যুদ্ধ শেষ হলেও ‘দুঃখ ও যন্ত্রণায়’ পূর্ণ তেহরান

যুদ্ধ শেষ হলেও ‘দুঃখ ও যন্ত্রণায়’ পূর্ণ তেহরান
সিটিজেন ডেস্ক

এক মাসের বেশি সময়জুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বোমাবর্ষণের পর একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে তেহরানে। তবে অনেক বাসিন্দাই মনে করছেন, এই বিরতি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে সংঘাত আবারও জ্বলে উঠতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো অডিও বার্তায় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান, ‘আমি যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, এই যুদ্ধবিরতি যেন তাদের নতুন করে বাঁচার সুযোগ দিয়েছে। সবাই সত্যিই স্বস্তি অনুভব করছে।’
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘তেহরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর লড়াই আবার শুরু হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।’
শহরের কেন্দ্রস্থলে বসবাসকারী ফটোগ্রাফার মরিয়ম সাঈদপুর যুদ্ধের সময়কার আতঙ্কের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের শব্দে যখন চারপাশ কেঁপে উঠছিল, তখন নিজেকে সামলাতে তিনি ছবি আঁকার চেষ্টা করেছিলেন। ‘কিন্তু হাত কাঁপতে শুরু করে, আর আমি আঁকতে পারছিলাম না।’
তার মতে, এই হামলাগুলো শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, বরং দেশের শিল্প ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও যে কাঠামো টিকে ছিল, সেটিও এখন হুমকির মুখে পড়েছে।
মরিয়ম সাঈদপুর বলেন, ‘আমার কাছে তেহরান বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ ও সুন্দর শহর ছিল। কিন্তু এখন শহরটির চেহারায় শুধু বিষণ্ণতা আর যন্ত্রণা ফুটে উঠছে।’
স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন, হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল সরকারি নেতৃত্বকে দুর্বল করা। তবে বাস্তবে এর শিকার হয়েছে অসংখ্য নিরীহ সাধারণ মানুষ। যা এই যুদ্ধের মানবিক বিপর্যয়কে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
সূত্র: এপি

এক মাসের বেশি সময়জুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বোমাবর্ষণের পর একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে তেহরানে। তবে অনেক বাসিন্দাই মনে করছেন, এই বিরতি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে সংঘাত আবারও জ্বলে উঠতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো অডিও বার্তায় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান, ‘আমি যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, এই যুদ্ধবিরতি যেন তাদের নতুন করে বাঁচার সুযোগ দিয়েছে। সবাই সত্যিই স্বস্তি অনুভব করছে।’
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘তেহরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর লড়াই আবার শুরু হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।’
শহরের কেন্দ্রস্থলে বসবাসকারী ফটোগ্রাফার মরিয়ম সাঈদপুর যুদ্ধের সময়কার আতঙ্কের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের শব্দে যখন চারপাশ কেঁপে উঠছিল, তখন নিজেকে সামলাতে তিনি ছবি আঁকার চেষ্টা করেছিলেন। ‘কিন্তু হাত কাঁপতে শুরু করে, আর আমি আঁকতে পারছিলাম না।’
তার মতে, এই হামলাগুলো শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, বরং দেশের শিল্প ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও যে কাঠামো টিকে ছিল, সেটিও এখন হুমকির মুখে পড়েছে।
মরিয়ম সাঈদপুর বলেন, ‘আমার কাছে তেহরান বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ ও সুন্দর শহর ছিল। কিন্তু এখন শহরটির চেহারায় শুধু বিষণ্ণতা আর যন্ত্রণা ফুটে উঠছে।’
স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন, হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল সরকারি নেতৃত্বকে দুর্বল করা। তবে বাস্তবে এর শিকার হয়েছে অসংখ্য নিরীহ সাধারণ মানুষ। যা এই যুদ্ধের মানবিক বিপর্যয়কে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
সূত্র: এপি

যুদ্ধ শেষ হলেও ‘দুঃখ ও যন্ত্রণায়’ পূর্ণ তেহরান
সিটিজেন ডেস্ক

এক মাসের বেশি সময়জুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বোমাবর্ষণের পর একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে তেহরানে। তবে অনেক বাসিন্দাই মনে করছেন, এই বিরতি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে সংঘাত আবারও জ্বলে উঠতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো অডিও বার্তায় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান, ‘আমি যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, এই যুদ্ধবিরতি যেন তাদের নতুন করে বাঁচার সুযোগ দিয়েছে। সবাই সত্যিই স্বস্তি অনুভব করছে।’
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘তেহরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর লড়াই আবার শুরু হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।’
শহরের কেন্দ্রস্থলে বসবাসকারী ফটোগ্রাফার মরিয়ম সাঈদপুর যুদ্ধের সময়কার আতঙ্কের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের শব্দে যখন চারপাশ কেঁপে উঠছিল, তখন নিজেকে সামলাতে তিনি ছবি আঁকার চেষ্টা করেছিলেন। ‘কিন্তু হাত কাঁপতে শুরু করে, আর আমি আঁকতে পারছিলাম না।’
তার মতে, এই হামলাগুলো শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, বরং দেশের শিল্প ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও যে কাঠামো টিকে ছিল, সেটিও এখন হুমকির মুখে পড়েছে।
মরিয়ম সাঈদপুর বলেন, ‘আমার কাছে তেহরান বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ ও সুন্দর শহর ছিল। কিন্তু এখন শহরটির চেহারায় শুধু বিষণ্ণতা আর যন্ত্রণা ফুটে উঠছে।’
স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন, হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল সরকারি নেতৃত্বকে দুর্বল করা। তবে বাস্তবে এর শিকার হয়েছে অসংখ্য নিরীহ সাধারণ মানুষ। যা এই যুদ্ধের মানবিক বিপর্যয়কে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
সূত্র: এপি




