ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন করার আহ্বান

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন করার আহ্বান
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে সাধারণ মানুষকে মানববন্ধন করার আহ্বান জানিয়েছে ইরান সরকার। এই মানববন্ধনে তরুণ, অ্যাথলেটসহ সবাইকে সামিল হতে বলেছে তারা।
সরকার জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করুন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আলিরেজা রাহিমি লিখেছেন, ‘আমরা হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়ে বলব: বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা যুদ্ধাপরাধ।’
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ইরানকে চুক্তিতে পৌঁছানোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে চুক্তি করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে।
এদিকে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্পের ডেডলাইনের মধ্যে চুক্তির সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই দেশের মধ্যে যেসব ইস্যু নিয়ে মতপার্থক্য আছে সেগুলো ব্যবধান অনেক বেশি। আর মঙ্গলবার রাতের মধ্যে তারা ইস্যুগুলো নিয়ে একমত হতে পারবে বলে মনে হয় না।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ট্রাম্প তার কাছের লোকদের কাছে বলেছেন চুক্তি হওয়া নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। যদিও আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন বলে আলোচনা চলছে। তবে এ সম্ভাবনা নিয়ে তার নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির অনেক সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়ে যেতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘শুধুমাত্র প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানেন তিনি কী করবেন। তার সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই স্পষ্ট হবে।’
সূত্র: আল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে সাধারণ মানুষকে মানববন্ধন করার আহ্বান জানিয়েছে ইরান সরকার। এই মানববন্ধনে তরুণ, অ্যাথলেটসহ সবাইকে সামিল হতে বলেছে তারা।
সরকার জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করুন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আলিরেজা রাহিমি লিখেছেন, ‘আমরা হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়ে বলব: বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা যুদ্ধাপরাধ।’
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ইরানকে চুক্তিতে পৌঁছানোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে চুক্তি করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে।
এদিকে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্পের ডেডলাইনের মধ্যে চুক্তির সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই দেশের মধ্যে যেসব ইস্যু নিয়ে মতপার্থক্য আছে সেগুলো ব্যবধান অনেক বেশি। আর মঙ্গলবার রাতের মধ্যে তারা ইস্যুগুলো নিয়ে একমত হতে পারবে বলে মনে হয় না।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ট্রাম্প তার কাছের লোকদের কাছে বলেছেন চুক্তি হওয়া নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। যদিও আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন বলে আলোচনা চলছে। তবে এ সম্ভাবনা নিয়ে তার নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির অনেক সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়ে যেতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘শুধুমাত্র প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানেন তিনি কী করবেন। তার সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই স্পষ্ট হবে।’
সূত্র: আল

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন করার আহ্বান
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে সাধারণ মানুষকে মানববন্ধন করার আহ্বান জানিয়েছে ইরান সরকার। এই মানববন্ধনে তরুণ, অ্যাথলেটসহ সবাইকে সামিল হতে বলেছে তারা।
সরকার জানিয়েছে, ৭ এপ্রিল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করুন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আলিরেজা রাহিমি লিখেছেন, ‘আমরা হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়ে বলব: বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা যুদ্ধাপরাধ।’
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ইরানকে চুক্তিতে পৌঁছানোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে চুক্তি করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে।
এদিকে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্পের ডেডলাইনের মধ্যে চুক্তির সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই দেশের মধ্যে যেসব ইস্যু নিয়ে মতপার্থক্য আছে সেগুলো ব্যবধান অনেক বেশি। আর মঙ্গলবার রাতের মধ্যে তারা ইস্যুগুলো নিয়ে একমত হতে পারবে বলে মনে হয় না।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ট্রাম্প তার কাছের লোকদের কাছে বলেছেন চুক্তি হওয়া নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। যদিও আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন বলে আলোচনা চলছে। তবে এ সম্ভাবনা নিয়ে তার নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির অনেক সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়ে যেতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘শুধুমাত্র প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানেন তিনি কী করবেন। তার সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই স্পষ্ট হবে।’
সূত্র: আল




