দিল্লির হোটেলে আগুনে বাংলাদেশি নিহত

দিল্লির হোটেলে আগুনে বাংলাদেশি নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

সম্প্রতি দিল্লির মালব্য নগরের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। তার নাম মো. নুরুল আমিন (৪৪)। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৮ জন, যার মধ্যে ৫ বাংলাদেশি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।
এর আগে বুধবার (৩ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে পাঁচতলা ভবনটির বেসমেন্টে অবস্থিত ‘মিকাসা ইন’ হোটেলের রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে।
এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন ভারতীয় নাগরিক ছাড়াও বাংলাদেশ, মোজাম্বিক, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া ও উজবেকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন।
জানা গেছে, নিহত মো. নুরুল আমিনসহ দুই বাংলাদেশি পরিবার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তারা সবাই চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন। আগুন লাগার সময় তারা হোটেলেই ছিলেন।
আগুন লাগার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, আগুন থেকে বাঁচতে কিছু লোক জ্বলন্ত ভবনটি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, হোটেলটিতে প্রায় ২৫টি কক্ষ ছিল। সেখানে প্রায় ৪০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন। তাদের অধিকাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। চিকিৎসার জন্য দেশে এসেছিলেন।
আগুন লাগার সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে।
হোটেলের রেস্তোরাঁয় কর্মরত শেফ কেসার সিং ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, সকাল ৮টার দিকে একটি বৈদ্যুতিক চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করছিলাম। হঠাৎ আগুনের শিখা দেখতে পাই। পরে বাইরে এসে দেখি পুরো হোটেল আগুনে পুড়ছে। কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্স পোস্টে জানানো হয়েছে, তিনি বলেছেন, ‘দিল্লির মালব্য নগরে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’
তিনি নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
তিনি বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়া মাত্রই দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, ডিডিএমএ, ক্যাটস অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলির দলগুলিকে মোতায়েন করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

সম্প্রতি দিল্লির মালব্য নগরের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। তার নাম মো. নুরুল আমিন (৪৪)। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৮ জন, যার মধ্যে ৫ বাংলাদেশি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।
এর আগে বুধবার (৩ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে পাঁচতলা ভবনটির বেসমেন্টে অবস্থিত ‘মিকাসা ইন’ হোটেলের রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে।
এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন ভারতীয় নাগরিক ছাড়াও বাংলাদেশ, মোজাম্বিক, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া ও উজবেকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন।
জানা গেছে, নিহত মো. নুরুল আমিনসহ দুই বাংলাদেশি পরিবার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তারা সবাই চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন। আগুন লাগার সময় তারা হোটেলেই ছিলেন।
আগুন লাগার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, আগুন থেকে বাঁচতে কিছু লোক জ্বলন্ত ভবনটি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, হোটেলটিতে প্রায় ২৫টি কক্ষ ছিল। সেখানে প্রায় ৪০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন। তাদের অধিকাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। চিকিৎসার জন্য দেশে এসেছিলেন।
আগুন লাগার সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে।
হোটেলের রেস্তোরাঁয় কর্মরত শেফ কেসার সিং ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, সকাল ৮টার দিকে একটি বৈদ্যুতিক চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করছিলাম। হঠাৎ আগুনের শিখা দেখতে পাই। পরে বাইরে এসে দেখি পুরো হোটেল আগুনে পুড়ছে। কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্স পোস্টে জানানো হয়েছে, তিনি বলেছেন, ‘দিল্লির মালব্য নগরে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’
তিনি নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
তিনি বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়া মাত্রই দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, ডিডিএমএ, ক্যাটস অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলির দলগুলিকে মোতায়েন করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

দিল্লির হোটেলে আগুনে বাংলাদেশি নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

সম্প্রতি দিল্লির মালব্য নগরের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। তার নাম মো. নুরুল আমিন (৪৪)। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৮ জন, যার মধ্যে ৫ বাংলাদেশি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।
এর আগে বুধবার (৩ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে পাঁচতলা ভবনটির বেসমেন্টে অবস্থিত ‘মিকাসা ইন’ হোটেলের রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে।
এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন ভারতীয় নাগরিক ছাড়াও বাংলাদেশ, মোজাম্বিক, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া ও উজবেকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন।
জানা গেছে, নিহত মো. নুরুল আমিনসহ দুই বাংলাদেশি পরিবার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তারা সবাই চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন। আগুন লাগার সময় তারা হোটেলেই ছিলেন।
আগুন লাগার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, আগুন থেকে বাঁচতে কিছু লোক জ্বলন্ত ভবনটি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, হোটেলটিতে প্রায় ২৫টি কক্ষ ছিল। সেখানে প্রায় ৪০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন। তাদের অধিকাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। চিকিৎসার জন্য দেশে এসেছিলেন।
আগুন লাগার সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে।
হোটেলের রেস্তোরাঁয় কর্মরত শেফ কেসার সিং ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, সকাল ৮টার দিকে একটি বৈদ্যুতিক চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করছিলাম। হঠাৎ আগুনের শিখা দেখতে পাই। পরে বাইরে এসে দেখি পুরো হোটেল আগুনে পুড়ছে। কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্স পোস্টে জানানো হয়েছে, তিনি বলেছেন, ‘দিল্লির মালব্য নগরে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’
তিনি নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
তিনি বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়া মাত্রই দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, ডিডিএমএ, ক্যাটস অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলির দলগুলিকে মোতায়েন করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

দিল্লিতে হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২০

