সাফে খেলতে ঢাকা আসছেন হামজা-ফারহান

সাফে খেলতে ঢাকা আসছেন হামজা-ফারহান
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের জন্য দারুণ এক স্বস্তির খবর নিয়ে আসছেন হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদ। আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে এই দুই প্রবাসী ফুটবলারের। সেদিনই তাদের লাল-সবুজের জার্সি গায়ে অনুশীলনে নামার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি জানিয়েছেন, ‘সাফের নিয়ম অনুযায়ী ২৮ জন ফুটবলার নিবন্ধনের সুযোগ ছিল। আমরা ২৮ জনকে নিবন্ধন করিয়েছি। তবে বর্তমানে ক্যাম্পে আছেন ২৬ জন। ফিফা উইন্ডোর কারণে বাকি দুজন আসতে পারেননি। হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন। আশা করছি, সেদিন অনুশীলনে তাদের দেখা যাবে।’
এদিকে ডিফেন্ডার তপু বর্মণকে নিয়েও আশার বাণী শুনিয়েছেন দলের এ কর্মকর্তা। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের আগে ওয়ার্মআপ করতে গিয়ে চোটে পড়েছিলেন তিনি। তবে তপুর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে মাঠে পাওয়া নিয়ে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে তার চূড়ান্ত খেলা নির্ভর করছে পুরোপুরি কোচের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর।
দলের বর্তমান প্রস্তুতি ও লক্ষ্য নিয়ে আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমাদের মূল ফোকাস সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটি অনেক পরিশ্রম করছে। অন্য দলগুলো হোটেলে ওঠার ১০ দিন আগেই আমরা হোটেলে অবস্থান করছি। দুইজন ছাড়া বাকি সবাই একসঙ্গে অনুশীলন করছি। আমাদের মধ্যে একতা, দেশপ্রেম ও প্রতিশ্রুতি আছে। খেলোয়াড়রা দেশের মানুষের দিকে তাকিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। আমাদের চেষ্টা সাফের ট্রফি দেশে রেখে দেওয়া। বাকি আল্লাহর ইচ্ছা।’

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের জন্য দারুণ এক স্বস্তির খবর নিয়ে আসছেন হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদ। আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে এই দুই প্রবাসী ফুটবলারের। সেদিনই তাদের লাল-সবুজের জার্সি গায়ে অনুশীলনে নামার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি জানিয়েছেন, ‘সাফের নিয়ম অনুযায়ী ২৮ জন ফুটবলার নিবন্ধনের সুযোগ ছিল। আমরা ২৮ জনকে নিবন্ধন করিয়েছি। তবে বর্তমানে ক্যাম্পে আছেন ২৬ জন। ফিফা উইন্ডোর কারণে বাকি দুজন আসতে পারেননি। হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন। আশা করছি, সেদিন অনুশীলনে তাদের দেখা যাবে।’
এদিকে ডিফেন্ডার তপু বর্মণকে নিয়েও আশার বাণী শুনিয়েছেন দলের এ কর্মকর্তা। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের আগে ওয়ার্মআপ করতে গিয়ে চোটে পড়েছিলেন তিনি। তবে তপুর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে মাঠে পাওয়া নিয়ে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে তার চূড়ান্ত খেলা নির্ভর করছে পুরোপুরি কোচের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর।
দলের বর্তমান প্রস্তুতি ও লক্ষ্য নিয়ে আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমাদের মূল ফোকাস সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটি অনেক পরিশ্রম করছে। অন্য দলগুলো হোটেলে ওঠার ১০ দিন আগেই আমরা হোটেলে অবস্থান করছি। দুইজন ছাড়া বাকি সবাই একসঙ্গে অনুশীলন করছি। আমাদের মধ্যে একতা, দেশপ্রেম ও প্রতিশ্রুতি আছে। খেলোয়াড়রা দেশের মানুষের দিকে তাকিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। আমাদের চেষ্টা সাফের ট্রফি দেশে রেখে দেওয়া। বাকি আল্লাহর ইচ্ছা।’

সাফে খেলতে ঢাকা আসছেন হামজা-ফারহান
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের জন্য দারুণ এক স্বস্তির খবর নিয়ে আসছেন হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদ। আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে এই দুই প্রবাসী ফুটবলারের। সেদিনই তাদের লাল-সবুজের জার্সি গায়ে অনুশীলনে নামার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি জানিয়েছেন, ‘সাফের নিয়ম অনুযায়ী ২৮ জন ফুটবলার নিবন্ধনের সুযোগ ছিল। আমরা ২৮ জনকে নিবন্ধন করিয়েছি। তবে বর্তমানে ক্যাম্পে আছেন ২৬ জন। ফিফা উইন্ডোর কারণে বাকি দুজন আসতে পারেননি। হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন। আশা করছি, সেদিন অনুশীলনে তাদের দেখা যাবে।’
এদিকে ডিফেন্ডার তপু বর্মণকে নিয়েও আশার বাণী শুনিয়েছেন দলের এ কর্মকর্তা। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের আগে ওয়ার্মআপ করতে গিয়ে চোটে পড়েছিলেন তিনি। তবে তপুর শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে মাঠে পাওয়া নিয়ে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে তার চূড়ান্ত খেলা নির্ভর করছে পুরোপুরি কোচের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর।
দলের বর্তমান প্রস্তুতি ও লক্ষ্য নিয়ে আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমাদের মূল ফোকাস সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটি অনেক পরিশ্রম করছে। অন্য দলগুলো হোটেলে ওঠার ১০ দিন আগেই আমরা হোটেলে অবস্থান করছি। দুইজন ছাড়া বাকি সবাই একসঙ্গে অনুশীলন করছি। আমাদের মধ্যে একতা, দেশপ্রেম ও প্রতিশ্রুতি আছে। খেলোয়াড়রা দেশের মানুষের দিকে তাকিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। আমাদের চেষ্টা সাফের ট্রফি দেশে রেখে দেওয়া। বাকি আল্লাহর ইচ্ছা।’

ডাবল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লেন হৃদয়







