এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ভুল, ৪ শিক্ষককে শোকজ

এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ভুল, ৪ শিক্ষককে শোকজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রশ্নে ভুল থাকায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যার পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রটি মডারেশনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন।
শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন– শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান ও সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তারা সবাই সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কর্মরত।
তাদের দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ১৩ জুলাই (সোমবার) সকালের পরীক্ষা চলাকালীন পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নং প্রশ্নে মারাত্মক ত্রুটি ও অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের ত্রুটি ও অসঙ্গতি থাকায় পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের চরম মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।
একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের ত্রুটি ও অসঙ্গতি যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল এবং এ ধরনের কাজে সিলেট বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি থাকার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এর জবাব পত্র প্রাপ্তির তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রশ্নে ভুল থাকায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যার পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রটি মডারেশনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন।
শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন– শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান ও সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তারা সবাই সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কর্মরত।
তাদের দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ১৩ জুলাই (সোমবার) সকালের পরীক্ষা চলাকালীন পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নং প্রশ্নে মারাত্মক ত্রুটি ও অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের ত্রুটি ও অসঙ্গতি থাকায় পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের চরম মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।
একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের ত্রুটি ও অসঙ্গতি যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল এবং এ ধরনের কাজে সিলেট বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি থাকার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এর জবাব পত্র প্রাপ্তির তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ভুল, ৪ শিক্ষককে শোকজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রশ্নে ভুল থাকায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যার পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রটি মডারেশনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন।
শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন– শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান ও সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তারা সবাই সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কর্মরত।
তাদের দেওয়া নোটিশে বলা হয়, ১৩ জুলাই (সোমবার) সকালের পরীক্ষা চলাকালীন পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নং প্রশ্নে মারাত্মক ত্রুটি ও অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের ত্রুটি ও অসঙ্গতি থাকায় পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের চরম মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।
একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের ত্রুটি ও অসঙ্গতি যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল এবং এ ধরনের কাজে সিলেট বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি থাকার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এর জবাব পত্র প্রাপ্তির তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ




