চীন-বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে ভারতের উদ্যোগ

চীন-বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে ভারতের উদ্যোগ
সিজেডএন ডেস্ক

সীমন্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে ভারতের বিরোধ দীর্ঘদিনের। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য হিমাচলকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে রাজ্যের একাধিক স্থানের নাম পরিবর্তন করেছে বেইজিং। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী স্থানে গোপনে সামরিক ঘাঁটিও স্থাপন করছে তারা, যা ভারতের দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ। এছাড়া নেপাল ও বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত নিয়েও ভারতের বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তে সামরিক বাহিনীর দ্রুত যাতায়াত ও রসদ পৌঁছে দিতে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। এরই অংশ হিসেবে শিলিগুড়ির চিকেনস নেক এলাকায় তিস্তা নদীর ওপর পুরোনো করোনেশন সেতুর বিকল্প হিসেবে নতুন ছয় লেনের সেতু নির্মাণ করছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।
প্রায় ৮৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে নতুন সেতু ও এর সংযোগকারী সড়ক। সেতুর দৈর্ঘ হবে ৬.৮৫ কিলোমিটার। এ প্রকল্পের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করেছে ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। ১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এজেন্সি ওই টেন্ডারে অংশ নিতে পারবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত কাজ শুরু করতে চায় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।
দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা জানান, শুক্রবার জাতীয় সড়ক নির্মাণকারী সংস্থা ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এনএইচএআই) টেন্ডার ডেকেছে। চার লেনের সেতু তৈরির পুরনো সিদ্ধান্ত বাতিল করে ছয় লেনের সেতু তৈরি হবে।
তিনি বলেন, বিকল্প সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। এটি তৈরি হলে শুধু ডুয়ার্সের সঙ্গে শিলিগুড়ির যোগাযোগ উন্নত হবে না। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে।’
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে কাজ শুরুর পর ৩ বছরের মধ্যে সেতু চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ডুয়ার্সের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার জন্য ১৯৪১ সালে তিস্তা নদীর ওপরে করোনেশন সেতু তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সেতুটিও পুরনো হয়েছে। এছাড়া চিকেনস নেক এলাকার পরিস্থিতিও পাল্টেছে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। ফলে চীন, নেপাল ও বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক বাহিনীর দ্রুত যাতায়াত ও রসদ পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। পুরনো সেতুটি এমনিতেই দুর্বল হয়ে পড়েছে, তার ওপর ২০১১ সালে ফাটল ধরা পড়ে। এর পর থেকে সেতু দিয়ে ১০ টন বা তার বেশি ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন নিরাপত্তার প্রয়োজনে বিকল্প সেতুর গুরুত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিকল্প সেতু তৈরির দাবি জোরালো হয়।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

সীমন্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে ভারতের বিরোধ দীর্ঘদিনের। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য হিমাচলকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে রাজ্যের একাধিক স্থানের নাম পরিবর্তন করেছে বেইজিং। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী স্থানে গোপনে সামরিক ঘাঁটিও স্থাপন করছে তারা, যা ভারতের দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ। এছাড়া নেপাল ও বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত নিয়েও ভারতের বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তে সামরিক বাহিনীর দ্রুত যাতায়াত ও রসদ পৌঁছে দিতে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। এরই অংশ হিসেবে শিলিগুড়ির চিকেনস নেক এলাকায় তিস্তা নদীর ওপর পুরোনো করোনেশন সেতুর বিকল্প হিসেবে নতুন ছয় লেনের সেতু নির্মাণ করছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।
প্রায় ৮৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে নতুন সেতু ও এর সংযোগকারী সড়ক। সেতুর দৈর্ঘ হবে ৬.৮৫ কিলোমিটার। এ প্রকল্পের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করেছে ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। ১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এজেন্সি ওই টেন্ডারে অংশ নিতে পারবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত কাজ শুরু করতে চায় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।
দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা জানান, শুক্রবার জাতীয় সড়ক নির্মাণকারী সংস্থা ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এনএইচএআই) টেন্ডার ডেকেছে। চার লেনের সেতু তৈরির পুরনো সিদ্ধান্ত বাতিল করে ছয় লেনের সেতু তৈরি হবে।
তিনি বলেন, বিকল্প সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। এটি তৈরি হলে শুধু ডুয়ার্সের সঙ্গে শিলিগুড়ির যোগাযোগ উন্নত হবে না। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে।’
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে কাজ শুরুর পর ৩ বছরের মধ্যে সেতু চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ডুয়ার্সের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার জন্য ১৯৪১ সালে তিস্তা নদীর ওপরে করোনেশন সেতু তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সেতুটিও পুরনো হয়েছে। এছাড়া চিকেনস নেক এলাকার পরিস্থিতিও পাল্টেছে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। ফলে চীন, নেপাল ও বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক বাহিনীর দ্রুত যাতায়াত ও রসদ পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। পুরনো সেতুটি এমনিতেই দুর্বল হয়ে পড়েছে, তার ওপর ২০১১ সালে ফাটল ধরা পড়ে। এর পর থেকে সেতু দিয়ে ১০ টন বা তার বেশি ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন নিরাপত্তার প্রয়োজনে বিকল্প সেতুর গুরুত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিকল্প সেতু তৈরির দাবি জোরালো হয়।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

চীন-বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে ভারতের উদ্যোগ
সিজেডএন ডেস্ক

সীমন্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে ভারতের বিরোধ দীর্ঘদিনের। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য হিমাচলকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে রাজ্যের একাধিক স্থানের নাম পরিবর্তন করেছে বেইজিং। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী স্থানে গোপনে সামরিক ঘাঁটিও স্থাপন করছে তারা, যা ভারতের দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ। এছাড়া নেপাল ও বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত নিয়েও ভারতের বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তে সামরিক বাহিনীর দ্রুত যাতায়াত ও রসদ পৌঁছে দিতে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। এরই অংশ হিসেবে শিলিগুড়ির চিকেনস নেক এলাকায় তিস্তা নদীর ওপর পুরোনো করোনেশন সেতুর বিকল্প হিসেবে নতুন ছয় লেনের সেতু নির্মাণ করছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।
প্রায় ৮৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে নতুন সেতু ও এর সংযোগকারী সড়ক। সেতুর দৈর্ঘ হবে ৬.৮৫ কিলোমিটার। এ প্রকল্পের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করেছে ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। ১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এজেন্সি ওই টেন্ডারে অংশ নিতে পারবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত কাজ শুরু করতে চায় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।
দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা জানান, শুক্রবার জাতীয় সড়ক নির্মাণকারী সংস্থা ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এনএইচএআই) টেন্ডার ডেকেছে। চার লেনের সেতু তৈরির পুরনো সিদ্ধান্ত বাতিল করে ছয় লেনের সেতু তৈরি হবে।
তিনি বলেন, বিকল্প সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। এটি তৈরি হলে শুধু ডুয়ার্সের সঙ্গে শিলিগুড়ির যোগাযোগ উন্নত হবে না। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে।’
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে কাজ শুরুর পর ৩ বছরের মধ্যে সেতু চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ডুয়ার্সের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার জন্য ১৯৪১ সালে তিস্তা নদীর ওপরে করোনেশন সেতু তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সেতুটিও পুরনো হয়েছে। এছাড়া চিকেনস নেক এলাকার পরিস্থিতিও পাল্টেছে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। ফলে চীন, নেপাল ও বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক বাহিনীর দ্রুত যাতায়াত ও রসদ পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। পুরনো সেতুটি এমনিতেই দুর্বল হয়ে পড়েছে, তার ওপর ২০১১ সালে ফাটল ধরা পড়ে। এর পর থেকে সেতু দিয়ে ১০ টন বা তার বেশি ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন নিরাপত্তার প্রয়োজনে বিকল্প সেতুর গুরুত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিকল্প সেতু তৈরির দাবি জোরালো হয়।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অমিত-শুভেন্দু, ‘চিকেনস নেক’ নিরাপত্তায় জোর







