শিরোনাম

কাতার-বাহরাইন থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

কাতার-বাহরাইন থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
কাতারে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কাতার ও বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। দেশগুলো হলো, কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এসবের মধ্যে কাতারের আল উবেইদ ঘাঁটিটি সবচেয়ে বড়।

২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত শুরুর সময় এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান।

অন্যদিকে বাহরাইনে যে ঘাঁটিটি আছে, সেটি ব্যবহার করে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট।

তবে কাতার ও বাহরাইনের দুটি ঘাঁটি থেকে সেনা সরানো হলেও বাকি ছয়টি ঘাঁটি থেকে এখনো কোনো সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের আটটি ঘাঁটিতে বর্তমানে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়েছেন সংস্থাটিতে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি। চিঠিতে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী সামরিক অভিযান শুরু করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ ও অবকাঠামোগত স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

আমির সাঈদ ইরাভানির ওই চিঠির পরপরই কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় পেন্টাগন।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর সার্বিক নির্বাহী দায়িত্বে রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম। কেন শুধু কাতার ও বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে সেন্টকোমের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল নিউইয়র্ক টাইমস। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, আনাদোলু এজেন্সি

/জেএইচ/