ছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আরও ১০ জনের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারির সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুদকের কমিশন সভায় মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন বাদী হয়ে মামলাটি করবেন। কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ‘গৃহায়ণ ধানমন্ডি’ প্রকল্পের আওতায় জাগৃক বিধিবহির্ভূতভাবে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে এই মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থেকেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে কর্তৃপক্ষের ২২২তম ও ২২৫তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দুদকের সাবেক দুদক কমিশনার মো. জহুরুল হক ও ড. মো. মোজাম্মেল হক খানের নামে প্রায় দ্বিগুণ আয়তনের দুটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটের সংস্থান রেখে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের ডি-১২ ও ডি-১৩ নম্বর ফ্ল্যাট একত্রিত করে ৪ হাজার ১০৫ বর্গফুট এবং সি-১২ ও সি-১৩ নম্বর ফ্ল্যাট একত্রিত করে ৪ হাজার ৩০৮ বর্গফুট আয়তনের দুটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা মিথ্যা হলফনামা দেওয়াসহ প্রতারণার আশ্রয় নেন এবং রাষ্ট্রীয় মূল্যবান সম্পদ বিধিবহির্ভূতভাবে বরাদ্দ ও অনুমোদন দেন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় দুদকের সাবেক দুই কমিশনারসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন জাগৃকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. দেলওয়ার হায়দার, সদস্য মো. শাহজাহান আলী, ড. মো. মইনুল হক আনছারী, বিজয় কুমার মণ্ডল, কাজী ওয়াসিফ আহমাদ এবং সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল ও বর্তমানে বন বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।
এদিকে জাগৃকের ১৯৫তম বোর্ডসভার কার্যপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূলত উল্লেখিত ফ্ল্যাট বরাদ্দের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে বোর্ডের সচিব হিসেবে মোহাম্মদ শফিউর রহমান এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে ড. মোহাম্মদ মনিরুল হুদাসহ (যুগ্ম সচিব) একাধিক বোর্ড সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
নথি অনুযায়ী, জাগৃকের ঢাকার ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর প্রকল্পের ফ্ল্যাট বরাদ্দ হয়েছে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি কমিটির সুপারিশে। সেখানে কমিটির আহ্ববায়ক ছিলেন, সংস্থাটির তৎকালীন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ শফিউর রহমান। অন্যন্য সদস্যরা হলেন- জাগৃকের তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ হোসেন, উপপরিচালক-২ (ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থপনা), নির্বাহী প্রকৌশলী মিরপুর গৃহসংস্থান-২ আবু হুরাইরা, উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) গুলরুক খাদিজা। কিন্তু দুদকের মামলার সুপারিশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একটি অংশ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেলো।

ধানমন্ডিতে সরকারি জমিতে ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সাবেক দুইজন দুদক কমিশনার, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) চেয়ারম্যান এবং সাবেক এক রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হচ্ছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আরও ১০ জনের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারির সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুদকের কমিশন সভায় মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন বাদী হয়ে মামলাটি করবেন। কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ‘গৃহায়ণ ধানমন্ডি’ প্রকল্পের আওতায় জাগৃক বিধিবহির্ভূতভাবে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে এই মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থেকেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে কর্তৃপক্ষের ২২২তম ও ২২৫তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দুদকের সাবেক দুদক কমিশনার মো. জহুরুল হক ও ড. মো. মোজাম্মেল হক খানের নামে প্রায় দ্বিগুণ আয়তনের দুটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটের সংস্থান রেখে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের ডি-১২ ও ডি-১৩ নম্বর ফ্ল্যাট একত্রিত করে ৪ হাজার ১০৫ বর্গফুট এবং সি-১২ ও সি-১৩ নম্বর ফ্ল্যাট একত্রিত করে ৪ হাজার ৩০৮ বর্গফুট আয়তনের দুটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা মিথ্যা হলফনামা দেওয়াসহ প্রতারণার আশ্রয় নেন এবং রাষ্ট্রীয় মূল্যবান সম্পদ বিধিবহির্ভূতভাবে বরাদ্দ ও অনুমোদন দেন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় দুদকের সাবেক দুই কমিশনারসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন জাগৃকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. দেলওয়ার হায়দার, সদস্য মো. শাহজাহান আলী, ড. মো. মইনুল হক আনছারী, বিজয় কুমার মণ্ডল, কাজী ওয়াসিফ আহমাদ এবং সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল ও বর্তমানে বন বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।
