পেনশনের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: সব অস্বাভাবিক লেনদেন যাচাইয়ে কমিটি

পেনশনের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: সব অস্বাভাবিক লেনদেন যাচাইয়ে কমিটি
সিজেডএন ডেস্ক

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশনের অর্থ নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম শুরুর সময় থেকে হওয়া সব সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক বকেয়া পেনশন লেনদেন তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেসব পেনশনভোগীর কোনো পাওনা না থাকা সত্ত্বেও তাদের নামে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, সেসব ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়দায়িত্ব নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্সের (সিজিডিএফ) কার্যালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে তিন সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট সিসিডিএফের পেনশন ও ফান্ড কার্যালয়ের কয়েকজন পেনশনভোগীর নামে সন্দেহজনক ইএফটির মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের ঘটনা তদন্তে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি আরও গভীরভাবে যাচাই এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অ্যাডিশনাল চিফ কন্ট্রোলার অব ডিফেন্স ফাইন্যান্স (এসিসিডিএফ) আর্মি (সিভিল) এ কে এম হাছিবুর রহমানকে। সিনিয়র ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (এয়ার) কার্যালয়ের ডেপুটি ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার মোছা. বিউটি খাতুন সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন এসিসিডিএফ (আর্মি, জেসিও অ্যান্ড ওআর) মো. আরিফুর রহমান।
এর আগে ২৪ আগস্ট গঠিত তদন্ত কমিটিরও আহ্বায়ক ছিলেন এ কে এম হাছিবুর রহমান। সে সময় বিউটি খাতুন সদস্য হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। আর অ্যাডিশনাল চিফ কন্ট্রোলার অব ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিভিল) কার্যালয়ের ডেপুটি ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার মো. মফিজুর রহমানকে সদস্যসচিব করা হয়েছিল।
তবে মফিজুর রহমান ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তদন্তাধীন সময়ের প্রায় ১৩ মাস তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন করায় তার অন্তর্ভুক্তি স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নতুন তদন্ত কমিটিতে তাকে আর রাখা হয়নি।
নতুন কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সিসিডিএফের পেনশন ও ফান্ড কার্যালয়ে ইএফটি চালুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত যেসব পেনশনভোগীর নামে অস্বাভাবিক পরিমাণ বকেয়া পেনশন পরিশোধ করা হয়েছে, তাদের তালিকা তৈরি করে তা যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো বৈধ পাওনা না থাকা সত্ত্বেও যেসব পেনশন বিল পরিশোধ করা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভূমিকা এবং দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে।
এর আগে অনুসন্ধানে সিসিডিএফ কার্যালয়ে নিয়মিত পেনশনের অতিরিক্ত অর্থ অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর তথ্য সামনে আসে। প্রাথমিক তদন্তে ২৬ জন পেনশনভোগীর নামে ৩৪৬টি বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে মোট ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮ টাকা সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সিসিডিএফ কার্যালয়ের সাবেক দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অনুমোদন ছাড়াই বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে বিভিন্ন পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হতো। পরে কমিশন কেটে রেখে বাকি অর্থ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ফেরত নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া ট্রেজারি চালান ব্যবহার করে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে বলে নথিপত্রে সমন্বয়ের চেষ্টাও করা হয়েছিল।
নতুন তদন্ত কমিটিকে আগের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পুরো ঘটনাটি পুনরায় ও বিস্তারিতভাবে যাচাই করতে বলা হয়েছে। সব তথ্য ও অনুসন্ধানের ফলাফল সমন্বয় করে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সিজিডিএফের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তাকেও কমিটিতে কো-অপ্ট করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশনের অর্থ নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম শুরুর সময় থেকে হওয়া সব সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক বকেয়া পেনশন লেনদেন তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেসব পেনশনভোগীর কোনো পাওনা না থাকা সত্ত্বেও তাদের নামে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, সেসব ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়দায়িত্ব নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্সের (সিজিডিএফ) কার্যালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে তিন সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট সিসিডিএফের পেনশন ও ফান্ড কার্যালয়ের কয়েকজন পেনশনভোগীর নামে সন্দেহজনক ইএফটির মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের ঘটনা তদন্তে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি আরও গভীরভাবে যাচাই এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অ্যাডিশনাল চিফ কন্ট্রোলার অব ডিফেন্স ফাইন্যান্স (এসিসিডিএফ) আর্মি (সিভিল) এ কে এম হাছিবুর রহমানকে। সিনিয়র ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (এয়ার) কার্যালয়ের ডেপুটি ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার মোছা. বিউটি খাতুন সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন এসিসিডিএফ (আর্মি, জেসিও অ্যান্ড ওআর) মো. আরিফুর রহমান।
এর আগে ২৪ আগস্ট গঠিত তদন্ত কমিটিরও আহ্বায়ক ছিলেন এ কে এম হাছিবুর রহমান। সে সময় বিউটি খাতুন সদস্য হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। আর অ্যাডিশনাল চিফ কন্ট্রোলার অব ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিভিল) কার্যালয়ের ডেপুটি ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার মো. মফিজুর রহমানকে সদস্যসচিব করা হয়েছিল।
তবে মফিজুর রহমান ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তদন্তাধীন সময়ের প্রায় ১৩ মাস তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন করায় তার অন্তর্ভুক্তি স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নতুন তদন্ত কমিটিতে তাকে আর রাখা হয়নি।
নতুন কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সিসিডিএফের পেনশন ও ফান্ড কার্যালয়ে ইএফটি চালুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত যেসব পেনশনভোগীর নামে অস্বাভাবিক পরিমাণ বকেয়া পেনশন পরিশোধ করা হয়েছে, তাদের তালিকা তৈরি করে তা যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো বৈধ পাওনা না থাকা সত্ত্বেও যেসব পেনশন বিল পরিশোধ করা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভূমিকা এবং দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে।
এর আগে অনুসন্ধানে সিসিডিএফ কার্যালয়ে নিয়মিত পেনশনের অতিরিক্ত অর্থ অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর তথ্য সামনে আসে। প্রাথমিক তদন্তে ২৬ জন পেনশনভোগীর নামে ৩৪৬টি বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে মোট ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮ টাকা সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সিসিডিএফ কার্যালয়ের সাবেক দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অনুমোদন ছাড়াই বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে বিভিন্ন পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হতো। পরে কমিশন কেটে রেখে বাকি অর্থ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ফেরত নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া ট্রেজারি চালান ব্যবহার করে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে বলে নথিপত্রে সমন্বয়ের চেষ্টাও করা হয়েছিল।
নতুন তদন্ত কমিটিকে আগের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পুরো ঘটনাটি পুনরায় ও বিস্তারিতভাবে যাচাই করতে বলা হয়েছে। সব তথ্য ও অনুসন্ধানের ফলাফল সমন্বয় করে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সিজিডিএফের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তাকেও কমিটিতে কো-অপ্ট করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

পেনশনের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: সব অস্বাভাবিক লেনদেন যাচাইয়ে কমিটি
সিজেডএন ডেস্ক

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশনের অর্থ নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) কার্যক্রম শুরুর সময় থেকে হওয়া সব সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক বকেয়া পেনশন লেনদেন তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেসব পেনশনভোগীর কোনো পাওনা না থাকা সত্ত্বেও তাদের নামে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, সেসব ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়দায়িত্ব নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্সের (সিজিডিএফ) কার্যালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে তিন সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট সিসিডিএফের পেনশন ও ফান্ড কার্যালয়ের কয়েকজন পেনশনভোগীর নামে সন্দেহজনক ইএফটির মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের ঘটনা তদন্তে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি আরও গভীরভাবে যাচাই এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অ্যাডিশনাল চিফ কন্ট্রোলার অব ডিফেন্স ফাইন্যান্স (এসিসিডিএফ) আর্মি (সিভিল) এ কে এম হাছিবুর রহমানকে। সিনিয়র ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (এয়ার) কার্যালয়ের ডেপুটি ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার মোছা. বিউটি খাতুন সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন এসিসিডিএফ (আর্মি, জেসিও অ্যান্ড ওআর) মো. আরিফুর রহমান।
এর আগে ২৪ আগস্ট গঠিত তদন্ত কমিটিরও আহ্বায়ক ছিলেন এ কে এম হাছিবুর রহমান। সে সময় বিউটি খাতুন সদস্য হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। আর অ্যাডিশনাল চিফ কন্ট্রোলার অব ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিভিল) কার্যালয়ের ডেপুটি ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার মো. মফিজুর রহমানকে সদস্যসচিব করা হয়েছিল।
তবে মফিজুর রহমান ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তদন্তাধীন সময়ের প্রায় ১৩ মাস তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন করায় তার অন্তর্ভুক্তি স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নতুন তদন্ত কমিটিতে তাকে আর রাখা হয়নি।
নতুন কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সিসিডিএফের পেনশন ও ফান্ড কার্যালয়ে ইএফটি চালুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত যেসব পেনশনভোগীর নামে অস্বাভাবিক পরিমাণ বকেয়া পেনশন পরিশোধ করা হয়েছে, তাদের তালিকা তৈরি করে তা যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো বৈধ পাওনা না থাকা সত্ত্বেও যেসব পেনশন বিল পরিশোধ করা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভূমিকা এবং দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে।
এর আগে অনুসন্ধানে সিসিডিএফ কার্যালয়ে নিয়মিত পেনশনের অতিরিক্ত অর্থ অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর তথ্য সামনে আসে। প্রাথমিক তদন্তে ২৬ জন পেনশনভোগীর নামে ৩৪৬টি বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে মোট ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮ টাকা সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সিসিডিএফ কার্যালয়ের সাবেক দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অনুমোদন ছাড়াই বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে বিভিন্ন পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হতো। পরে কমিশন কেটে রেখে বাকি অর্থ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ফেরত নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া ট্রেজারি চালান ব্যবহার করে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে বলে নথিপত্রে সমন্বয়ের চেষ্টাও করা হয়েছিল।
নতুন তদন্ত কমিটিকে আগের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পুরো ঘটনাটি পুনরায় ও বিস্তারিতভাবে যাচাই করতে বলা হয়েছে। সব তথ্য ও অনুসন্ধানের ফলাফল সমন্বয় করে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সিজিডিএফের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তাকেও কমিটিতে কো-অপ্ট করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।









