হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি: সারজিস

হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি: সারজিস
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করেছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের মারধর করেছে। কারো হাত ভেঙে গেছে, কারো মাথা ফেটে গেছে। ক্যামেরা-ফোন সব জি কে গউছের ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গেছে। আমাদের একজন ভাইয়ের চোখে রড দিয়ে যখন গুতা মারছে, তার চোখ বের হয়ে আসার মতো অবস্থা। আহতদের হাসপাতালে নিতেও বাধা দিয়েছে। হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জে অবস্থান করবো।
তিনি বলেন, আমরা যখন আমাদের আহত ৭-৮জন ভাইকে নিয়ে সদর হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন সদর হাসপাতালের সামনে চব্বিশের জুলাইয়ের সময় যেমন খুনি বাহিনী ঢাকা মেডিকেলের গেটে আক্রমণ করছিল। একইভাবে আমাদেরকে খুনি বাহিনী আক্রমণ করে। ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা, জি কে গউছের ক্যাডাররা আমাদের হাসপাতালে পর্যন্ত ঢুকতে দেয় নাই।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা এখানে পুলিশ দেখলাম। আমাদের সামনে থাকা তো দূরের কথা, এত বড় হামলার পরে তারা পেছনে দাঁড়ায় দাঁড়ায় নাটক দেখতেছে। এই যদি হয় বাংলাদেশের অবস্থা, তাহলে তারেক রহমানকে জবাব দিতে হবে। এটা কি তারেক রহমানের সন্ত্রাসী বাহিনী? শুধুমাত্র দ্বিমত করার কারণে, সমালোচনা করার কারণে এভাবে আক্রমণ করতেছে। সালাহউদ্দিন আহমদকেও জবাব দিতে হবে। তারা কি এই জি কে গউছদেরকে এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ঠিকাদারি দিয়ে রাখছেন কিনা।
তিনি বলেন, এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি। যদি পারে আমাদেরকে মেরে ফেলবে। এখান থেকে প্রয়োজনে আমাদের লাশ যাবে। কিন্তু এর বিচার, এর জবাব তারেক রহমানকে দিতে হবে।

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করেছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের মারধর করেছে। কারো হাত ভেঙে গেছে, কারো মাথা ফেটে গেছে। ক্যামেরা-ফোন সব জি কে গউছের ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গেছে। আমাদের একজন ভাইয়ের চোখে রড দিয়ে যখন গুতা মারছে, তার চোখ বের হয়ে আসার মতো অবস্থা। আহতদের হাসপাতালে নিতেও বাধা দিয়েছে। হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জে অবস্থান করবো।
তিনি বলেন, আমরা যখন আমাদের আহত ৭-৮জন ভাইকে নিয়ে সদর হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন সদর হাসপাতালের সামনে চব্বিশের জুলাইয়ের সময় যেমন খুনি বাহিনী ঢাকা মেডিকেলের গেটে আক্রমণ করছিল। একইভাবে আমাদেরকে খুনি বাহিনী আক্রমণ করে। ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা, জি কে গউছের ক্যাডাররা আমাদের হাসপাতালে পর্যন্ত ঢুকতে দেয় নাই।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা এখানে পুলিশ দেখলাম। আমাদের সামনে থাকা তো দূরের কথা, এত বড় হামলার পরে তারা পেছনে দাঁড়ায় দাঁড়ায় নাটক দেখতেছে। এই যদি হয় বাংলাদেশের অবস্থা, তাহলে তারেক রহমানকে জবাব দিতে হবে। এটা কি তারেক রহমানের সন্ত্রাসী বাহিনী? শুধুমাত্র দ্বিমত করার কারণে, সমালোচনা করার কারণে এভাবে আক্রমণ করতেছে। সালাহউদ্দিন আহমদকেও জবাব দিতে হবে। তারা কি এই জি কে গউছদেরকে এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ঠিকাদারি দিয়ে রাখছেন কিনা।
তিনি বলেন, এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি। যদি পারে আমাদেরকে মেরে ফেলবে। এখান থেকে প্রয়োজনে আমাদের লাশ যাবে। কিন্তু এর বিচার, এর জবাব তারেক রহমানকে দিতে হবে।

হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি: সারজিস
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করেছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের মারধর করেছে। কারো হাত ভেঙে গেছে, কারো মাথা ফেটে গেছে। ক্যামেরা-ফোন সব জি কে গউছের ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গেছে। আমাদের একজন ভাইয়ের চোখে রড দিয়ে যখন গুতা মারছে, তার চোখ বের হয়ে আসার মতো অবস্থা। আহতদের হাসপাতালে নিতেও বাধা দিয়েছে। হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জে অবস্থান করবো।
তিনি বলেন, আমরা যখন আমাদের আহত ৭-৮জন ভাইকে নিয়ে সদর হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন সদর হাসপাতালের সামনে চব্বিশের জুলাইয়ের সময় যেমন খুনি বাহিনী ঢাকা মেডিকেলের গেটে আক্রমণ করছিল। একইভাবে আমাদেরকে খুনি বাহিনী আক্রমণ করে। ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা, জি কে গউছের ক্যাডাররা আমাদের হাসপাতালে পর্যন্ত ঢুকতে দেয় নাই।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা এখানে পুলিশ দেখলাম। আমাদের সামনে থাকা তো দূরের কথা, এত বড় হামলার পরে তারা পেছনে দাঁড়ায় দাঁড়ায় নাটক দেখতেছে। এই যদি হয় বাংলাদেশের অবস্থা, তাহলে তারেক রহমানকে জবাব দিতে হবে। এটা কি তারেক রহমানের সন্ত্রাসী বাহিনী? শুধুমাত্র দ্বিমত করার কারণে, সমালোচনা করার কারণে এভাবে আক্রমণ করতেছে। সালাহউদ্দিন আহমদকেও জবাব দিতে হবে। তারা কি এই জি কে গউছদেরকে এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ঠিকাদারি দিয়ে রাখছেন কিনা।
তিনি বলেন, এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি। যদি পারে আমাদেরকে মেরে ফেলবে। এখান থেকে প্রয়োজনে আমাদের লাশ যাবে। কিন্তু এর বিচার, এর জবাব তারেক রহমানকে দিতে হবে।

এনসিপির গাড়িবহরে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদের





