আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি, জুলাইয়ের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২, অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, সীমান্ত ও পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছি।’
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার, অধিক সক্রিয়-তৎপর ও সব বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্ত সমন্বয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সর্বস্তরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত প্রশিক্ষণ সম্পন্নের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে ও মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচারকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়। সবাই যাতে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহযোগিতা করেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলেন, সে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকার যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে অটল বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তারা ব্যর্থ হবেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
‘নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো বা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভোটকেন্দ্রসহ যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন,’ বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার উদ্দেশ্যে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব-অপপ্রচার প্রতিরোধ ও উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহারের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি, জুলাইয়ের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২, অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, সীমান্ত ও পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছি।’
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার, অধিক সক্রিয়-তৎপর ও সব বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্ত সমন্বয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সর্বস্তরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত প্রশিক্ষণ সম্পন্নের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে ও মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচারকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়। সবাই যাতে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহযোগিতা করেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলেন, সে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকার যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে অটল বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তারা ব্যর্থ হবেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
‘নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো বা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভোটকেন্দ্রসহ যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন,’ বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার উদ্দেশ্যে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব-অপপ্রচার প্রতিরোধ ও উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহারের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি, জুলাইয়ের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২, অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, সীমান্ত ও পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছি।’
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার, অধিক সক্রিয়-তৎপর ও সব বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্ত সমন্বয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সর্বস্তরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত প্রশিক্ষণ সম্পন্নের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে ও মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচারকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়। সবাই যাতে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহযোগিতা করেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলেন, সে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকার যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে অটল বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তারা ব্যর্থ হবেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
‘নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো বা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভোটকেন্দ্রসহ যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন,’ বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার উদ্দেশ্যে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব-অপপ্রচার প্রতিরোধ ও উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহারের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।




