লেবাননের শহরে ‘একের পর এক’ বোমা হামলা ইসরায়েলের

লেবাননের শহরে ‘একের পর এক’ বোমা হামলা ইসরায়েলের
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সম্প্রতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র করেছে দখলদার বাহিনী।
বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যা থেকেই দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে একের পর এক হামলা চলেছে। শহরটি অবিরাম বোমাবর্ষণের শিকার হয়েছে। এতে ব্যাপক বিস্ফোরণ ও ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে আবাসিক এলাকাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার মতো ভবনগুলো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
টায়ার এমন একটি শহর, যেখানে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।
এপ্রিলের মাঝামাঝি ‘তথাকথিত’ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অনেকেই নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। কাগজে-কলমে চুক্তি হয়েছে, বাস্তবে এলাকাটি পুরোদমে সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রই ছিল।
গত তিন-চার দিন ধরে যা দেখা গেছে, সেটা ২ মার্চ সর্বশেষ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ লেবাননজুড়ে চালানো সবচেয়ে ভয়াবহ ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ।
তবে এটাকে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ড্রোন থেকে আসা হুমকি মোকাবেলায় ইসরায়েলের অক্ষমতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য এক বিরাট সংকট তৈরি করছে হিজবুল্লাহর ড্রোন। সম্প্রতি আরও এক ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হওয়ার সংবাদ দিয়েছে দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সম্প্রতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র করেছে দখলদার বাহিনী।
বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যা থেকেই দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে একের পর এক হামলা চলেছে। শহরটি অবিরাম বোমাবর্ষণের শিকার হয়েছে। এতে ব্যাপক বিস্ফোরণ ও ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে আবাসিক এলাকাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার মতো ভবনগুলো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
টায়ার এমন একটি শহর, যেখানে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।
এপ্রিলের মাঝামাঝি ‘তথাকথিত’ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অনেকেই নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। কাগজে-কলমে চুক্তি হয়েছে, বাস্তবে এলাকাটি পুরোদমে সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রই ছিল।
গত তিন-চার দিন ধরে যা দেখা গেছে, সেটা ২ মার্চ সর্বশেষ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ লেবাননজুড়ে চালানো সবচেয়ে ভয়াবহ ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ।
তবে এটাকে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ড্রোন থেকে আসা হুমকি মোকাবেলায় ইসরায়েলের অক্ষমতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য এক বিরাট সংকট তৈরি করছে হিজবুল্লাহর ড্রোন। সম্প্রতি আরও এক ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হওয়ার সংবাদ দিয়েছে দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননের শহরে ‘একের পর এক’ বোমা হামলা ইসরায়েলের
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সম্প্রতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র করেছে দখলদার বাহিনী।
বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যা থেকেই দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে একের পর এক হামলা চলেছে। শহরটি অবিরাম বোমাবর্ষণের শিকার হয়েছে। এতে ব্যাপক বিস্ফোরণ ও ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে আবাসিক এলাকাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার মতো ভবনগুলো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
টায়ার এমন একটি শহর, যেখানে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।
এপ্রিলের মাঝামাঝি ‘তথাকথিত’ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অনেকেই নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। কাগজে-কলমে চুক্তি হয়েছে, বাস্তবে এলাকাটি পুরোদমে সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রই ছিল।
গত তিন-চার দিন ধরে যা দেখা গেছে, সেটা ২ মার্চ সর্বশেষ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ লেবাননজুড়ে চালানো সবচেয়ে ভয়াবহ ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ।
তবে এটাকে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ড্রোন থেকে আসা হুমকি মোকাবেলায় ইসরায়েলের অক্ষমতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য এক বিরাট সংকট তৈরি করছে হিজবুল্লাহর ড্রোন। সম্প্রতি আরও এক ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হওয়ার সংবাদ দিয়েছে দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননের ৫০ গ্রাম খালি করার নির্দেশ ইসরায়েলের


