ইরানের অস্ত্র উৎপাদন এক মুহূর্তের জন্যও থামবে না: আইআরজিসি

ইরানের অস্ত্র উৎপাদন এক মুহূর্তের জন্যও থামবে না: আইআরজিসি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াকে কোনো শত্রুই এক মুহূর্তের জন্যও থামাতে পারবে না বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে বাহিনীটি দাবি করেছে, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের সংঘাতে তারা শত্রুপক্ষের ২৬০টিরও বেশি আকাশযান ও উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) আইআরজিসির অ্যারোস্পেস সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সংস্থাটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি।
সংবাদ সম্মেলনে মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে ইরানের নিজস্ব সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরে হোসেইন মোহেব্বি বলেন, এ বাহিনীর অন্যতম প্রধান কৌশলগত অর্জন হলো মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে নিজস্ব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির দেশীয়করণ। এর ফলে ইরান সামরিক অস্ত্র আমদানিকারক দেশ থেকে বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মোহেব্বি। তিনি বলেন, বর্তমানে ইরান নিজস্ব চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করছে। এর মধ্যে আরমান ক্ষেপণাস্ত্র, ৩৫৮ ড্রোন এবং খোরদাদ-৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য। অস্ত্র, সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনে ইরান এখন নিজস্ব জ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।
আইআরজিসি মুখপাত্র দাবি করেন, বিগত ৪০ দিনে বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্স প্রতিপক্ষের ২৬০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও অন্যান্য আকাশযানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে অথবা সেগুলোর কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। এ তালিকায় এফ-৩৫, এফ-১৮ ও এফ-১৫-এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি এমকিউ-১, এমকিউ-৯ আরকিউ-৪, রিপার এবং লুকাসের মতো বিপজ্জনক ড্রোনও রয়েছে বলে জানান তিনি।
জেনারেল মোহেব্বি বলেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ও বোমাবর্ষণের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রাখার সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের রাডারে শনাক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমানো এবং স্টেলথ প্রযুক্তির উন্নয়নেও অগ্রগতি হয়েছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম বন্ধ করার কোনো প্রচেষ্টাই সফল হতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াকে কোনো শত্রুই এক মুহূর্তের জন্যও থামাতে পারবে না বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে বাহিনীটি দাবি করেছে, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের সংঘাতে তারা শত্রুপক্ষের ২৬০টিরও বেশি আকাশযান ও উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) আইআরজিসির অ্যারোস্পেস সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সংস্থাটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি।
সংবাদ সম্মেলনে মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে ইরানের নিজস্ব সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরে হোসেইন মোহেব্বি বলেন, এ বাহিনীর অন্যতম প্রধান কৌশলগত অর্জন হলো মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে নিজস্ব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির দেশীয়করণ। এর ফলে ইরান সামরিক অস্ত্র আমদানিকারক দেশ থেকে বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মোহেব্বি। তিনি বলেন, বর্তমানে ইরান নিজস্ব চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করছে। এর মধ্যে আরমান ক্ষেপণাস্ত্র, ৩৫৮ ড্রোন এবং খোরদাদ-৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য। অস্ত্র, সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনে ইরান এখন নিজস্ব জ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।
আইআরজিসি মুখপাত্র দাবি করেন, বিগত ৪০ দিনে বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্স প্রতিপক্ষের ২৬০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও অন্যান্য আকাশযানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে অথবা সেগুলোর কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। এ তালিকায় এফ-৩৫, এফ-১৮ ও এফ-১৫-এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি এমকিউ-১, এমকিউ-৯ আরকিউ-৪, রিপার এবং লুকাসের মতো বিপজ্জনক ড্রোনও রয়েছে বলে জানান তিনি।
জেনারেল মোহেব্বি বলেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ও বোমাবর্ষণের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রাখার সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের রাডারে শনাক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমানো এবং স্টেলথ প্রযুক্তির উন্নয়নেও অগ্রগতি হয়েছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম বন্ধ করার কোনো প্রচেষ্টাই সফল হতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

ইরানের অস্ত্র উৎপাদন এক মুহূর্তের জন্যও থামবে না: আইআরজিসি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াকে কোনো শত্রুই এক মুহূর্তের জন্যও থামাতে পারবে না বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে বাহিনীটি দাবি করেছে, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের সংঘাতে তারা শত্রুপক্ষের ২৬০টিরও বেশি আকাশযান ও উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) আইআরজিসির অ্যারোস্পেস সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সংস্থাটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি।
সংবাদ সম্মেলনে মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে ইরানের নিজস্ব সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরে হোসেইন মোহেব্বি বলেন, এ বাহিনীর অন্যতম প্রধান কৌশলগত অর্জন হলো মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে নিজস্ব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির দেশীয়করণ। এর ফলে ইরান সামরিক অস্ত্র আমদানিকারক দেশ থেকে বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মোহেব্বি। তিনি বলেন, বর্তমানে ইরান নিজস্ব চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করছে। এর মধ্যে আরমান ক্ষেপণাস্ত্র, ৩৫৮ ড্রোন এবং খোরদাদ-৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য। অস্ত্র, সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনে ইরান এখন নিজস্ব জ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।
আইআরজিসি মুখপাত্র দাবি করেন, বিগত ৪০ দিনে বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্স প্রতিপক্ষের ২৬০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও অন্যান্য আকাশযানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে অথবা সেগুলোর কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। এ তালিকায় এফ-৩৫, এফ-১৮ ও এফ-১৫-এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি এমকিউ-১, এমকিউ-৯ আরকিউ-৪, রিপার এবং লুকাসের মতো বিপজ্জনক ড্রোনও রয়েছে বলে জানান তিনি।
জেনারেল মোহেব্বি বলেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ও বোমাবর্ষণের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রাখার সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের রাডারে শনাক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমানো এবং স্টেলথ প্রযুক্তির উন্নয়নেও অগ্রগতি হয়েছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম বন্ধ করার কোনো প্রচেষ্টাই সফল হতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত







