ঘুমের সমস্যা দূর করবে ৫ খাবার

ঘুমের সমস্যা দূর করবে ৫ খাবার
সিজেডএন ডেস্ক

মানুষের শরীরের জন্য রাতের ঘুম খুবই জরুরি। পর্যপ্ত ঘুমের অভাবে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদিন ক্লান্তি ভাব থাকতে পারে। অনেকেরই কাজে আগের চেয়ে দিগুণ ক্লান্তি আসে। সেইসঙ্গে সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনা, চেনা মানুষের মুখ ও নামও ভুলে বসে আছেন। অথচ একসময় ছোটখাটো ঘটনাও মনে থাকত। এর প্রধান কারণ পর্যপ্ত ঘুমের অভাব।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে কর্টিসল কিংবা স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এটা একদিকে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে ‘ব্রেন ফগ’-এর লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।
‘ব্রেন ফগ’ কোনো বৈজ্ঞানিক ভাষা নয়। সাধারণত এ সমস্যায় আক্রান্তরা নিজেদের শারীরিক অবস্থা ব্যাখ্যা করার জন্য এ শব্দটি বলে থাকেন। এর ফলে আচমকা ভাবনা-চিন্তা শ্লথ হয়ে যাওয়া, মনোযোগের অভাব, স্মৃতিলোপ এবং অনিদ্রার মতো নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।
চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু যে হরমোনের কারণে ঘুমের সমস্যা বা স্মৃতিশক্তি লোপ পাচ্ছে তা নয়, এর সঙ্গে খাওয়া-দাওয়াও জড়িত। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ঘুমের নানা সমস্যা ও ভুলে যাওয়ার ব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে। যিনি বেশি মিষ্টিজাতীয় খাবার খান, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার বেশি খান, তার এমন সমস্যা বেশি হয়। অতিরিক্ত ক্যাফিনও মগজের জন্য ভালো নয়।
মুক্তি পেতে ৫ যেসব খাবার খাবেন
আখরোট ও কাঠবাদাম
এগুলোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও মেলাটোনিন, যা মস্তিষ্ক সচল রাখতে ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
কুসুম গরম দুধে থাকা ট্রিপটোফ্যান ও মেলাটোনিন স্নায়ু শান্ত করে। এতে দ্রুত ঘুমা চলে আসতে পারে।
কলা
কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও ট্রিপটোফ্যান পেশি শিথিল করে। এগুলো ঘুমের মান বৃদ্ধি করে।
ফ্যাটি ফিশ
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডে ভরপুর মাছ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সেইসঙ্গে সেরোটোনিন হরমোন বাড়িয়ে ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে।
টক চেরি বা চেরি জুস
এতে প্রাকৃতিকভাবে মেলাটোনিন থাকে, যা অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে। এগুলো ঘুমের সময় ও গভীরতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর।

