‘শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার বানাচ্ছেন রাহুল গান্ধী’

‘শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার বানাচ্ছেন রাহুল গান্ধী’
সিজেডএন ডেস্ক

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ করায় কংগ্রেস ও বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য তথ্য ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সোমবার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করে। তবে এতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিক্ষোভটি ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয় এবং গান্ধী ভাইবোনদের আটক করা হয়। রাত ৯টার দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন চলাকালে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির’ জন্য তারা নির্লজ্জভাবে ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। কংগ্রেসের এই প্রতিবাদ নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করেছে এবং জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়েছে।’
বিক্ষোভ চলাকালীন গান্ধীর সঙ্গে দেখা করা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছিলেন, বিরোধীদলীয় নেতা তাকে জানিয়েছেন প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে সংসদে আলোচনা হলে বিক্ষোভ প্রত্যাহার করা হবে। কেন্দ্র এই দাবিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু রাহুল তখন আরও একটি দাবি যোগ করেন ।
ধর্মেন্দ্র প্রধানও একই ধরনের কথা বললেন।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনার জন্য প্রস্তুতির কথা জানানোর পরও কংগ্রেস গণতান্ত্রিক আলোচনার পরিবর্তে রাজনৈতিক নাটককেই বেছে নিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য কখনোই শিক্ষার্থীদের জন্য সমাধান ছিল না বরং রাজনৈতিক শিরোনামের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাই মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর কাছে ছাত্রছাত্রীদের দাবি কোনো বিষয়ই নয়, আলোচনার প্রতিটি ন্যায্য পথ খুলে দেওয়ার পরও সংঘাত তৈরি করাই তার লক্ষ্য।
প্রধান জোর দিয়ে বলেন, কেন্দ্র সংসদে নিট নিয়ে আলোচনা করতে এবং ছাত্রছাত্রী ও তরুণদের উদ্বেগ নিরসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, ‘ভারতের ছাত্রছাত্রীরা রাজনৈতিক প্রচারণার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার চেয়ে অনেক ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য। তারা বিশৃঙ্খলার পরিবর্তে নিশ্চয়তা, স্লোগানের পরিবর্তে সমাধান এবং রাজনৈতিক নাটকের বদলে দায়িত্ববোধ পাওয়ার যোগ্য।’
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির অভিযোগ, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটে অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর দায় নিয়ে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে আরও কিছু বিষয় স্পষ্ট ছিল: শিক্ষা খাতের অনিয়ম, পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ এখন ভারতের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ করায় কংগ্রেস ও বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য তথ্য ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সোমবার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করে। তবে এতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিক্ষোভটি ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয় এবং গান্ধী ভাইবোনদের আটক করা হয়। রাত ৯টার দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন চলাকালে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির’ জন্য তারা নির্লজ্জভাবে ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। কংগ্রেসের এই প্রতিবাদ নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করেছে এবং জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়েছে।’
বিক্ষোভ চলাকালীন গান্ধীর সঙ্গে দেখা করা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছিলেন, বিরোধীদলীয় নেতা তাকে জানিয়েছেন প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে সংসদে আলোচনা হলে বিক্ষোভ প্রত্যাহার করা হবে। কেন্দ্র এই দাবিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু রাহুল তখন আরও একটি দাবি যোগ করেন ।
ধর্মেন্দ্র প্রধানও একই ধরনের কথা বললেন।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনার জন্য প্রস্তুতির কথা জানানোর পরও কংগ্রেস গণতান্ত্রিক আলোচনার পরিবর্তে রাজনৈতিক নাটককেই বেছে নিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য কখনোই শিক্ষার্থীদের জন্য সমাধান ছিল না বরং রাজনৈতিক শিরোনামের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাই মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর কাছে ছাত্রছাত্রীদের দাবি কোনো বিষয়ই নয়, আলোচনার প্রতিটি ন্যায্য পথ খুলে দেওয়ার পরও সংঘাত তৈরি করাই তার লক্ষ্য।
প্রধান জোর দিয়ে বলেন, কেন্দ্র সংসদে নিট নিয়ে আলোচনা করতে এবং ছাত্রছাত্রী ও তরুণদের উদ্বেগ নিরসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, ‘ভারতের ছাত্রছাত্রীরা রাজনৈতিক প্রচারণার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার চেয়ে অনেক ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য। তারা বিশৃঙ্খলার পরিবর্তে নিশ্চয়তা, স্লোগানের পরিবর্তে সমাধান এবং রাজনৈতিক নাটকের বদলে দায়িত্ববোধ পাওয়ার যোগ্য।’
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির অভিযোগ, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটে অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর দায় নিয়ে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে আরও কিছু বিষয় স্পষ্ট ছিল: শিক্ষা খাতের অনিয়ম, পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ এখন ভারতের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

‘শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার বানাচ্ছেন রাহুল গান্ধী’
সিজেডএন ডেস্ক

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ করায় কংগ্রেস ও বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য তথ্য ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সোমবার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করে। তবে এতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিক্ষোভটি ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয় এবং গান্ধী ভাইবোনদের আটক করা হয়। রাত ৯টার দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন চলাকালে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির’ জন্য তারা নির্লজ্জভাবে ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। কংগ্রেসের এই প্রতিবাদ নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করেছে এবং জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়েছে।’
বিক্ষোভ চলাকালীন গান্ধীর সঙ্গে দেখা করা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছিলেন, বিরোধীদলীয় নেতা তাকে জানিয়েছেন প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে সংসদে আলোচনা হলে বিক্ষোভ প্রত্যাহার করা হবে। কেন্দ্র এই দাবিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু রাহুল তখন আরও একটি দাবি যোগ করেন ।
ধর্মেন্দ্র প্রধানও একই ধরনের কথা বললেন।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনার জন্য প্রস্তুতির কথা জানানোর পরও কংগ্রেস গণতান্ত্রিক আলোচনার পরিবর্তে রাজনৈতিক নাটককেই বেছে নিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য কখনোই শিক্ষার্থীদের জন্য সমাধান ছিল না বরং রাজনৈতিক শিরোনামের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাই মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর কাছে ছাত্রছাত্রীদের দাবি কোনো বিষয়ই নয়, আলোচনার প্রতিটি ন্যায্য পথ খুলে দেওয়ার পরও সংঘাত তৈরি করাই তার লক্ষ্য।
প্রধান জোর দিয়ে বলেন, কেন্দ্র সংসদে নিট নিয়ে আলোচনা করতে এবং ছাত্রছাত্রী ও তরুণদের উদ্বেগ নিরসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, ‘ভারতের ছাত্রছাত্রীরা রাজনৈতিক প্রচারণার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার চেয়ে অনেক ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য। তারা বিশৃঙ্খলার পরিবর্তে নিশ্চয়তা, স্লোগানের পরিবর্তে সমাধান এবং রাজনৈতিক নাটকের বদলে দায়িত্ববোধ পাওয়ার যোগ্য।’
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির অভিযোগ, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটে অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর দায় নিয়ে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে আরও কিছু বিষয় স্পষ্ট ছিল: শিক্ষা খাতের অনিয়ম, পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ এখন ভারতের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

হঠাৎ কী ঘটলো দিল্লির রাজপথে
মোদির বাসভবনের সামনে থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা





