ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে? অজান্তেই হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি

ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে? অজান্তেই হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তির উন্নতি ও সহজলভ্যতার ফলে এখন সবার হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিশাল একটি জায়গা দখল করেছে। অনেকে ঘুম থেকে উঠেই স্মার্টফোন হাতে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ডুবে যান সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু করে সারাদিন তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ এবং সামাজিকমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠছে। মনস্তাত্ত্বিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দৈনন্দিন কাজের চাপের চেয়েও মস্তিষ্কে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত তথ্য প্রবেশ এবং সবকিছু নিয়ে অতিরিক্ত সচেতন থাকা মানুষকে দ্রুত অবসাদগ্রস্ত করে তুলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মন একটি নির্দিষ্ট ও ছোট সামাজিক পরিমণ্ডলে সীমিত সমস্যা মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে উঠেছিল। তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগে দূরবর্তী অঞ্চলের সংকট, যুদ্ধ, অন্যের ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য বা ভ্রমণের ঝলকানি সবসময় চোখের সামনে হাজির হচ্ছে। এতে নিজের বাস্তব জীবনের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র না থাকা সত্ত্বেও মানুষ অবচেতনভাবেই পৃথিবীর বহু বিষয়ের মানসিক চাপ নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে।
অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে অন্যের আপাত সফল জীবনের সঙ্গে নিজের বাস্তবতার তুলনা করেন। এতে মানসিক ভার আরও বেড়ে যাচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে কেবল মানুষের জীবনের বাছাই করা ইতিবাচক মুহূর্তগুলোই প্রদর্শিত হয়। তবে এটা পুরো জীবনের প্রতিচ্ছবি নয়। এই কৃত্রিম তুলনায় জড়িয়ে পড়ার ফলে ব্যক্তি নিজের সক্ষমতা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি একধরনের অযাচিত অতৃপ্তিতেও ভোগেন।
এ ধরনের মানসিক সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে জীবনযাত্রায় কিছু মৌলিক শৃঙ্খলার কথা বলেছেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি দুশ্চিন্তায় একবারে ভারাক্রান্ত না হয়ে সময়কে ছোট করে আনতে হবে। প্রতিদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করার ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি কোন বিষয়টি নিজের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং কোনটি শুধুই তথ্য-এই পার্থক্য স্পষ্ট করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের মানসিক দায় নেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরি।
এর পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রেও লাগাম টানতে হবে। নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে হবে। সারাদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদের পেছনে না ছুটে দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় নিজেকে এগুলোতে যুক্ত করতে পারেন। সেইসঙ্গে সব বিষয় একসঙ্গে সামলানোর মানসিকতা পরিহার করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় তথ্য ও তুলনা জীবন থেকে বাদ দিতে হবে। এটি মানসিক অবসাদ কাটানোর সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।

প্রযুক্তির উন্নতি ও সহজলভ্যতার ফলে এখন সবার হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিশাল একটি জায়গা দখল করেছে। অনেকে ঘুম থেকে উঠেই স্মার্টফোন হাতে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ডুবে যান সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু করে সারাদিন তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ এবং সামাজিকমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠছে। মনস্তাত্ত্বিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দৈনন্দিন কাজের চাপের চেয়েও মস্তিষ্কে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত তথ্য প্রবেশ এবং সবকিছু নিয়ে অতিরিক্ত সচেতন থাকা মানুষকে দ্রুত অবসাদগ্রস্ত করে তুলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মন একটি নির্দিষ্ট ও ছোট সামাজিক পরিমণ্ডলে সীমিত সমস্যা মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে উঠেছিল। তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগে দূরবর্তী অঞ্চলের সংকট, যুদ্ধ, অন্যের ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য বা ভ্রমণের ঝলকানি সবসময় চোখের সামনে হাজির হচ্ছে। এতে নিজের বাস্তব জীবনের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র না থাকা সত্ত্বেও মানুষ অবচেতনভাবেই পৃথিবীর বহু বিষয়ের মানসিক চাপ নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে।
অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে অন্যের আপাত সফল জীবনের সঙ্গে নিজের বাস্তবতার তুলনা করেন। এতে মানসিক ভার আরও বেড়ে যাচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে কেবল মানুষের জীবনের বাছাই করা ইতিবাচক মুহূর্তগুলোই প্রদর্শিত হয়। তবে এটা পুরো জীবনের প্রতিচ্ছবি নয়। এই কৃত্রিম তুলনায় জড়িয়ে পড়ার ফলে ব্যক্তি নিজের সক্ষমতা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি একধরনের অযাচিত অতৃপ্তিতেও ভোগেন।
এ ধরনের মানসিক সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে জীবনযাত্রায় কিছু মৌলিক শৃঙ্খলার কথা বলেছেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি দুশ্চিন্তায় একবারে ভারাক্রান্ত না হয়ে সময়কে ছোট করে আনতে হবে। প্রতিদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করার ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি কোন বিষয়টি নিজের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং কোনটি শুধুই তথ্য-এই পার্থক্য স্পষ্ট করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের মানসিক দায় নেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরি।
এর পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রেও লাগাম টানতে হবে। নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে হবে। সারাদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদের পেছনে না ছুটে দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় নিজেকে এগুলোতে যুক্ত করতে পারেন। সেইসঙ্গে সব বিষয় একসঙ্গে সামলানোর মানসিকতা পরিহার করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় তথ্য ও তুলনা জীবন থেকে বাদ দিতে হবে। এটি মানসিক অবসাদ কাটানোর সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।

ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে? অজান্তেই হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি
সিজেডএন ডেস্ক

প্রযুক্তির উন্নতি ও সহজলভ্যতার ফলে এখন সবার হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিশাল একটি জায়গা দখল করেছে। অনেকে ঘুম থেকে উঠেই স্মার্টফোন হাতে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ডুবে যান সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে শুরু করে সারাদিন তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ এবং সামাজিকমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠছে। মনস্তাত্ত্বিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দৈনন্দিন কাজের চাপের চেয়েও মস্তিষ্কে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত তথ্য প্রবেশ এবং সবকিছু নিয়ে অতিরিক্ত সচেতন থাকা মানুষকে দ্রুত অবসাদগ্রস্ত করে তুলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মন একটি নির্দিষ্ট ও ছোট সামাজিক পরিমণ্ডলে সীমিত সমস্যা মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে উঠেছিল। তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগে দূরবর্তী অঞ্চলের সংকট, যুদ্ধ, অন্যের ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য বা ভ্রমণের ঝলকানি সবসময় চোখের সামনে হাজির হচ্ছে। এতে নিজের বাস্তব জীবনের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র না থাকা সত্ত্বেও মানুষ অবচেতনভাবেই পৃথিবীর বহু বিষয়ের মানসিক চাপ নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে।
অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে অন্যের আপাত সফল জীবনের সঙ্গে নিজের বাস্তবতার তুলনা করেন। এতে মানসিক ভার আরও বেড়ে যাচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে কেবল মানুষের জীবনের বাছাই করা ইতিবাচক মুহূর্তগুলোই প্রদর্শিত হয়। তবে এটা পুরো জীবনের প্রতিচ্ছবি নয়। এই কৃত্রিম তুলনায় জড়িয়ে পড়ার ফলে ব্যক্তি নিজের সক্ষমতা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি একধরনের অযাচিত অতৃপ্তিতেও ভোগেন।
এ ধরনের মানসিক সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে জীবনযাত্রায় কিছু মৌলিক শৃঙ্খলার কথা বলেছেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি দুশ্চিন্তায় একবারে ভারাক্রান্ত না হয়ে সময়কে ছোট করে আনতে হবে। প্রতিদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করার ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি কোন বিষয়টি নিজের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং কোনটি শুধুই তথ্য-এই পার্থক্য স্পষ্ট করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের মানসিক দায় নেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরি।
এর পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রেও লাগাম টানতে হবে। নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে হবে। সারাদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদের পেছনে না ছুটে দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় নিজেকে এগুলোতে যুক্ত করতে পারেন। সেইসঙ্গে সব বিষয় একসঙ্গে সামলানোর মানসিকতা পরিহার করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় তথ্য ও তুলনা জীবন থেকে বাদ দিতে হবে। এটি মানসিক অবসাদ কাটানোর সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।

কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী







