হুতির অস্ত্রের গুদামে বিমান হামলা
হুতির অস্ত্রের গুদামে বিমান হামলা
ইয়েমেনের মধ্যাঞ্চলীয় মারিব প্রদেশে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।


ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সম্প্রতি সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়িয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় যৌথ সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করার পর এর ভিডিও প্রকাশ করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ভিডিওতে দিনের আলো যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের আশপাশে সশস্ত্র কয়েকজন ব্যক্তিকে দেখা গেছে।

পবিত্র নগরী মক্কার দিকে আঘাত হানতে যাওয়ার পথে একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উদ্বেগ জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে আরেক মিত্র দেশ তুরস্কের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ইয়েমেনের মধ্যাঞ্চলীয় মারিব প্রদেশে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

হুতিরা মূলত ইয়েমেনের একটি শিয়া শিয়া-জাইদি রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী, যা আনুষ্ঠানিকভাবে 'আনসারুল্লাহ' নামে পরিচিত। ১৯৯০-এর দশকে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে সা'দা শহরে এই গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে এবং বর্তমানে তারা রাজধানী সানাসহ দেশটির একটি বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবাণিজ্যপথেও পড়তে শুরু করেছে। নিরাপত্তাঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালি এড়িয়ে চলতে হচ্ছে জাহাজগুলোকে।

ইয়েমেনের তাইজ ও হোদাইদা প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত দুই দিনে মুখোমুখি লড়াইয়ে দুই পক্ষের অন্তত শতাধিক যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। সংঘাতের এই রেষ ছড়িয়ে পড়েছে বেসামরিক এলাকায়ও।

ইয়েমেনে দীর্ঘ ৪ বছরের আপেক্ষিক শান্ত পরিবেশ ও যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটিয়ে সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিকল্পনা করেছেন যুদ্ধ ‘আরও কিছু সময়’ চালিয়ে যেতে, যেন ইরানের বর্তমান সরকারকে ব্যাপকভাবে দুর্বল করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলমান যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি করার সুযোগ এখনো আছে। তবে সেটা নির্ভর করছে ইরানের ওপর।
