লেবাননে হামলা আরও বিস্তারের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

লেবাননে হামলা আরও বিস্তারের নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ লেবাননে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তারের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, দেশের উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, তিনি সেনাবাহিনীকে বিদ্যমান নিরাপত্তা বাফার জোন আরও সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে বিদ্যমান নিরাপত্তা বাফার জোন আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছি। আমরা উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতি মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
ইসরায়েলের নর্দার্ন কমান্ড থেকে এই বক্তব্য দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উত্তর সীমান্তে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার করাই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সীমান্তজুড়ে ইরানপন্থী হিজবুল্লাহ বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে, যা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
ইসরায়েল সরকার মনে করছে, দক্ষিণ লেবাননে একটি বিস্তৃত নিরাপত্তা বাফার জোন তৈরি করলে সীমান্তবর্তী এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম কমানো সম্ভব হবে এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।
তবে সমালোচকেরা আশঙ্কা করছেন, এই পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং সংঘাতের মাত্রা বাড়াতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

দক্ষিণ লেবাননে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তারের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, দেশের উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, তিনি সেনাবাহিনীকে বিদ্যমান নিরাপত্তা বাফার জোন আরও সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে বিদ্যমান নিরাপত্তা বাফার জোন আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছি। আমরা উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতি মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
ইসরায়েলের নর্দার্ন কমান্ড থেকে এই বক্তব্য দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উত্তর সীমান্তে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার করাই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সীমান্তজুড়ে ইরানপন্থী হিজবুল্লাহ বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে, যা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
ইসরায়েল সরকার মনে করছে, দক্ষিণ লেবাননে একটি বিস্তৃত নিরাপত্তা বাফার জোন তৈরি করলে সীমান্তবর্তী এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম কমানো সম্ভব হবে এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।
তবে সমালোচকেরা আশঙ্কা করছেন, এই পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং সংঘাতের মাত্রা বাড়াতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

লেবাননে হামলা আরও বিস্তারের নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ লেবাননে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তারের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, দেশের উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, তিনি সেনাবাহিনীকে বিদ্যমান নিরাপত্তা বাফার জোন আরও সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে বিদ্যমান নিরাপত্তা বাফার জোন আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছি। আমরা উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতি মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
ইসরায়েলের নর্দার্ন কমান্ড থেকে এই বক্তব্য দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উত্তর সীমান্তে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার করাই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সীমান্তজুড়ে ইরানপন্থী হিজবুল্লাহ বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে, যা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
ইসরায়েল সরকার মনে করছে, দক্ষিণ লেবাননে একটি বিস্তৃত নিরাপত্তা বাফার জোন তৈরি করলে সীমান্তবর্তী এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম কমানো সম্ভব হবে এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।
তবে সমালোচকেরা আশঙ্কা করছেন, এই পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং সংঘাতের মাত্রা বাড়াতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স




