শাহজালালে ১২ উড়োজাহাজ ওজনে কেনার ক্রেতাও নেই

শাহজালালে ১২ উড়োজাহাজ ওজনে কেনার ক্রেতাও নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উত্তর পাশে অ্যাপ্রোন এলাকায় ১১ বছর ধরে পড়ে আছে ১২টি উড়োজাহাজ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে এসব উড়োজাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। উড়োজাহাজ হিসেবে বিক্রির জন্য উপযুক্ত ক্রেতা না পাওয়ায় এবার এগুলো ওজনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উড়োজাহাজগুলো ১০ থেকে ১১ বছর ধরে রোদ-বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এগুলোর ইঞ্জিন, এভিয়নিক্স সিস্টেম, ককপিটের যন্ত্রপাতি এবং ল্যান্ডিং গিয়ার নষ্ট ও মরিচা ধরে অকেজো হয়ে গেছে। এগুলোকে পুনরায় উড্ডয়নের উপযোগী করা অর্থনৈতিকভাবে কোনোভাবেই লাভজনক নয়। এছাড়া প্রচলিত আইন অনুযায়ী উড়োজাহাজগুলোর নিবন্ধনও বাতিল হয়ে গেছে।
উড়োজাহাজগুলোর বেশিরভাগই পুরনো মডেলের। এগুলো হলো– ড্যাশ-৮, এমডি-৮৩ ও বোয়িং ৭৩৭-৩০০। বিশ্বব্যাপী এই মডেলগুলোর ব্যবহার এখন সীমিত। ফলে এগুলোর ভেতরে থাকা সচল যন্ত্রাংশ খুলে অন্য কোনো উড়োজাহাজে ব্যবহার বা যন্ত্রাংশ হিসেবে বিক্রি করার বাজারও প্রায় নেই বললেই চলে। মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাংকঋণ ও অন্যান্য পাওনাদারের মামলা রয়েছে। ফলে কোনো ক্রেতা আইনি ঝামেলা এড়াতে এগুলো কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেউ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কার্গো ভিলেজের উত্তর পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিশাল জায়গা দখল করে থাকা এই উড়োজাহাজগুলো বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। কার্গো ভিলেজের সম্প্রসারণ কাজে তা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোম্পনির কর্ণধাররা প্রভাব খাটিয়ে অ্যাপ্রোন এলাকার মূল্যবান জায়গা দখলে নিয়ে উড়োজাহাজগুলো রেখেছেন।
এসব উড়োজাহাজের মালিক ৪টি বেসরকারি এয়ারলাইন্স কোম্পানি। এর মধ্যে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৮টি, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ২টি, জিএমজি এয়ারলাইন্সের ১টি ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের ১টি উড়োজাহাজ রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে উড়োজাহাজগুলো ফেলে রাখায় বেবিচকের নিয়ম অনুযায়ী পার্কিং ফি এবং এর ওপর অতিরিক্ত সারচার্জ যুক্ত হতে থাকে।
বেবিচকের হিসাব শাখা সূত্রে জানা যায়, বকেয়া এবং চক্রবৃদ্ধি হারের সারচার্জ মিলিয়ে এই ৪ কোম্পানির কাছে বেবিচকের মোট পাওনা প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এককভাবে জিএমজি এয়ারলাইন্সের কাছেই বকেয়া রয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কাছে বকেয়া প্রায় ৪০০ কোটি টাকা এবং বাকি টাকা রিজেন্ট ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের বকেয়া।
পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে পরিত্যক্ত উড়োজাহাজগুলো বাজেয়াপ্ত ও নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করে বেবিচক। ২০২১ সালের শেষের দিকে ও ২০২২ সালজুড়ে বেবিচক উড়োজাহাজগুলো নিলামের জন্য আন্তর্জাতিক ও দেশীয় দরপত্র আহ্বান করে। তবে একাধিকবার নিলামের চেষ্টা হলেও কোনো উপযুক্ত ক্রেতা মেলেনি।
জানা গেছে, দেশে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উড়োজাহাজ মূল্যায়নে সক্ষম কোনো বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান নেই। বিদেশি প্রতিষ্ঠান দিয়ে মূল্যায়নের বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়। কিন্তু তাতে যে ব্যয় হবে, তা সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্যের চেয়েও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ ছাড়াই আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বেবিচকের ধারণা, উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র হলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতামূলকভাবে অংশ নেবে। এতে বাজারভিত্তিক মূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে, একইসঙ্গে সরকারের জন্য সর্বোচ্চ দর নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উত্তর পাশে অ্যাপ্রোন এলাকায় ১১ বছর ধরে পড়ে আছে ১২টি উড়োজাহাজ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে এসব উড়োজাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। উড়োজাহাজ হিসেবে বিক্রির জন্য উপযুক্ত ক্রেতা না পাওয়ায় এবার এগুলো ওজনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উড়োজাহাজগুলো ১০ থেকে ১১ বছর ধরে রোদ-বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এগুলোর ইঞ্জিন, এভিয়নিক্স সিস্টেম, ককপিটের যন্ত্রপাতি এবং ল্যান্ডিং গিয়ার নষ্ট ও মরিচা ধরে অকেজো হয়ে গেছে। এগুলোকে পুনরায় উড্ডয়নের উপযোগী করা অর্থনৈতিকভাবে কোনোভাবেই লাভজনক নয়। এছাড়া প্রচলিত আইন অনুযায়ী উড়োজাহাজগুলোর নিবন্ধনও বাতিল হয়ে গেছে।
উড়োজাহাজগুলোর বেশিরভাগই পুরনো মডেলের। এগুলো হলো– ড্যাশ-৮, এমডি-৮৩ ও বোয়িং ৭৩৭-৩০০। বিশ্বব্যাপী এই মডেলগুলোর ব্যবহার এখন সীমিত। ফলে এগুলোর ভেতরে থাকা সচল যন্ত্রাংশ খুলে অন্য কোনো উড়োজাহাজে ব্যবহার বা যন্ত্রাংশ হিসেবে বিক্রি করার বাজারও প্রায় নেই বললেই চলে। মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাংকঋণ ও অন্যান্য পাওনাদারের মামলা রয়েছে। ফলে কোনো ক্রেতা আইনি ঝামেলা এড়াতে এগুলো কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেউ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কার্গো ভিলেজের উত্তর পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিশাল জায়গা দখল করে থাকা এই উড়োজাহাজগুলো বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। কার্গো ভিলেজের সম্প্রসারণ কাজে তা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোম্পনির কর্ণধাররা প্রভাব খাটিয়ে অ্যাপ্রোন এলাকার মূল্যবান জায়গা দখলে নিয়ে উড়োজাহাজগুলো রেখেছেন।
এসব উড়োজাহাজের মালিক ৪টি বেসরকারি এয়ারলাইন্স কোম্পানি। এর মধ্যে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৮টি, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ২টি, জিএমজি এয়ারলাইন্সের ১টি ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের ১টি উড়োজাহাজ রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে উড়োজাহাজগুলো ফেলে রাখায় বেবিচকের নিয়ম অনুযায়ী পার্কিং ফি এবং এর ওপর অতিরিক্ত সারচার্জ যুক্ত হতে থাকে।
বেবিচকের হিসাব শাখা সূত্রে জানা যায়, বকেয়া এবং চক্রবৃদ্ধি হারের সারচার্জ মিলিয়ে এই ৪ কোম্পানির কাছে বেবিচকের মোট পাওনা প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এককভাবে জিএমজি এয়ারলাইন্সের কাছেই বকেয়া রয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কাছে বকেয়া প্রায় ৪০০ কোটি টাকা এবং বাকি টাকা রিজেন্ট ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের বকেয়া।
পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে পরিত্যক্ত উড়োজাহাজগুলো বাজেয়াপ্ত ও নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করে বেবিচক। ২০২১ সালের শেষের দিকে ও ২০২২ সালজুড়ে বেবিচক উড়োজাহাজগুলো নিলামের জন্য আন্তর্জাতিক ও দেশীয় দরপত্র আহ্বান করে। তবে একাধিকবার নিলামের চেষ্টা হলেও কোনো উপযুক্ত ক্রেতা মেলেনি।
জানা গেছে, দেশে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উড়োজাহাজ মূল্যায়নে সক্ষম কোনো বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান নেই। বিদেশি প্রতিষ্ঠান দিয়ে মূল্যায়নের বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়। কিন্তু তাতে যে ব্যয় হবে, তা সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্যের চেয়েও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ ছাড়াই আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বেবিচকের ধারণা, উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র হলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতামূলকভাবে অংশ নেবে। এতে বাজারভিত্তিক মূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে, একইসঙ্গে সরকারের জন্য সর্বোচ্চ দর নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

