আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা পাকিস্তানের

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা পাকিস্তানের
সিটিজেন ডেস্ক

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া শহরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সীমান্তে আফগান তালেবানের অভিযানে দুজন সেনা নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এ হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ ঘোষণা করে সামাজিকমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়েছেন। বিবিসি, আল জাজিরা
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ১৩৩ জন আফগান তালেবান নিহত হয়েছে এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছে। আফগান তালেবানের ২৭টি সামরিক পোস্ট ধ্বংস এবং ৯টি দখল করা হয়েছে। এছাড়া ৮০টিরও বেশি ট্যাংক, কামান এবং অস্ত্রধারী সৈন্যবাহী যান (এপিসি) ধ্বংস করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে খাজা মোহাম্মদ আসিফ এক্স পোস্টে লেখেন, পাকিস্তান সরাসরি ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও লেখেন, ‘আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে। এখন তোমাদের সঙ্গে আমাদের প্রকাশ্য যুদ্ধ।’
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, তার দেশের বাহিনী ‘যেকোনো আগ্রাসী উদ্দেশ্য নস্যাৎ করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।’ পাকিস্তান সরকারের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় কোনো আপস হবে না এবং প্রতিটি আগ্রাসনের জবাব উপযুক্তভাবে দেওয়া হবে।’
গত অক্টোবরে একাধিক প্রাণক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই পক্ষ একটি নাজুক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল, যদিও পরবর্তীতেও সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে।
গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে একাধিক রাতে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। তালেবানের দাবি, এসব হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছে।
সীমান্তের কাছে সাতটি কথিত জঙ্গি শিবির ও আস্তানাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা তখন পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। এর আগে পাকিস্তানে বেশ কয়েকটি আত্মঘাতী হামলা ঘটে।
অন্যদিকে কাবুল জানিয়েছে, বেসামরিক বাড়ি ও একটি ধর্মীয় বিদ্যালয়কে নিশানা করেছিল পাকিস্তান।
আফগান তালেবান বলেছে, প্রতিক্রিয়া জানাতে তারা ‘বৃহৎ পরিসরে’ অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার তারা দাবি করেছে, তাদের অভিযানে ‘অসংখ্য’ পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এক মুখপাত্র এ দাবি অস্বীকার করেন এবং তালেবান মুখপাত্র মুজাহিদের ১৫টি সামরিক পোস্ট দখলের দাবিও খণ্ডন করেন।
পরে ওইদিন পাকিস্তান নিশ্চিত করে, যৌথ সীমান্তে ‘উসকানিবিহীন গুলি’র জবাব দিতে গিয়ে তাদের দুই সেনা নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি আফগান তালেবান হামলার বিরুদ্ধে তার দেশের প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক্সে তিনি লেখেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া সর্বাঙ্গীন ও দৃঢ়। যারা আমাদের শান্তিকে দুর্বলতা মনে করে, তারা কঠোর জবাব পাবে এবং কেউই ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে না।’
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে ২ হাজার ৫৭৪ কিলোমিটারের পাহাড়ি সীমান্ত রয়েছে।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া শহরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সীমান্তে আফগান তালেবানের অভিযানে দুজন সেনা নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এ হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ ঘোষণা করে সামাজিকমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়েছেন। বিবিসি, আল জাজিরা
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ১৩৩ জন আফগান তালেবান নিহত হয়েছে এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছে। আফগান তালেবানের ২৭টি সামরিক পোস্ট ধ্বংস এবং ৯টি দখল করা হয়েছে। এছাড়া ৮০টিরও বেশি ট্যাংক, কামান এবং অস্ত্রধারী সৈন্যবাহী যান (এপিসি) ধ্বংস করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে খাজা মোহাম্মদ আসিফ এক্স পোস্টে লেখেন, পাকিস্তান সরাসরি ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও লেখেন, ‘আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে। এখন তোমাদের সঙ্গে আমাদের প্রকাশ্য যুদ্ধ।’
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, তার দেশের বাহিনী ‘যেকোনো আগ্রাসী উদ্দেশ্য নস্যাৎ করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।’ পাকিস্তান সরকারের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় কোনো আপস হবে না এবং প্রতিটি আগ্রাসনের জবাব উপযুক্তভাবে দেওয়া হবে।’
গত অক্টোবরে একাধিক প্রাণক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই পক্ষ একটি নাজুক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল, যদিও পরবর্তীতেও সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে।
গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে একাধিক রাতে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। তালেবানের দাবি, এসব হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছে।
সীমান্তের কাছে সাতটি কথিত জঙ্গি শিবির ও আস্তানাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা তখন পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। এর আগে পাকিস্তানে বেশ কয়েকটি আত্মঘাতী হামলা ঘটে।
অন্যদিকে কাবুল জানিয়েছে, বেসামরিক বাড়ি ও একটি ধর্মীয় বিদ্যালয়কে নিশানা করেছিল পাকিস্তান।
আফগান তালেবান বলেছে, প্রতিক্রিয়া জানাতে তারা ‘বৃহৎ পরিসরে’ অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার তারা দাবি করেছে, তাদের অভিযানে ‘অসংখ্য’ পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এক মুখপাত্র এ দাবি অস্বীকার করেন এবং তালেবান মুখপাত্র মুজাহিদের ১৫টি সামরিক পোস্ট দখলের দাবিও খণ্ডন করেন।
পরে ওইদিন পাকিস্তান নিশ্চিত করে, যৌথ সীমান্তে ‘উসকানিবিহীন গুলি’র জবাব দিতে গিয়ে তাদের দুই সেনা নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি আফগান তালেবান হামলার বিরুদ্ধে তার দেশের প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক্সে তিনি লেখেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া সর্বাঙ্গীন ও দৃঢ়। যারা আমাদের শান্তিকে দুর্বলতা মনে করে, তারা কঠোর জবাব পাবে এবং কেউই ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে না।’
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে ২ হাজার ৫৭৪ কিলোমিটারের পাহাড়ি সীমান্ত রয়েছে।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা পাকিস্তানের
সিটিজেন ডেস্ক

