যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করলো ইসরায়েল

যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করলো ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। একইসঙ্গে ৪০ দিন ধরে চলা এই যুদ্ধে ইসরায়েলে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক হিসাবও তুলে ধরেছে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে ইরানের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে ইসরাইল। অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি কমানো, সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটির অভ্যন্তরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরি করা।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, যুদ্ধকালীন সময়ে ইরান ইসরায়েলের দিকে প্রায় ৬৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি ছিল ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেডযুক্ত, যা বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এসব হামলায় ইসরায়েলে ২০ জন বেসামরিক নাগরিক ও বিদেশি নিহত হন। এছাড়া পশ্চিম তীরে আরও ৪ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। হামলায় আহত হয়েছেন ৭ হাজারের বেশি মানুষ।
মোট নিহত ২৪ জনের সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। নিহতদের অধিকাংশই হামলার সময় বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন না। এর মধ্যে ক্লাস্টার বোমায় ১০ জন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রে ১৪ জন নিহত হন।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, হামলার ফলে অন্তত ৫ হাজার ৫০০ ইসরায়েলি বাসিন্দা নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান প্রায় ৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। দ্বিতীয় দিনে এ সংখ্যা ছিল প্রায় ৬০টি এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ৩০টি। এরপর যুদ্ধের বাকি সময়জুড়ে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
এগুলোর মধ্যে মোট অন্তত ১৬টি প্রচলিত ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাত হানে। যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পাশাপাশি ক্লাস্টার বোমাযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রায় ৫০টি হামলার ঘটনা ঘটে, এতে শতাধিক স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। একইসঙ্গে ৪০ দিন ধরে চলা এই যুদ্ধে ইসরায়েলে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক হিসাবও তুলে ধরেছে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে ইরানের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে ইসরাইল। অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি কমানো, সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটির অভ্যন্তরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরি করা।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, যুদ্ধকালীন সময়ে ইরান ইসরায়েলের দিকে প্রায় ৬৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি ছিল ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেডযুক্ত, যা বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এসব হামলায় ইসরায়েলে ২০ জন বেসামরিক নাগরিক ও বিদেশি নিহত হন। এছাড়া পশ্চিম তীরে আরও ৪ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। হামলায় আহত হয়েছেন ৭ হাজারের বেশি মানুষ।
মোট নিহত ২৪ জনের সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। নিহতদের অধিকাংশই হামলার সময় বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন না। এর মধ্যে ক্লাস্টার বোমায় ১০ জন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রে ১৪ জন নিহত হন।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, হামলার ফলে অন্তত ৫ হাজার ৫০০ ইসরায়েলি বাসিন্দা নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান প্রায় ৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। দ্বিতীয় দিনে এ সংখ্যা ছিল প্রায় ৬০টি এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ৩০টি। এরপর যুদ্ধের বাকি সময়জুড়ে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
এগুলোর মধ্যে মোট অন্তত ১৬টি প্রচলিত ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাত হানে। যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পাশাপাশি ক্লাস্টার বোমাযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রায় ৫০টি হামলার ঘটনা ঘটে, এতে শতাধিক স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করলো ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। একইসঙ্গে ৪০ দিন ধরে চলা এই যুদ্ধে ইসরায়েলে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক হিসাবও তুলে ধরেছে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে ইরানের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে ইসরাইল। অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি কমানো, সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটির অভ্যন্তরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরি করা।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, যুদ্ধকালীন সময়ে ইরান ইসরায়েলের দিকে প্রায় ৬৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি ছিল ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেডযুক্ত, যা বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এসব হামলায় ইসরায়েলে ২০ জন বেসামরিক নাগরিক ও বিদেশি নিহত হন। এছাড়া পশ্চিম তীরে আরও ৪ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। হামলায় আহত হয়েছেন ৭ হাজারের বেশি মানুষ।
মোট নিহত ২৪ জনের সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। নিহতদের অধিকাংশই হামলার সময় বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন না। এর মধ্যে ক্লাস্টার বোমায় ১০ জন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রে ১৪ জন নিহত হন।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, হামলার ফলে অন্তত ৫ হাজার ৫০০ ইসরায়েলি বাসিন্দা নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান প্রায় ৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। দ্বিতীয় দিনে এ সংখ্যা ছিল প্রায় ৬০টি এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ৩০টি। এরপর যুদ্ধের বাকি সময়জুড়ে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
এগুলোর মধ্যে মোট অন্তত ১৬টি প্রচলিত ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাত হানে। যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পাশাপাশি ক্লাস্টার বোমাযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রায় ৫০টি হামলার ঘটনা ঘটে, এতে শতাধিক স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল




