ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলেই সফল রাষ্ট্র গড়া সম্ভব: মির্জা ফখরুল

ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলেই সফল রাষ্ট্র গড়া সম্ভব: মির্জা ফখরুল
বিশেষ প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি সফল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র– এই তিন স্তর একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে একটি দল হিসেবে কাজ করলে উন্নয়ন, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি ও দুর্বল রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্য দিয়েই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়– এই বাস্তবতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব।
গত ১৫ বছরে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল ও আস্থাহীন হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সেগুলো পুনরায় সচল ও কার্যকর করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। তার মতে, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা মানে শুধু প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক করা নয়; বরং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।
গ্রামীণ মানুষের কষ্টকে বাস্তব সামাজিক সত্য হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাদের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।
সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এ মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সমুন্নত রেখে জনগণের কাছে পৌঁছাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতিহার ও ঘোষিত ৩১ দফা শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়– এগুলো জনগণের সঙ্গে করা সামাজিক চুক্তি।
সভায় জানানো হয়, জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করলেই ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব। কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মত দেন বক্তারা।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি সফল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র– এই তিন স্তর একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে একটি দল হিসেবে কাজ করলে উন্নয়ন, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি ও দুর্বল রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্য দিয়েই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়– এই বাস্তবতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব।
গত ১৫ বছরে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল ও আস্থাহীন হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সেগুলো পুনরায় সচল ও কার্যকর করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। তার মতে, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা মানে শুধু প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক করা নয়; বরং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।
গ্রামীণ মানুষের কষ্টকে বাস্তব সামাজিক সত্য হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাদের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।
সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এ মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সমুন্নত রেখে জনগণের কাছে পৌঁছাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতিহার ও ঘোষিত ৩১ দফা শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়– এগুলো জনগণের সঙ্গে করা সামাজিক চুক্তি।
সভায় জানানো হয়, জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করলেই ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব। কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মত দেন বক্তারা।

ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলেই সফল রাষ্ট্র গড়া সম্ভব: মির্জা ফখরুল
বিশেষ প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি সফল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র– এই তিন স্তর একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে একটি দল হিসেবে কাজ করলে উন্নয়ন, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি ও দুর্বল রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্য দিয়েই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়– এই বাস্তবতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব।
গত ১৫ বছরে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল ও আস্থাহীন হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সেগুলো পুনরায় সচল ও কার্যকর করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। তার মতে, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা মানে শুধু প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক করা নয়; বরং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।
গ্রামীণ মানুষের কষ্টকে বাস্তব সামাজিক সত্য হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাদের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।
সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এ মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সমুন্নত রেখে জনগণের কাছে পৌঁছাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতিহার ও ঘোষিত ৩১ দফা শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়– এগুলো জনগণের সঙ্গে করা সামাজিক চুক্তি।
সভায় জানানো হয়, জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করলেই ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব। কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মত দেন বক্তারা।