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া শহরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সীমান্তে আফগান তালেবানের অভিযানে দুজন সেনা নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এ হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ ঘোষণা করে সামাজিকমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়েছেন। বিবিসি, আল জাজিরা
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ১৩৩ জন আফগান তালেবান নিহত হয়েছে এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছে। আফগান তালেবানের ২৭টি সামরিক পোস্ট ধ্বংস এবং ৯টি দখল করা হয়েছে। এছাড়া ৮০টিরও বেশি ট্যাংক, কামান এবং অস্ত্রধারী সৈন্যবাহী যান (এপিসি) ধ্বংস করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে খাজা মোহাম্মদ আসিফ এক্স পোস্টে লেখেন, পাকিস্তান সরাসরি ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও লেখেন, ‘আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে। এখন তোমাদের সঙ্গে আমাদের প্রকাশ্য যুদ্ধ।’
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, তার দেশের বাহিনী ‘যেকোনো আগ্রাসী উদ্দেশ্য নস্যাৎ করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।’ পাকিস্তান সরকারের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রিয় মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় কোনো আপস হবে না এবং প্রতিটি আগ্রাসনের জবাব উপযুক্তভাবে দেওয়া হবে।’
গত অক্টোবরে একাধিক প্রাণক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই পক্ষ একটি নাজুক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল, যদিও পরবর্তীতেও সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে।
গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে একাধিক রাতে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। তালেবানের দাবি, এসব হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছে।
সীমান্তের কাছে সাতটি কথিত জঙ্গি শিবির ও আস্তানাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা তখন পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। এর আগে পাকিস্তানে বেশ কয়েকটি আত্মঘাতী হামলা ঘটে।
অন্যদিকে কাবুল জানিয়েছে, বেসামরিক বাড়ি ও একটি ধর্মীয় বিদ্যালয়কে নিশানা করেছিল পাকিস্তান।
আফগান তালেবান বলেছে, প্রতিক্রিয়া জানাতে তারা ‘বৃহৎ পরিসরে’ অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার তারা দাবি করেছে, তাদের অভিযানে ‘অসংখ্য’ পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এক মুখপাত্র এ দাবি অস্বীকার করেন এবং তালেবান মুখপাত্র মুজাহিদের ১৫টি সামরিক পোস্ট দখলের দাবিও খণ্ডন করেন।
পরে ওইদিন পাকিস্তান নিশ্চিত করে, যৌথ সীমান্তে ‘উসকানিবিহীন গুলি’র জবাব দিতে গিয়ে তাদের দুই সেনা নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি আফগান তালেবান হামলার বিরুদ্ধে তার দেশের প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক্সে তিনি লেখেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া সর্বাঙ্গীন ও দৃঢ়। যারা আমাদের শান্তিকে দুর্বলতা মনে করে, তারা কঠোর জবাব পাবে এবং কেউই ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে না।’
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে ২ হাজার ৫৭৪ কিলোমিটারের পাহাড়ি সীমান্ত রয়েছে।