এদিকে জাগৃকের ১৯৫তম বোর্ডসভার কার্যপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূলত উল্লেখিত ফ্ল্যাট বরাদ্দের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে বোর্ডের সচিব হিসেবে মোহাম্মদ শফিউর রহমান এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে ড. মোহাম্মদ মনিরুল হুদাসহ (যুগ্ম সচিব) একাধিক বোর্ড সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
নথি অনুযায়ী, জাগৃকের ঢাকার ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর প্রকল্পের ফ্ল্যাট বরাদ্দ হয়েছে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি কমিটির সুপারিশে। সেখানে কমিটির আহ্ববায়ক ছিলেন, সংস্থাটির তৎকালীন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ শফিউর রহমান। অন্যন্য সদস্যরা হলেন- জাগৃকের তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ হোসেন, উপপরিচালক-২ (ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থপনা), নির্বাহী প্রকৌশলী মিরপুর গৃহসংস্থান-২ আবু হুরাইরা, উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) গুলরুক খাদিজা। কিন্তু দুদকের মামলার সুপারিশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একটি অংশ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেলো।

সাবেক ২ দুদক কমিশনার ও জাগৃকের চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধানমন্ডিতে সরকারি জমিতে ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সাবেক দুইজন দুদক কমিশনার, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) চেয়ারম্যান এবং সাবেক এক রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হচ্ছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আরও ১০ জনের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারির সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুদকের কমিশন সভায় মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন বাদী হয়ে মামলাটি করবেন। কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ‘গৃহায়ণ ধানমন্ডি’ প্রকল্পের আওতায় জাগৃক বিধিবহির্ভূতভাবে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে এই মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থেকেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে কর্তৃপক্ষের ২২২তম ও ২২৫তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দুদকের সাবেক দুদক কমিশনার মো. জহুরুল হক ও ড. মো. মোজাম্মেল হক খানের নামে প্রায় দ্বিগুণ আয়তনের দুটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটের সংস্থান রেখে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের ডি-১২ ও ডি-১৩ নম্বর ফ্ল্যাট একত্রিত করে ৪ হাজার ১০৫ বর্গফুট এবং সি-১২ ও সি-১৩ নম্বর ফ্ল্যাট একত্রিত করে ৪ হাজার ৩০৮ বর্গফুট আয়তনের দুটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা মিথ্যা হলফনামা দেওয়াসহ প্রতারণার আশ্রয় নেন এবং রাষ্ট্রীয় মূল্যবান সম্পদ বিধিবহির্ভূতভাবে বরাদ্দ ও অনুমোদন দেন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় দুদকের সাবেক দুই কমিশনারসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন জাগৃকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. দেলওয়ার হায়দার, সদস্য মো. শাহজাহান আলী, ড. মো. মইনুল হক আনছারী, বিজয় কুমার মণ্ডল, কাজী ওয়াসিফ আহমাদ এবং সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল ও বর্তমানে বন বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।
এদিকে জাগৃকের ১৯৫তম বোর্ডসভার কার্যপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূলত উল্লেখিত ফ্ল্যাট বরাদ্দের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে বোর্ডের সচিব হিসেবে মোহাম্মদ শফিউর রহমান এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে ড. মোহাম্মদ মনিরুল হুদাসহ (যুগ্ম সচিব) একাধিক বোর্ড সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
নথি অনুযায়ী, জাগৃকের ঢাকার ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর প্রকল্পের ফ্ল্যাট বরাদ্দ হয়েছে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি কমিটির সুপারিশে। সেখানে কমিটির আহ্ববায়ক ছিলেন, সংস্থাটির তৎকালীন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ শফিউর রহমান। অন্যন্য সদস্যরা হলেন- জাগৃকের তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ হোসেন, উপপরিচালক-২ (ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থপনা), নির্বাহী প্রকৌশলী মিরপুর গৃহসংস্থান-২ আবু হুরাইরা, উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) গুলরুক খাদিজা। কিন্তু দুদকের মামলার সুপারিশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একটি অংশ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেলো।