মানুষের শরীরের জন্য রাতের ঘুম খুবই জরুরি। পর্যপ্ত ঘুমের অভাবে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদিন ক্লান্তি ভাব থাকতে পারে। অনেকেরই কাজে আগের চেয়ে দিগুণ ক্লান্তি আসে। সেইসঙ্গে সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনা, চেনা মানুষের মুখ ও নামও ভুলে বসে আছেন। অথচ একসময় ছোটখাটো ঘটনাও মনে থাকত। এর প্রধান কারণ পর্যপ্ত ঘুমের অভাব।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে কর্টিসল কিংবা স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এটা একদিকে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে ‘ব্রেন ফগ’-এর লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।
‘ব্রেন ফগ’ কোনো বৈজ্ঞানিক ভাষা নয়। সাধারণত এ সমস্যায় আক্রান্তরা নিজেদের শারীরিক অবস্থা ব্যাখ্যা করার জন্য এ শব্দটি বলে থাকেন। এর ফলে আচমকা ভাবনা-চিন্তা শ্লথ হয়ে যাওয়া, মনোযোগের অভাব, স্মৃতিলোপ এবং অনিদ্রার মতো নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।
চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু যে হরমোনের কারণে ঘুমের সমস্যা বা স্মৃতিশক্তি লোপ পাচ্ছে তা নয়, এর সঙ্গে খাওয়া-দাওয়াও জড়িত। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ঘুমের নানা সমস্যা ও ভুলে যাওয়ার ব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে। যিনি বেশি মিষ্টিজাতীয় খাবার খান, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার বেশি খান, তার এমন সমস্যা বেশি হয়। অতিরিক্ত ক্যাফিনও মগজের জন্য ভালো নয়।
মুক্তি পেতে ৫ যেসব খাবার খাবেন
আখরোট ও কাঠবাদাম
এগুলোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও মেলাটোনিন, যা মস্তিষ্ক সচল রাখতে ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
কুসুম গরম দুধে থাকা ট্রিপটোফ্যান ও মেলাটোনিন স্নায়ু শান্ত করে। এতে দ্রুত ঘুমা চলে আসতে পারে।
কলা
কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও ট্রিপটোফ্যান পেশি শিথিল করে। এগুলো ঘুমের মান বৃদ্ধি করে।
ফ্যাটি ফিশ
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডে ভরপুর মাছ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সেইসঙ্গে সেরোটোনিন হরমোন বাড়িয়ে ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে।
টক চেরি বা চেরি জুস
এতে প্রাকৃতিকভাবে মেলাটোনিন থাকে, যা অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে। এগুলো ঘুমের সময় ও গভীরতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর।

ঘুমের সমস্যা দূর করবে ৫ খাবার
সিজেডএন ডেস্ক

মানুষের শরীরের জন্য রাতের ঘুম খুবই জরুরি। পর্যপ্ত ঘুমের অভাবে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদিন ক্লান্তি ভাব থাকতে পারে। অনেকেরই কাজে আগের চেয়ে দিগুণ ক্লান্তি আসে। সেইসঙ্গে সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনা, চেনা মানুষের মুখ ও নামও ভুলে বসে আছেন। অথচ একসময় ছোটখাটো ঘটনাও মনে থাকত। এর প্রধান কারণ পর্যপ্ত ঘুমের অভাব।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে কর্টিসল কিংবা স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এটা একদিকে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে ‘ব্রেন ফগ’-এর লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।
‘ব্রেন ফগ’ কোনো বৈজ্ঞানিক ভাষা নয়। সাধারণত এ সমস্যায় আক্রান্তরা নিজেদের শারীরিক অবস্থা ব্যাখ্যা করার জন্য এ শব্দটি বলে থাকেন। এর ফলে আচমকা ভাবনা-চিন্তা শ্লথ হয়ে যাওয়া, মনোযোগের অভাব, স্মৃতিলোপ এবং অনিদ্রার মতো নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।
চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু যে হরমোনের কারণে ঘুমের সমস্যা বা স্মৃতিশক্তি লোপ পাচ্ছে তা নয়, এর সঙ্গে খাওয়া-দাওয়াও জড়িত। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ঘুমের নানা সমস্যা ও ভুলে যাওয়ার ব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে। যিনি বেশি মিষ্টিজাতীয় খাবার খান, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার বেশি খান, তার এমন সমস্যা বেশি হয়। অতিরিক্ত ক্যাফিনও মগজের জন্য ভালো নয়।
মুক্তি পেতে ৫ যেসব খাবার খাবেন
আখরোট ও কাঠবাদাম
এগুলোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও মেলাটোনিন, যা মস্তিষ্ক সচল রাখতে ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
কুসুম গরম দুধে থাকা ট্রিপটোফ্যান ও মেলাটোনিন স্নায়ু শান্ত করে। এতে দ্রুত ঘুমা চলে আসতে পারে।
কলা
কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও ট্রিপটোফ্যান পেশি শিথিল করে। এগুলো ঘুমের মান বৃদ্ধি করে।
ফ্যাটি ফিশ
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডে ভরপুর মাছ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সেইসঙ্গে সেরোটোনিন হরমোন বাড়িয়ে ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে।
টক চেরি বা চেরি জুস
এতে প্রাকৃতিকভাবে মেলাটোনিন থাকে, যা অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে। এগুলো ঘুমের সময় ও গভীরতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর।

ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে? অজান্তেই হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি







