ভাঙনের কাছাকাছি পশ্চিমা জোট ন্যাটো

ভাঙনের কাছাকাছি পশ্চিমা জোট ন্যাটো
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ভেতরে বিভাজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় তীব্র হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটো মিত্রদের প্রতি সমালোচনামুখর—বিশেষ করে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে।
এমনকি ন্যাটোর সদস্য দেশ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তার সাম্প্রতিক মন্তব্যও জোটের ভেতরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর যুক্ত না হওয়া এই বিভাজনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প মিত্রদের সমর্থনের অভাবকে ন্যাটোর জন্য ‘অমোচনীয় কলঙ্ক’ বলে মন্তব্য করেন, যা জোটের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কে আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।
এর পরপরই জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ আরও স্পষ্টভাবে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি ‘একটি আন্তঃআটলান্টিক কঠিন পরীক্ষায়’ রূপ নিয়েছে। তার এই মন্তব্য ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কৌশলগত দূরত্বের বিষয়টি আরও সামনে নিয়ে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এই প্রশ্নটিকেই নতুন করে জোরালো করেছে—যুক্তরাষ্ট্র যদি ভবিষ্যতে জোট থেকে সরে দাঁড়ায় তবে ন্যাটো কি আগের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবে?
সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির অ্যাডজাঙ্কট সিনিয়র ফেলো জিম টাউনসেন্ড বলেন, ‘বর্তমান বা পরবর্তী মার্কিন প্রশাসনের অধীনেও ন্যাটোর আগের মতো স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাওয়া কঠিন।’
তার মতে, ‘আমরা জোট হিসেবে ভাঙনের এতটা কাছাকাছি আগে কখনো ছিলাম না।’

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ভেতরে বিভাজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় তীব্র হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটো মিত্রদের প্রতি সমালোচনামুখর—বিশেষ করে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে।
এমনকি ন্যাটোর সদস্য দেশ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তার সাম্প্রতিক মন্তব্যও জোটের ভেতরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর যুক্ত না হওয়া এই বিভাজনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প মিত্রদের সমর্থনের অভাবকে ন্যাটোর জন্য ‘অমোচনীয় কলঙ্ক’ বলে মন্তব্য করেন, যা জোটের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কে আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।
এর পরপরই জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ আরও স্পষ্টভাবে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি ‘একটি আন্তঃআটলান্টিক কঠিন পরীক্ষায়’ রূপ নিয়েছে। তার এই মন্তব্য ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কৌশলগত দূরত্বের বিষয়টি আরও সামনে নিয়ে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এই প্রশ্নটিকেই নতুন করে জোরালো করেছে—যুক্তরাষ্ট্র যদি ভবিষ্যতে জোট থেকে সরে দাঁড়ায় তবে ন্যাটো কি আগের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবে?
সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির অ্যাডজাঙ্কট সিনিয়র ফেলো জিম টাউনসেন্ড বলেন, ‘বর্তমান বা পরবর্তী মার্কিন প্রশাসনের অধীনেও ন্যাটোর আগের মতো স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাওয়া কঠিন।’
তার মতে, ‘আমরা জোট হিসেবে ভাঙনের এতটা কাছাকাছি আগে কখনো ছিলাম না।’

ভাঙনের কাছাকাছি পশ্চিমা জোট ন্যাটো
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ভেতরে বিভাজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় তীব্র হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটো মিত্রদের প্রতি সমালোচনামুখর—বিশেষ করে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে।
এমনকি ন্যাটোর সদস্য দেশ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তার সাম্প্রতিক মন্তব্যও জোটের ভেতরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর যুক্ত না হওয়া এই বিভাজনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প মিত্রদের সমর্থনের অভাবকে ন্যাটোর জন্য ‘অমোচনীয় কলঙ্ক’ বলে মন্তব্য করেন, যা জোটের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কে আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।
এর পরপরই জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ আরও স্পষ্টভাবে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি ‘একটি আন্তঃআটলান্টিক কঠিন পরীক্ষায়’ রূপ নিয়েছে। তার এই মন্তব্য ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কৌশলগত দূরত্বের বিষয়টি আরও সামনে নিয়ে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এই প্রশ্নটিকেই নতুন করে জোরালো করেছে—যুক্তরাষ্ট্র যদি ভবিষ্যতে জোট থেকে সরে দাঁড়ায় তবে ন্যাটো কি আগের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবে?
সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির অ্যাডজাঙ্কট সিনিয়র ফেলো জিম টাউনসেন্ড বলেন, ‘বর্তমান বা পরবর্তী মার্কিন প্রশাসনের অধীনেও ন্যাটোর আগের মতো স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাওয়া কঠিন।’
তার মতে, ‘আমরা জোট হিসেবে ভাঙনের এতটা কাছাকাছি আগে কখনো ছিলাম না।’




