ঢাবিতে শিক্ষার্থী হেনস্তা: ফুটেজ গায়েবের অভিযোগ প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে

ঢাবিতে শিক্ষার্থী হেনস্তা: ফুটেজ গায়েবের অভিযোগ প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে হেনস্তার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব ও বিকৃত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে হল ছাত্র সংসদের ভিপি আবু নায়েম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা গেটে তালা মেরে রেখেছিল। কিন্তু প্রক্টরিয়াল টিম এসে তালা কেটে ফুটেজ নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা তাদের বলেছিলাম, তদন্তের সুবিধার্থে শিক্ষার্থীদের একটি কপি সরবরাহ করে তারা যেন মূল ফুটেজ নিয়ে যান। কিন্তু প্রক্টরিয়াল টিম তাতে রাজি হয়নি। এতে প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজটি মুছে ফেলা বা বিকৃত করার চেষ্টা করছে বলে আমাদের মনে হয়েছে।’
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় প্রভোস্টের কার্যালয়ে তালা দেন ডাকসু নেতারা। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ (মঙ্গলবার) তদন্তের উদ্দেশ্যে হলের তালা ভেঙে সিসিটিভি ফুটেজ নেওয়ার চেষ্টা করে প্রক্টরিয়াল টিম। এ সময় তদন্তের সুবিধার্থে ফুটেজের একটি কপি সরবরাহের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। তবে প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজের কপি দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়।
জানাতে চাইলে ঢাবি প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি এবং প্রক্টরিয়াল টিমের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এসময় হলের গেটে শিক্ষার্থীরা তালা দিলেও, তদন্তের স্বার্থে সেটি খোলা হয়। তবে সেখান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ কপি করার সময় শিক্ষার্থীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং প্রশ্ন তোলে কেন এটি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ভিডিও ফুটেজ কপি করার কাজ করছে, তবে এই প্রক্রিয়াটি এখনো শেষ হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ফুটেজের ক্লিপ দাবি করলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, এটি কোনো ছোট বিষয় বা সাধারণ ক্লিপ নয়, এটি একটি বড় ঘটনার অংশ যা বর্তমানে তদন্তাধীন। তাই তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে বা অভিযোগ আসার সাথে সাথেই সবকিছু বলা বা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে হেনস্তার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব ও বিকৃত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে হল ছাত্র সংসদের ভিপি আবু নায়েম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা গেটে তালা মেরে রেখেছিল। কিন্তু প্রক্টরিয়াল টিম এসে তালা কেটে ফুটেজ নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা তাদের বলেছিলাম, তদন্তের সুবিধার্থে শিক্ষার্থীদের একটি কপি সরবরাহ করে তারা যেন মূল ফুটেজ নিয়ে যান। কিন্তু প্রক্টরিয়াল টিম তাতে রাজি হয়নি। এতে প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজটি মুছে ফেলা বা বিকৃত করার চেষ্টা করছে বলে আমাদের মনে হয়েছে।’
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় প্রভোস্টের কার্যালয়ে তালা দেন ডাকসু নেতারা। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ (মঙ্গলবার) তদন্তের উদ্দেশ্যে হলের তালা ভেঙে সিসিটিভি ফুটেজ নেওয়ার চেষ্টা করে প্রক্টরিয়াল টিম। এ সময় তদন্তের সুবিধার্থে ফুটেজের একটি কপি সরবরাহের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। তবে প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজের কপি দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়।
জানাতে চাইলে ঢাবি প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি এবং প্রক্টরিয়াল টিমের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এসময় হলের গেটে শিক্ষার্থীরা তালা দিলেও, তদন্তের স্বার্থে সেটি খোলা হয়। তবে সেখান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ কপি করার সময় শিক্ষার্থীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং প্রশ্ন তোলে কেন এটি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ভিডিও ফুটেজ কপি করার কাজ করছে, তবে এই প্রক্রিয়াটি এখনো শেষ হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ফুটেজের ক্লিপ দাবি করলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, এটি কোনো ছোট বিষয় বা সাধারণ ক্লিপ নয়, এটি একটি বড় ঘটনার অংশ যা বর্তমানে তদন্তাধীন। তাই তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে বা অভিযোগ আসার সাথে সাথেই সবকিছু বলা বা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

ঢাবিতে শিক্ষার্থী হেনস্তা: ফুটেজ গায়েবের অভিযোগ প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে হেনস্তার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব ও বিকৃত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে হল ছাত্র সংসদের ভিপি আবু নায়েম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা গেটে তালা মেরে রেখেছিল। কিন্তু প্রক্টরিয়াল টিম এসে তালা কেটে ফুটেজ নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা তাদের বলেছিলাম, তদন্তের সুবিধার্থে শিক্ষার্থীদের একটি কপি সরবরাহ করে তারা যেন মূল ফুটেজ নিয়ে যান। কিন্তু প্রক্টরিয়াল টিম তাতে রাজি হয়নি। এতে প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজটি মুছে ফেলা বা বিকৃত করার চেষ্টা করছে বলে আমাদের মনে হয়েছে।’
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় প্রভোস্টের কার্যালয়ে তালা দেন ডাকসু নেতারা। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ (মঙ্গলবার) তদন্তের উদ্দেশ্যে হলের তালা ভেঙে সিসিটিভি ফুটেজ নেওয়ার চেষ্টা করে প্রক্টরিয়াল টিম। এ সময় তদন্তের সুবিধার্থে ফুটেজের একটি কপি সরবরাহের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। তবে প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজের কপি দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়।
জানাতে চাইলে ঢাবি প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি এবং প্রক্টরিয়াল টিমের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এসময় হলের গেটে শিক্ষার্থীরা তালা দিলেও, তদন্তের স্বার্থে সেটি খোলা হয়। তবে সেখান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ কপি করার সময় শিক্ষার্থীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং প্রশ্ন তোলে কেন এটি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ভিডিও ফুটেজ কপি করার কাজ করছে, তবে এই প্রক্রিয়াটি এখনো শেষ হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ফুটেজের ক্লিপ দাবি করলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, এটি কোনো ছোট বিষয় বা সাধারণ ক্লিপ নয়, এটি একটি বড় ঘটনার অংশ যা বর্তমানে তদন্তাধীন। তাই তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে বা অভিযোগ আসার সাথে সাথেই সবকিছু বলা বা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

মধ্যরাতে ঢাবির হলে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসসহ আহত ৬