শাহজালালে ১২ উড়োজাহাজ ওজনে কেনার ক্রেতাও নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উত্তর পাশে অ্যাপ্রোন এলাকায় ১১ বছর ধরে পড়ে আছে ১২টি উড়োজাহাজ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে এসব উড়োজাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। উড়োজাহাজ হিসেবে বিক্রির জন্য উপযুক্ত ক্রেতা না পাওয়ায় এবার এগুলো ওজনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উড়োজাহাজগুলো ১০ থেকে ১১ বছর ধরে রোদ-বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এগুলোর ইঞ্জিন, এভিয়নিক্স সিস্টেম, ককপিটের যন্ত্রপাতি এবং ল্যান্ডিং গিয়ার নষ্ট ও মরিচা ধরে অকেজো হয়ে গেছে। এগুলোকে পুনরায় উড্ডয়নের উপযোগী করা অর্থনৈতিকভাবে কোনোভাবেই লাভজনক নয়। এছাড়া প্রচলিত আইন অনুযায়ী উড়োজাহাজগুলোর নিবন্ধনও বাতিল হয়ে গেছে।
উড়োজাহাজগুলোর বেশিরভাগই পুরনো মডেলের। এগুলো হলো– ড্যাশ-৮, এমডি-৮৩ ও বোয়িং ৭৩৭-৩০০। বিশ্বব্যাপী এই মডেলগুলোর ব্যবহার এখন সীমিত। ফলে এগুলোর ভেতরে থাকা সচল যন্ত্রাংশ খুলে অন্য কোনো উড়োজাহাজে ব্যবহার বা যন্ত্রাংশ হিসেবে বিক্রি করার বাজারও প্রায় নেই বললেই চলে। মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাংকঋণ ও অন্যান্য পাওনাদারের মামলা রয়েছে। ফলে কোনো ক্রেতা আইনি ঝামেলা এড়াতে এগুলো কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেউ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কার্গো ভিলেজের উত্তর পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিশাল জায়গা দখল করে থাকা এই উড়োজাহাজগুলো বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। কার্গো ভিলেজের সম্প্রসারণ কাজে তা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোম্পনির কর্ণধাররা প্রভাব খাটিয়ে অ্যাপ্রোন এলাকার মূল্যবান জায়গা দখলে নিয়ে উড়োজাহাজগুলো রেখেছেন।
এসব উড়োজাহাজের মালিক ৪টি বেসরকারি এয়ারলাইন্স কোম্পানি। এর মধ্যে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৮টি, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ২টি, জিএমজি এয়ারলাইন্সের ১টি ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের ১টি উড়োজাহাজ রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে উড়োজাহাজগুলো ফেলে রাখায় বেবিচকের নিয়ম অনুযায়ী পার্কিং ফি এবং এর ওপর অতিরিক্ত সারচার্জ যুক্ত হতে থাকে।
বেবিচকের হিসাব শাখা সূত্রে জানা যায়, বকেয়া এবং চক্রবৃদ্ধি হারের সারচার্জ মিলিয়ে এই ৪ কোম্পানির কাছে বেবিচকের মোট পাওনা প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এককভাবে জিএমজি এয়ারলাইন্সের কাছেই বকেয়া রয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কাছে বকেয়া প্রায় ৪০০ কোটি টাকা এবং বাকি টাকা রিজেন্ট ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের বকেয়া।
পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে পরিত্যক্ত উড়োজাহাজগুলো বাজেয়াপ্ত ও নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করে বেবিচক। ২০২১ সালের শেষের দিকে ও ২০২২ সালজুড়ে বেবিচক উড়োজাহাজগুলো নিলামের জন্য আন্তর্জাতিক ও দেশীয় দরপত্র আহ্বান করে। তবে একাধিকবার নিলামের চেষ্টা হলেও কোনো উপযুক্ত ক্রেতা মেলেনি।
জানা গেছে, দেশে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উড়োজাহাজ মূল্যায়নে সক্ষম কোনো বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান নেই। বিদেশি প্রতিষ্ঠান দিয়ে মূল্যায়নের বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়। কিন্তু তাতে যে ব্যয় হবে, তা সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্যের চেয়েও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ ছাড়াই আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বেবিচকের ধারণা, উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র হলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতামূলকভাবে অংশ নেবে। এতে বাজারভিত্তিক মূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে, একইসঙ্গে সরকারের জন্য সর্বোচ্চ দর নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

শাহজালালে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে নতুন দুইটি ওয়্যারহাউজ







