যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিপর্যয়, বাতিল হাজার হাজার ফ্লাইট

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিপর্যয়, বাতিল হাজার হাজার ফ্লাইট

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ঐতিহাসিক শীতকালীন তুষারঝড় আঘান হানা শুরু করেছে। এর ফলে কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়া নিউইয়র্ক সিটিতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
প্রায় ৫৯ মিলিয়ন মানুষ আবহাওয়া সতর্কতার আওতায় আছেন এবং পুরো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। কয়েকটি রাজ্য ঝড়ের কারণে ভ্রমণ সীমাবদ্ধতা বা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, একইসঙ্গে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটএওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত মোট ৫,৩২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এর আগে ম্যাসাচুসেটস, কানেকটিকাট, ডেলাওয়ার, নিউ জার্সি ও রোড আইল্যান্ডসহ একাধিক অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। তুষারপাত, প্রবল বাতাস ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে আকাশপথে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, উপকূলীয় মিড-আটলান্টিক অঞ্চল থেকে মেইন পর্যন্ত ভারী তুষারপাত, শক্তিশালী বাতাস ও উপকূলীয় বন্যা দেখা দিতে পারে। কোথাও কোথাও প্রতি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ৬ সেমি পর্যন্ত তুষারপাত হতে পারে। মোট তুষারপাত ৩০ দশমিক ৫ থেকে ৬১ সেমি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ফলে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
এনডব্লিউএস আরও জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৬০ মাইল (১০০ কিমি) বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ভারী, ভেজা তুষারের চাপ ও দমকা হাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কাও রয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে আগেভাগেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি ও লং আইল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটসের বস্টনসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় ব্লিজার্ড সতর্কতা জারি রয়েছে।
মেয়র মামদানি জানান, রবিবার রাত ৯টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত শহরের সড়ক, মহাসড়ক ও সেতু বন্ধ থাকবে। জরুরি সেবা কর্মী ও বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রায় ৮০ লাখের বেশি জনসংখ্যার এই শহরে এমন তীব্র ঝড় গত এক দশকে দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেন মেয়র।

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ঐতিহাসিক শীতকালীন তুষারঝড় আঘান হানা শুরু করেছে। এর ফলে কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়া নিউইয়র্ক সিটিতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
প্রায় ৫৯ মিলিয়ন মানুষ আবহাওয়া সতর্কতার আওতায় আছেন এবং পুরো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। কয়েকটি রাজ্য ঝড়ের কারণে ভ্রমণ সীমাবদ্ধতা বা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, একইসঙ্গে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটএওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত মোট ৫,৩২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এর আগে ম্যাসাচুসেটস, কানেকটিকাট, ডেলাওয়ার, নিউ জার্সি ও রোড আইল্যান্ডসহ একাধিক অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। তুষারপাত, প্রবল বাতাস ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে আকাশপথে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, উপকূলীয় মিড-আটলান্টিক অঞ্চল থেকে মেইন পর্যন্ত ভারী তুষারপাত, শক্তিশালী বাতাস ও উপকূলীয় বন্যা দেখা দিতে পারে। কোথাও কোথাও প্রতি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ৬ সেমি পর্যন্ত তুষারপাত হতে পারে। মোট তুষারপাত ৩০ দশমিক ৫ থেকে ৬১ সেমি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ফলে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
এনডব্লিউএস আরও জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৬০ মাইল (১০০ কিমি) বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ভারী, ভেজা তুষারের চাপ ও দমকা হাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কাও রয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে আগেভাগেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি ও লং আইল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটসের বস্টনসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় ব্লিজার্ড সতর্কতা জারি রয়েছে।
মেয়র মামদানি জানান, রবিবার রাত ৯টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত শহরের সড়ক, মহাসড়ক ও সেতু বন্ধ থাকবে। জরুরি সেবা কর্মী ও বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রায় ৮০ লাখের বেশি জনসংখ্যার এই শহরে এমন তীব্র ঝড় গত এক দশকে দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেন মেয়র।

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিপর্যয়, বাতিল হাজার হাজার ফ্লাইট

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ঐতিহাসিক শীতকালীন তুষারঝড় আঘান হানা শুরু করেছে। এর ফলে কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়া নিউইয়র্ক সিটিতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
প্রায় ৫৯ মিলিয়ন মানুষ আবহাওয়া সতর্কতার আওতায় আছেন এবং পুরো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। কয়েকটি রাজ্য ঝড়ের কারণে ভ্রমণ সীমাবদ্ধতা বা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, একইসঙ্গে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটএওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত মোট ৫,৩২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এর আগে ম্যাসাচুসেটস, কানেকটিকাট, ডেলাওয়ার, নিউ জার্সি ও রোড আইল্যান্ডসহ একাধিক অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। তুষারপাত, প্রবল বাতাস ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে আকাশপথে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিভিন্ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, উপকূলীয় মিড-আটলান্টিক অঞ্চল থেকে মেইন পর্যন্ত ভারী তুষারপাত, শক্তিশালী বাতাস ও উপকূলীয় বন্যা দেখা দিতে পারে। কোথাও কোথাও প্রতি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ৬ সেমি পর্যন্ত তুষারপাত হতে পারে। মোট তুষারপাত ৩০ দশমিক ৫ থেকে ৬১ সেমি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ফলে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
এনডব্লিউএস আরও জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৬০ মাইল (১০০ কিমি) বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ভারী, ভেজা তুষারের চাপ ও দমকা হাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কাও রয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে আগেভাগেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি ও লং আইল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটসের বস্টনসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় ব্লিজার্ড সতর্কতা জারি রয়েছে।
মেয়র মামদানি জানান, রবিবার রাত ৯টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত শহরের সড়ক, মহাসড়ক ও সেতু বন্ধ থাকবে। জরুরি সেবা কর্মী ও বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রায় ৮০ লাখের বেশি জনসংখ্যার এই শহরে এমন তীব্র ঝড় গত এক দশকে দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেন মেয়র।




